এখন ০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপির পিএস’র হামলায় মহিলা নেত্রী হাসপাতালে

রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ- রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ এবং জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আয়েন উদ্দীনের দখলদারি ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ায় মোহনপুর উপজেলা কৃষক লীগের মহিলা সম্পাদক শেখ হাবিবাকে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এবিষয়ে তারা দলের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, গত ২৩ নভেম্বর বুধবার দুপুরে মোহনপুর উপজেলা চত্বরে এমপি আয়েন উদ্দীনের (সাবেক) পিএস একরামুল হক বিজয়ের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে
তাকে বেধড়ক পেটানো হয়েছে।
এর প্রতিবাদে ভুক্তভোগী এই নেত্রী সেখানেই অনশনে বসেন। এরপর তাকে আবারো পেটাতে পেটাতে মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে একই ঘটনার জেরে হাবিবাকে দুই দফা পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগও রয়েছে এমপি আয়েনের বিরুদ্ধে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এবিষয়ে হাবিবা জানান, ‘তিনি দুপুরে উপজেলা চত্বরে এলে বিনা কারণে এমপি আয়েন উদ্দীন ও তার দুলাভাই উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের উপস্থিতিতে এনামুল হক বিজয় তাকে পেটাতে থাকেন। পিটিয়ে তাকে রেখে চলে গেলে হাবিবা প্রতিবাদ জানিয়ে সেখানেই অনশনে বসে পড়েন। পরে বিকেলে আবারো বিজয়ের নেতৃত্বে কয়েকজন এসে টেনে-হিঁচড়ে ও পেটাতে পেটাতে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখা হয়।’ আহত ওই নেত্রীকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে এমপি আয়েন উদ্দীনের সাবেক পিএস ও চাচাতো ভাই এনামুল হক বিজয় বলেন, ‘হাবিবাকে আমি কি মাইরবো,সে আমাকেই কামড় দিয়ে খামছে আহত করেছে।’ একথা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।’এবিষয়ে মোহনপুর থানার অফিসার ইন্চার্জ (ওসি) সেলিম বাদশা বলেন, ‘আমি আইজিপি স্যারের অনুষ্ঠানে শহরে আছি। এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’এবিষয়ে
এমপি আয়েন উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নাই। কারা হাবিবাকে মেরেছে বলতে পারবো না।’

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

এমপির পিএস’র হামলায় মহিলা নেত্রী হাসপাতালে

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২

রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ- রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ এবং জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আয়েন উদ্দীনের দখলদারি ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ায় মোহনপুর উপজেলা কৃষক লীগের মহিলা সম্পাদক শেখ হাবিবাকে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এবিষয়ে তারা দলের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, গত ২৩ নভেম্বর বুধবার দুপুরে মোহনপুর উপজেলা চত্বরে এমপি আয়েন উদ্দীনের (সাবেক) পিএস একরামুল হক বিজয়ের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে
তাকে বেধড়ক পেটানো হয়েছে।
এর প্রতিবাদে ভুক্তভোগী এই নেত্রী সেখানেই অনশনে বসেন। এরপর তাকে আবারো পেটাতে পেটাতে মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে একই ঘটনার জেরে হাবিবাকে দুই দফা পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগও রয়েছে এমপি আয়েনের বিরুদ্ধে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এবিষয়ে হাবিবা জানান, ‘তিনি দুপুরে উপজেলা চত্বরে এলে বিনা কারণে এমপি আয়েন উদ্দীন ও তার দুলাভাই উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের উপস্থিতিতে এনামুল হক বিজয় তাকে পেটাতে থাকেন। পিটিয়ে তাকে রেখে চলে গেলে হাবিবা প্রতিবাদ জানিয়ে সেখানেই অনশনে বসে পড়েন। পরে বিকেলে আবারো বিজয়ের নেতৃত্বে কয়েকজন এসে টেনে-হিঁচড়ে ও পেটাতে পেটাতে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখা হয়।’ আহত ওই নেত্রীকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে এমপি আয়েন উদ্দীনের সাবেক পিএস ও চাচাতো ভাই এনামুল হক বিজয় বলেন, ‘হাবিবাকে আমি কি মাইরবো,সে আমাকেই কামড় দিয়ে খামছে আহত করেছে।’ একথা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।’এবিষয়ে মোহনপুর থানার অফিসার ইন্চার্জ (ওসি) সেলিম বাদশা বলেন, ‘আমি আইজিপি স্যারের অনুষ্ঠানে শহরে আছি। এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’এবিষয়ে
এমপি আয়েন উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নাই। কারা হাবিবাকে মেরেছে বলতে পারবো না।’