এখন ০৩:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
হিসাবের কৌশলে প্রয়োজনের বেশি বিল দেখানো

স্ল্যাব পদ্ধতির সুযোগে বিদ্যুৎ কর্মচারীদের কৌশলী প্রতারণা: গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে বিদ্যুৎ বিলের বর্তমান স্ল্যাব পদ্ধতির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু বিদ্যুৎ কর্মচারী গ্রাহকদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন ফাঁকি ও হিসাবের কৌশলে প্রয়োজনের বেশি বিল দেখানো এবং বিল সমন্বয়ের নামে ঘুষ নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গ্রাহকদের অভিযোগ,

মিটার রিডিং ঠিকমতো না নিয়ে অনুমানভিত্তিক বিল দেওয়া

বিল কম দেখানোর বা সমন্বয়ের আশ্বাস দিয়ে টাকা দাবি

স্ল্যাব বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বিলে অতিরিক্ত ইউনিট যোগ করা

স্ল্যাব থাকায় মাঝেমধ্যে বিল কম দেখিয়ে একসময় হঠাৎ বিল বেশি দেখিয়ে বেশি বিল করার মাধ্যমে প্রতারণার সুযোগ রাখা

অভিযোগ তুললে “আগামী মাসে ঠিক হবে” বলে কালক্ষেপণ

মিরপুরের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন,

“মিটার ঠিক থাকলেও রিডিং না দেখে বেশি ইউনিট দেখানো হয়। অভিযোগ করলে নানা অজুহাত দেয়। টাকা দিলে পরের মাসেই কম বিল আসে—এটাই বাস্তবতা।”

আরেক গ্রাহক জানান,

“বিল সংশোধন করতে গেলে অফিসে দৌড়াতে হয়। ঘুষ দিলে ১০ মিনিটে কাজ হয়, না হলে সপ্তাহ পার হয়ে যায়।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জটিল স্ল্যাব পদ্ধতি অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির পথ খোলা রাখে। সময়মতো নজরদারি ও স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ গ্রাহকই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫০ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ফ্ল্যাট রেট চালুর দাবি জোরালো হয়েছে। এতে দুর্নীতি কমবে এবং বিল হিসাব সহজ হবে বলে ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর মত।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,

“অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভবিষ্যতে স্বয়ংক্রিয় মিটারিং ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

হিসাবের কৌশলে প্রয়োজনের বেশি বিল দেখানো

স্ল্যাব পদ্ধতির সুযোগে বিদ্যুৎ কর্মচারীদের কৌশলী প্রতারণা: গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:১৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে বিদ্যুৎ বিলের বর্তমান স্ল্যাব পদ্ধতির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু বিদ্যুৎ কর্মচারী গ্রাহকদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন ফাঁকি ও হিসাবের কৌশলে প্রয়োজনের বেশি বিল দেখানো এবং বিল সমন্বয়ের নামে ঘুষ নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গ্রাহকদের অভিযোগ,

মিটার রিডিং ঠিকমতো না নিয়ে অনুমানভিত্তিক বিল দেওয়া

বিল কম দেখানোর বা সমন্বয়ের আশ্বাস দিয়ে টাকা দাবি

স্ল্যাব বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বিলে অতিরিক্ত ইউনিট যোগ করা

স্ল্যাব থাকায় মাঝেমধ্যে বিল কম দেখিয়ে একসময় হঠাৎ বিল বেশি দেখিয়ে বেশি বিল করার মাধ্যমে প্রতারণার সুযোগ রাখা

অভিযোগ তুললে “আগামী মাসে ঠিক হবে” বলে কালক্ষেপণ

মিরপুরের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন,

“মিটার ঠিক থাকলেও রিডিং না দেখে বেশি ইউনিট দেখানো হয়। অভিযোগ করলে নানা অজুহাত দেয়। টাকা দিলে পরের মাসেই কম বিল আসে—এটাই বাস্তবতা।”

আরেক গ্রাহক জানান,

“বিল সংশোধন করতে গেলে অফিসে দৌড়াতে হয়। ঘুষ দিলে ১০ মিনিটে কাজ হয়, না হলে সপ্তাহ পার হয়ে যায়।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জটিল স্ল্যাব পদ্ধতি অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির পথ খোলা রাখে। সময়মতো নজরদারি ও স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ গ্রাহকই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫০ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ফ্ল্যাট রেট চালুর দাবি জোরালো হয়েছে। এতে দুর্নীতি কমবে এবং বিল হিসাব সহজ হবে বলে ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর মত।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,

“অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভবিষ্যতে স্বয়ংক্রিয় মিটারিং ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে।