এখন ০২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ; আহত অন্তঃসত্ত্বা নারী ও যুবক হাসপাতালে, আইনি প্রতিকারের দাবি পরিবারের

গলাচিপায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ দুইজনকে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি; আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি

  • সঞ্জিব দাস
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৬১৬ পড়া হয়েছে

গলাচিপা ( পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর গলাচিপায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ এক পুরুষকে মারধর করার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চর কাজল ইউনিয়নের বড় শিবা গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ধলারচর আবাসন প্রকল্পের মিজানুর রহমানের বাড়িতে। আহতরা হলেন মিজানুর রহমানের ছেলে মনির হোসেন (২৭)ও মনির হোসেনের ভাই রাকির হোসেনের স্ত্রী আহত অন্তঃসত্ত্বা ঝুমুর বেগম (২১)।

গলাচিপা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত মনির হোসেন
গলাচিপা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত মনির হোসেন

আহতদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত মনির হোসেন জানান, ছৈইলা গাছের ডালকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকাল আনুমানিক ৩ টার দিকে আমাদের একই এলাকার চানমিয়া মৃধা,বাবুল হাওলাদার, আশ্রাফ উদ্দিন দরবেশ,কানটু দরবেশ,রিপন দরবেশ,শাহাবুদ্দিন দরবেশসহ আরও অনেকে আমাদেরকে মারধর করে এতে আমার ভাইয়ের স্ত্রী ঝুমুর বেগম অন্তঃসত্ত্বা তাকেও মারধর করে। আমি এদের সঠিক বিচার চাই। আহত অন্তঃসত্ত্বা ঝুমুর বেগম বলেন, আমাকে কিছু না বলেই এলোপাথাারিভাবে পিঠেতে থাকে এক পর্যায়ে আমার জামা কাপড় খুলে ফেলে আমি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা আমি আইনের মাধ্যমে এদের বিচার চাই। আহত মনির হোসেনের মা কামরুন নাহার বলেন,আমার ছেলে ও ছেলে বউ কে এলোপাথাকি ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আমার ছেলের বৌ অন্তঃসত্ত্বা আমি এদের সঠিক বিচার চাই। আহত মনির হোসেনের চাচা জসিম চোদ্দার বলেন,তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ মারামারি এর সঠিক বিচার হওয়া দরকার। আহত মনির হোসেনের মামাতো ভাই খায়রুল ইসলাম বলেন,আমার ভাই ও ভাবিকে মারধর করেছে পুলিশ পাহারায় তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মেজবাহউদ্দিন বলেন, আমার চিকিৎসা ধীনে দ্বিতীয় তলায় ৫ ও ৬ নম্বর বেডে মনির হোসেন ও ঝুমুর বেগম ভর্তি হয়েছে।মনির হোসেনের শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুল যখন ও বাম পায়ের গোরালিতে সেলাই রয়েছে। আহত ঝুমুর বেগম অন্তঃসত্ত্বা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে কালো কালো দাগ রয়েছে। ইউপি সদস্য সিয়াব হাওলাদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মোল্লা বলেন, দুইপক্ষকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মীমাংসার ব্যবস্থা করব। গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তদন্ত জিলন শিকদার বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে অন্তঃসত্ত্বা ঝুমুর বেগমের স্বামী রাকিব হোসেন গলাচিপা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার করবেন বলে জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ; আহত অন্তঃসত্ত্বা নারী ও যুবক হাসপাতালে, আইনি প্রতিকারের দাবি পরিবারের

গলাচিপায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ দুইজনকে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি; আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

গলাচিপা ( পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর গলাচিপায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ এক পুরুষকে মারধর করার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চর কাজল ইউনিয়নের বড় শিবা গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ধলারচর আবাসন প্রকল্পের মিজানুর রহমানের বাড়িতে। আহতরা হলেন মিজানুর রহমানের ছেলে মনির হোসেন (২৭)ও মনির হোসেনের ভাই রাকির হোসেনের স্ত্রী আহত অন্তঃসত্ত্বা ঝুমুর বেগম (২১)।

গলাচিপা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত মনির হোসেন
গলাচিপা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত মনির হোসেন

আহতদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত মনির হোসেন জানান, ছৈইলা গাছের ডালকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকাল আনুমানিক ৩ টার দিকে আমাদের একই এলাকার চানমিয়া মৃধা,বাবুল হাওলাদার, আশ্রাফ উদ্দিন দরবেশ,কানটু দরবেশ,রিপন দরবেশ,শাহাবুদ্দিন দরবেশসহ আরও অনেকে আমাদেরকে মারধর করে এতে আমার ভাইয়ের স্ত্রী ঝুমুর বেগম অন্তঃসত্ত্বা তাকেও মারধর করে। আমি এদের সঠিক বিচার চাই। আহত অন্তঃসত্ত্বা ঝুমুর বেগম বলেন, আমাকে কিছু না বলেই এলোপাথাারিভাবে পিঠেতে থাকে এক পর্যায়ে আমার জামা কাপড় খুলে ফেলে আমি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা আমি আইনের মাধ্যমে এদের বিচার চাই। আহত মনির হোসেনের মা কামরুন নাহার বলেন,আমার ছেলে ও ছেলে বউ কে এলোপাথাকি ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আমার ছেলের বৌ অন্তঃসত্ত্বা আমি এদের সঠিক বিচার চাই। আহত মনির হোসেনের চাচা জসিম চোদ্দার বলেন,তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ মারামারি এর সঠিক বিচার হওয়া দরকার। আহত মনির হোসেনের মামাতো ভাই খায়রুল ইসলাম বলেন,আমার ভাই ও ভাবিকে মারধর করেছে পুলিশ পাহারায় তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মেজবাহউদ্দিন বলেন, আমার চিকিৎসা ধীনে দ্বিতীয় তলায় ৫ ও ৬ নম্বর বেডে মনির হোসেন ও ঝুমুর বেগম ভর্তি হয়েছে।মনির হোসেনের শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুল যখন ও বাম পায়ের গোরালিতে সেলাই রয়েছে। আহত ঝুমুর বেগম অন্তঃসত্ত্বা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে কালো কালো দাগ রয়েছে। ইউপি সদস্য সিয়াব হাওলাদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মোল্লা বলেন, দুইপক্ষকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মীমাংসার ব্যবস্থা করব। গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তদন্ত জিলন শিকদার বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে অন্তঃসত্ত্বা ঝুমুর বেগমের স্বামী রাকিব হোসেন গলাচিপা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার করবেন বলে জানান।