এখন ০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ইসরা ও মেরাজের স্মরণে আজ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ

আজ পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ: ইবাদত ও নফল আমলে মুসলমানদের ব্যস্ততা

  • লুৎফর সিকদার
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১১:২৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৭২ পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবেমেরাজ আজ শুক্রবার। মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সম্পন্ন হয় রজব মাসের ২৬ তারিখের এই রাতে। এই সময় তিনি ঐশ্বরিক উপায়ে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করে মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। ইসলাম ধর্মের তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
উল্লেখ্য, মেরাজের ঘটনার মধ্য দিয়েই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয়। এ রাতেই প্রতিদিন পাঁচবার নামাজ আদায়ের বিধান নিয়ে আসেন হজরত মুহম্মদ (সা.)।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিষ্টাব্দের এক রাতে কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত ‘বায়তুল মুকাদ্দাস’ বা আল-আকসা মসজিদে গমন করে নবীদের জামাতে ইমামতি করেন। মসজিদুল আকসায় গমনের এ ঘটনাকে কোরআনের ভাষায় ‘ইসরা’ বলা হয়। সেখান থেকে তিনি ‘বুরাক’ নামের বিশেষ বাহনে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন এবং এ ঘটনাকে ‘মেরাজ’ বলা হয়। এ সফরে তার সফরসঙ্গী ছিলেন ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)।

জিবরাইল (আ.) হজরত মুহম্মদকে (সা.) ঊর্ধ্বাকাশে অবস্থিত ‘সিদরাতুল মুনতাহা’, বেহেশতের নদী ও ফেরেশতাদের জন্য আল্লাহর নির্ধারিত ইবাদতখানা ‘বায়তুল মামুর’ পরিদর্শন করান। এরপর হজরত মুহম্মদ (সা.) মহান আল্লাহ তাআলার সাক্ষাৎ লাভ করেন।

মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শবেমেরাজের এই রাতে মসজিদে, বাসায় বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি, জিকির-আজকার ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে কাটিয়ে দেন। এ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ইসরা ও মেরাজের স্মরণে আজ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ

আজ পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ: ইবাদত ও নফল আমলে মুসলমানদের ব্যস্ততা

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:২৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবেমেরাজ আজ শুক্রবার। মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সম্পন্ন হয় রজব মাসের ২৬ তারিখের এই রাতে। এই সময় তিনি ঐশ্বরিক উপায়ে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করে মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। ইসলাম ধর্মের তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
উল্লেখ্য, মেরাজের ঘটনার মধ্য দিয়েই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয়। এ রাতেই প্রতিদিন পাঁচবার নামাজ আদায়ের বিধান নিয়ে আসেন হজরত মুহম্মদ (সা.)।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিষ্টাব্দের এক রাতে কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত ‘বায়তুল মুকাদ্দাস’ বা আল-আকসা মসজিদে গমন করে নবীদের জামাতে ইমামতি করেন। মসজিদুল আকসায় গমনের এ ঘটনাকে কোরআনের ভাষায় ‘ইসরা’ বলা হয়। সেখান থেকে তিনি ‘বুরাক’ নামের বিশেষ বাহনে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন এবং এ ঘটনাকে ‘মেরাজ’ বলা হয়। এ সফরে তার সফরসঙ্গী ছিলেন ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)।

জিবরাইল (আ.) হজরত মুহম্মদকে (সা.) ঊর্ধ্বাকাশে অবস্থিত ‘সিদরাতুল মুনতাহা’, বেহেশতের নদী ও ফেরেশতাদের জন্য আল্লাহর নির্ধারিত ইবাদতখানা ‘বায়তুল মামুর’ পরিদর্শন করান। এরপর হজরত মুহম্মদ (সা.) মহান আল্লাহ তাআলার সাক্ষাৎ লাভ করেন।

মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শবেমেরাজের এই রাতে মসজিদে, বাসায় বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি, জিকির-আজকার ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে কাটিয়ে দেন। এ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।