এখন ০৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগ কর্মীকে পায়ের নিচে ফেলে ঘোরানো হল শহর

বিশেষ সংবাদদাতাঃ নাটোরে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের এক কর্মীকে অটোরিকশায় তুলে পায়ের নিচে ফেলে শহর ঘোরানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কানাইখালী এলাকার এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ কর্মীর নাম ফয়সাল হোসেন কদর (২৫)। তার বাড়ি শহরের কানাইখালী মহল্লায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা ছাত্রলীগের কর্মী ফয়সাল হোসেন কদরকে অটোরিকশায়ে তুলে পিঠে ও কোমড়ে পা দিয়ে চেপে ধরে শহর ঘোরানো হচ্ছে।

কদর বলেন, “আমি ফায়ার সার্ভিসের মোড় থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। পেছন থেকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে নাটোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নাঈম ও সাধারণ সম্পাদক রিমন।

“তারা সবাই নবাব সিরাজ-উদ-দ্দৌলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জুবায়েরের সঙ্গে রাজনীতি করে।”

তিনি বলেন, “ আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আমাকে অটোরিকশায় তুলে বারবার মারছিল। আমাকে তারা পায়ের নিচে ফেলে পুরা শহর ঘুরায়।

“আমি বারবার বলছিলাম আমার অপরাধ কী? তারা বলছিল, তুই ছাত্রলীগ করিস এটাই তোর অপরাধ। পরে লিখিত মুচলেকা নিয়ে আমার বাবা-মার কাছে তুলে দেয় তারা।”

ঘটনার পর থেকে ছাত্রদল নেতা নাঈম ও রিমনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাদের ফোন বন্ধ থাকয় দুইজনের কারো সাথেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

নবাব সিরাজ-উদ-দ্দৌলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি এসএম জুবায়ের বলেন, “ছাত্রদলের কিছু কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী তাকে মারধর করছিল। আমি তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে তুলে দেই। বিষয়টি মোটেও ভালো হয়নি।”

নাটোর সদর থানার ওসি মাহবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে এখনও আমি জানি না। কেউ অভিযোগও দেননি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ছাত্রলীগ কর্মীকে পায়ের নিচে ফেলে ঘোরানো হল শহর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:২৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

বিশেষ সংবাদদাতাঃ নাটোরে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের এক কর্মীকে অটোরিকশায় তুলে পায়ের নিচে ফেলে শহর ঘোরানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কানাইখালী এলাকার এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ কর্মীর নাম ফয়সাল হোসেন কদর (২৫)। তার বাড়ি শহরের কানাইখালী মহল্লায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা ছাত্রলীগের কর্মী ফয়সাল হোসেন কদরকে অটোরিকশায়ে তুলে পিঠে ও কোমড়ে পা দিয়ে চেপে ধরে শহর ঘোরানো হচ্ছে।

কদর বলেন, “আমি ফায়ার সার্ভিসের মোড় থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। পেছন থেকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে নাটোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নাঈম ও সাধারণ সম্পাদক রিমন।

“তারা সবাই নবাব সিরাজ-উদ-দ্দৌলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জুবায়েরের সঙ্গে রাজনীতি করে।”

তিনি বলেন, “ আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আমাকে অটোরিকশায় তুলে বারবার মারছিল। আমাকে তারা পায়ের নিচে ফেলে পুরা শহর ঘুরায়।

“আমি বারবার বলছিলাম আমার অপরাধ কী? তারা বলছিল, তুই ছাত্রলীগ করিস এটাই তোর অপরাধ। পরে লিখিত মুচলেকা নিয়ে আমার বাবা-মার কাছে তুলে দেয় তারা।”

ঘটনার পর থেকে ছাত্রদল নেতা নাঈম ও রিমনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাদের ফোন বন্ধ থাকয় দুইজনের কারো সাথেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

নবাব সিরাজ-উদ-দ্দৌলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি এসএম জুবায়ের বলেন, “ছাত্রদলের কিছু কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী তাকে মারধর করছিল। আমি তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে তুলে দেই। বিষয়টি মোটেও ভালো হয়নি।”

নাটোর সদর থানার ওসি মাহবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে এখনও আমি জানি না। কেউ অভিযোগও দেননি।”