এখন ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে গ্রামের শিক্ষা উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ ছিলেন মরহুম ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান

অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান: শিক্ষা বিস্তারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত

নিউজ প্রতিবেদনঃ চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার অলিপুর গ্রামের মানুষ আজও স্মরণ করেন এক মহৎ আত্মাকে — মরহুম ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান। তিনি ছিলেন অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং এলাকার শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রদূত। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও আত্মত্যাগের ফলেই আজ এই বিদ্যালয়টি এলাকায় শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান জীবনের সর্বোচ্চ সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন বিদ্যালয়টির উন্নয়নে। তিনি নিজ পরিবারের আর্থিক সুবিধার দিকে লক্ষ্য না রেখে বিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে ছিলেন সর্বদা অগ্রগামী। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, পাঠদানের মানোন্নয়ন এবং শিক্ষক নিয়োগ— সব ক্ষেত্রেই তাঁর নিবিড় তদারকি ছিল।

বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার আগে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নিজ অর্থ ব্যয় করে শিক্ষকদের বেতন ও ভাতা প্রদান করতেন। শিক্ষার প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধই বিদ্যালয়টিকে টিকিয়ে রেখেছিল কঠিন সময়েও।

স্থানীয়দের মতে, ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান কেবল একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা নন, ছিলেন একজন মানবিক সমাজসেবকও। এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান আজও মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয় বর্তমানে এলাকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। বিদ্যালয়ের সাফল্যের পেছনে যে আত্মত্যাগ ও দূরদৃষ্টি রয়েছে, তার মূলেই ছিলেন ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান। তাঁর প্রয়াণে এলাকার মানুষ হারিয়েছেন এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষানুরাগী, যিনি শিক্ষা বিস্তারে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, “ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান স্যার আমাদের জন্য শুধু একজন প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না, ছিলেন একজন অভিভাবক। তাঁর অবদান প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে গ্রামের শিক্ষা উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ ছিলেন মরহুম ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান

অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান: শিক্ষা বিস্তারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

নিউজ প্রতিবেদনঃ চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার অলিপুর গ্রামের মানুষ আজও স্মরণ করেন এক মহৎ আত্মাকে — মরহুম ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান। তিনি ছিলেন অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং এলাকার শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রদূত। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও আত্মত্যাগের ফলেই আজ এই বিদ্যালয়টি এলাকায় শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান জীবনের সর্বোচ্চ সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন বিদ্যালয়টির উন্নয়নে। তিনি নিজ পরিবারের আর্থিক সুবিধার দিকে লক্ষ্য না রেখে বিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে ছিলেন সর্বদা অগ্রগামী। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, পাঠদানের মানোন্নয়ন এবং শিক্ষক নিয়োগ— সব ক্ষেত্রেই তাঁর নিবিড় তদারকি ছিল।

বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার আগে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নিজ অর্থ ব্যয় করে শিক্ষকদের বেতন ও ভাতা প্রদান করতেন। শিক্ষার প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধই বিদ্যালয়টিকে টিকিয়ে রেখেছিল কঠিন সময়েও।

স্থানীয়দের মতে, ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান কেবল একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা নন, ছিলেন একজন মানবিক সমাজসেবকও। এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান আজও মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয় বর্তমানে এলাকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। বিদ্যালয়ের সাফল্যের পেছনে যে আত্মত্যাগ ও দূরদৃষ্টি রয়েছে, তার মূলেই ছিলেন ইঞ্জিঃ আতাউর রহমান। তাঁর প্রয়াণে এলাকার মানুষ হারিয়েছেন এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষানুরাগী, যিনি শিক্ষা বিস্তারে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, “ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান স্যার আমাদের জন্য শুধু একজন প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না, ছিলেন একজন অভিভাবক। তাঁর অবদান প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে।”