এখন ০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে অনিয়ম স্বাভাবিক: গোপালগঞ্জ খাদ্য কর্মকর্তার বিতর্কিত মন্তব্য

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে অনিয়ম হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার: গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা

  • লুৎফর সিকদার
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:১৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৭১ পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ গতকাল মঙ্গলবার ১৫ টাকা কেজি দরে ত্রিশ কেজি চাউল বিক্রির কথা থাকলেও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতি ইউনিয়নের নিয়োগপ্রাপ্ত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নাসরিন বেগম ও জাহিদুল ইসলামকে তা করতে দেখা যায়নি।
সরেজমিন গিয়ে ওই দুই ডিলারকে পাওয়া যায়নি। তাদের দোকান বন্ধ দেখা গেছে। দোকানে কোনো সাইনবোর্ড দেখা যায় নাই।
খোঁজ নিয়ে ডিলার নাসরিনের বাড়ী গিয়ে তাকে চাউল বিক্রি না করার কারন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,আমি নামে মাত্র ডিলার। আসলে আমার স্বামী পালু মোল্লা ডিলারশীপ পরিচালনা করেন।  তিনি এখন জমিতে রয়েছেন। তাছাড়া আমরা এখনও ডিও করতে পারিনি। মাসের প্রথম ভাগ শেষ হলেও কার্ডধারীরা চাউল ক্রয় করতে পারছেনা। এতে অনেকেই চাউল না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আমাদের বরাদ্দ না দিলে আমরা কি করতে পারি। এদিকে অপর ডিলার জাহিদুল ইসলামকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী অনেকেই বলেছেন ডিলার জাহিদুল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।
এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খাদ্য অধিদপ্তর বরাদ্দ না দিলে আমারতো করার কিছু নাই। কর্মসুচির আওতায় ডিলারদের মাধ্যমে যে চাউল বিক্রি করা হয় তা পুষ্টি মিশ্রিত। যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে পুষ্টি মিশ্রিত করে ডিলারদের সরবরাহ করার ব্যাপারে তারাও প্রয়োজনমাফিক পুষ্টি মিশ্রিত চাউল সরবরাহ করতে অপারগ। এমতাবস্থায় অনিয়ম হওয়াটাই স্বাভাবিক।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে অনিয়ম স্বাভাবিক: গোপালগঞ্জ খাদ্য কর্মকর্তার বিতর্কিত মন্তব্য

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে অনিয়ম হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার: গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:১৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ গতকাল মঙ্গলবার ১৫ টাকা কেজি দরে ত্রিশ কেজি চাউল বিক্রির কথা থাকলেও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতি ইউনিয়নের নিয়োগপ্রাপ্ত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নাসরিন বেগম ও জাহিদুল ইসলামকে তা করতে দেখা যায়নি।
সরেজমিন গিয়ে ওই দুই ডিলারকে পাওয়া যায়নি। তাদের দোকান বন্ধ দেখা গেছে। দোকানে কোনো সাইনবোর্ড দেখা যায় নাই।
খোঁজ নিয়ে ডিলার নাসরিনের বাড়ী গিয়ে তাকে চাউল বিক্রি না করার কারন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,আমি নামে মাত্র ডিলার। আসলে আমার স্বামী পালু মোল্লা ডিলারশীপ পরিচালনা করেন।  তিনি এখন জমিতে রয়েছেন। তাছাড়া আমরা এখনও ডিও করতে পারিনি। মাসের প্রথম ভাগ শেষ হলেও কার্ডধারীরা চাউল ক্রয় করতে পারছেনা। এতে অনেকেই চাউল না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আমাদের বরাদ্দ না দিলে আমরা কি করতে পারি। এদিকে অপর ডিলার জাহিদুল ইসলামকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী অনেকেই বলেছেন ডিলার জাহিদুল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।
এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খাদ্য অধিদপ্তর বরাদ্দ না দিলে আমারতো করার কিছু নাই। কর্মসুচির আওতায় ডিলারদের মাধ্যমে যে চাউল বিক্রি করা হয় তা পুষ্টি মিশ্রিত। যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে পুষ্টি মিশ্রিত করে ডিলারদের সরবরাহ করার ব্যাপারে তারাও প্রয়োজনমাফিক পুষ্টি মিশ্রিত চাউল সরবরাহ করতে অপারগ। এমতাবস্থায় অনিয়ম হওয়াটাই স্বাভাবিক।