এখন ০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পারিবারিক ক্ষোভের জেরে শ্বাসরোধে হত্যা; তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করে আলামত ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ

মতলব উত্তরে কলাবাগানে উদ্ধার অজ্ঞাত নারীর মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটন, মাকে হত্যার দায়ে ছেলে গ্রেপ্তার

মাকে হত্যার দায়ে ছেলে গ্রেপ্তার

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কলাবাগান থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। পারিবারিক ক্ষোভের জেরে নিজের মা মজিদা বেগমকে হত্যা করেছে ছেলে জনি। গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত ও নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশের তদন্ত এবং গ্রেপ্তার হওয়া জনির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত মজিদা বেগম তিনটি বিয়ে করেছিলেন। জনির দাবি, ছোটবেলা থেকেই সে মা-বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিল এবং মামার বাড়িতে অবহেলা ও নির্যাতনের মধ্যে বড় হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মায়ের প্রতি জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই সে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জনি পেশায় ঢাকায় ফল বিক্রেতা। গত ১৭ জুন ২০২৬ তিনি তার মা মজিদা বেগমকে ছেংগারচর বাজার থেকে একটি অটোরিকশাযোগে মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের একটি নির্জন কলাবাগানে নিয়ে যান। সেখানে দুই আইলের মাঝখানে জমে থাকা পানিতে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন।

হত্যার পর ঘটনাটি গোপন করতে নিহতের মোবাইল ফোনটি একটি দূরের পুকুরে ফেলে দেন জনি। পরে গত ২৫ জুন স্থানীয়রা কলাবাগান থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মতলব উত্তর থানার একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে লোকেশন ও সেল আইডি বিশ্লেষণ করে জনিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত এবং নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

পারিবারিক ক্ষোভের জেরে শ্বাসরোধে হত্যা; তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করে আলামত ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ

মতলব উত্তরে কলাবাগানে উদ্ধার অজ্ঞাত নারীর মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটন, মাকে হত্যার দায়ে ছেলে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কলাবাগান থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। পারিবারিক ক্ষোভের জেরে নিজের মা মজিদা বেগমকে হত্যা করেছে ছেলে জনি। গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত ও নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশের তদন্ত এবং গ্রেপ্তার হওয়া জনির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত মজিদা বেগম তিনটি বিয়ে করেছিলেন। জনির দাবি, ছোটবেলা থেকেই সে মা-বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিল এবং মামার বাড়িতে অবহেলা ও নির্যাতনের মধ্যে বড় হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মায়ের প্রতি জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই সে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জনি পেশায় ঢাকায় ফল বিক্রেতা। গত ১৭ জুন ২০২৬ তিনি তার মা মজিদা বেগমকে ছেংগারচর বাজার থেকে একটি অটোরিকশাযোগে মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের একটি নির্জন কলাবাগানে নিয়ে যান। সেখানে দুই আইলের মাঝখানে জমে থাকা পানিতে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন।

হত্যার পর ঘটনাটি গোপন করতে নিহতের মোবাইল ফোনটি একটি দূরের পুকুরে ফেলে দেন জনি। পরে গত ২৫ জুন স্থানীয়রা কলাবাগান থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মতলব উত্তর থানার একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে লোকেশন ও সেল আইডি বিশ্লেষণ করে জনিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত এবং নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।