এখন ০২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আওয়ামী লীগের ব্লকেড কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, নগরজুড়ে চেকপোস্ট ও টহল বৃদ্ধি

১৩ নভেম্বর ঘিরে রাজধানীতে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

ডেক্স রিপোর্টঃ রাজধানী ঢাকায় আগামী ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগের ঘোষিত ব্লকেড কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকেই নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ঘোষণায় ১৩ নভেম্বর রাজধানী ও সারাদেশে ব্যাপক ব্লকেড কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজীবনে বিশৃঙ্খলা বা সংঘর্ষের আশঙ্কায় পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার বিকেল থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ, সরকারি অফিস, কূটনৈতিক এলাকা, দলীয় কার্যালয় এবং প্রধান সড়কগুলোতে বাড়ানো হয়েছে চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম। ডিএমপির আটটি জোনে একযোগে সিকিউরিটি ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়, যাতে অংশ নেয় বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, ট্রাফিক পুলিশ, র‍্যাব এবং গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা।

ডিএমপি কমিশনার বলেন,

“১৩ নভেম্বরের ব্লকেড কর্মসূচি ঘিরে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। জনগণের জানমাল রক্ষায় প্রয়োজন হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অনলাইনে ভুয়া প্রচারণা বা গুজব ছড়ালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীতে বিশেষ নজরদারি টিম কাজ করছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়, পরিবহন টার্মিনাল ও বাজার এলাকায় র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে।

রাজধানীর কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে যানবাহন তল্লাশি ও পরিচয় যাচাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, ১৩ নভেম্বরের ব্লকেড কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও বিজিবিকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—

অপ্রয়োজনে বাইরে না বেরোনো,

বড় সমাবেশ বা মিছিলের আশপাশ এড়িয়ে চলা,

এবং যেকোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করা।

ডিএমপি নিশ্চিত করেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীজুড়ে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আওয়ামী লীগের ব্লকেড কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, নগরজুড়ে চেকপোস্ট ও টহল বৃদ্ধি

১৩ নভেম্বর ঘিরে রাজধানীতে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

ডেক্স রিপোর্টঃ রাজধানী ঢাকায় আগামী ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগের ঘোষিত ব্লকেড কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকেই নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ঘোষণায় ১৩ নভেম্বর রাজধানী ও সারাদেশে ব্যাপক ব্লকেড কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজীবনে বিশৃঙ্খলা বা সংঘর্ষের আশঙ্কায় পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার বিকেল থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ, সরকারি অফিস, কূটনৈতিক এলাকা, দলীয় কার্যালয় এবং প্রধান সড়কগুলোতে বাড়ানো হয়েছে চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম। ডিএমপির আটটি জোনে একযোগে সিকিউরিটি ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়, যাতে অংশ নেয় বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, ট্রাফিক পুলিশ, র‍্যাব এবং গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা।

ডিএমপি কমিশনার বলেন,

“১৩ নভেম্বরের ব্লকেড কর্মসূচি ঘিরে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। জনগণের জানমাল রক্ষায় প্রয়োজন হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অনলাইনে ভুয়া প্রচারণা বা গুজব ছড়ালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীতে বিশেষ নজরদারি টিম কাজ করছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়, পরিবহন টার্মিনাল ও বাজার এলাকায় র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে।

রাজধানীর কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে যানবাহন তল্লাশি ও পরিচয় যাচাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, ১৩ নভেম্বরের ব্লকেড কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও বিজিবিকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—

অপ্রয়োজনে বাইরে না বেরোনো,

বড় সমাবেশ বা মিছিলের আশপাশ এড়িয়ে চলা,

এবং যেকোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করা।

ডিএমপি নিশ্চিত করেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীজুড়ে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।