এখন ০৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দিতে যাওয়া সেই মিরাজ পেল জিপিএ-৫

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়  বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিতে যাওয়া মাহিদুল হোসেন খান মিরাজ এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়েছে। সোমবার এস.এস.সির ফল প্রকাশের পর দুপুরে এ তথ্য জানা যায়। মিরাজ আখাউড়া উপজেলার গ্রিন ভ্যালি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক প্রয়াত মোতাহার হোসেন খানের ছেলে। তাদের বাড়ি

আখাউড়া পৌর এলাকার দেবগ্রামে।
মিরাজের মামা আরিফুল ইসলাম জানান, মিরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাউতলীর মামার বাড়িতে থেকে  অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো।
গত ২১ সেপ্টেম্বর তার বাবা মোতাহার হোসেন খান মারা যান। এ সময় মিরাজের এসএসসি পরীক্ষা চলছিল। বাবার লাশ বাড়িতে রেখেই ২২ সেপ্টেম্বর এসএসসির গণিত পরীক্ষা দেয় মিরাজ। পরীক্ষা দিয়ে আসার পর তার বাবার লাশের জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
মিরাজের মা তাসলিমা বেগম পরীক্ষায় ছেলের এই ফলাফলে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি ছেলের ফলাফলে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন, ‘তার বাবার লাশ রেখে সে পরীক্ষা দিয়েও ভাল ফলাফল করেছে। আজ তার বাবা বেচে থাকলে অনেক আনন্দিত হতেন।’

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দিতে যাওয়া সেই মিরাজ পেল জিপিএ-৫

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়  বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিতে যাওয়া মাহিদুল হোসেন খান মিরাজ এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়েছে। সোমবার এস.এস.সির ফল প্রকাশের পর দুপুরে এ তথ্য জানা যায়। মিরাজ আখাউড়া উপজেলার গ্রিন ভ্যালি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক প্রয়াত মোতাহার হোসেন খানের ছেলে। তাদের বাড়ি

আখাউড়া পৌর এলাকার দেবগ্রামে।
মিরাজের মামা আরিফুল ইসলাম জানান, মিরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাউতলীর মামার বাড়িতে থেকে  অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো।
গত ২১ সেপ্টেম্বর তার বাবা মোতাহার হোসেন খান মারা যান। এ সময় মিরাজের এসএসসি পরীক্ষা চলছিল। বাবার লাশ বাড়িতে রেখেই ২২ সেপ্টেম্বর এসএসসির গণিত পরীক্ষা দেয় মিরাজ। পরীক্ষা দিয়ে আসার পর তার বাবার লাশের জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
মিরাজের মা তাসলিমা বেগম পরীক্ষায় ছেলের এই ফলাফলে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি ছেলের ফলাফলে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন, ‘তার বাবার লাশ রেখে সে পরীক্ষা দিয়েও ভাল ফলাফল করেছে। আজ তার বাবা বেচে থাকলে অনেক আনন্দিত হতেন।’