এখন ০৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়,দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও তদন্ত কমিটি প্রধান মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন-এর তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে জনমনে এসব ক্ষোভ-অসন্তোষের সুত্রপাত হয়েছে। প্রসঙ্গত, সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কলেজ অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি বলে গত ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির প্রধান। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের মধ্য চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছে, যাকে নিয়ে ঘটনা সেই রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম রেজা নিজেই সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন সাংসদের সঙ্গে তার এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। যেখানে ভিকটিম নিজেই বলেছেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাকে ভিকটিম বানিয়ে সাংসদকে বিতর্কিত করতে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছে। সেখানে তদন্ত কমিটির এমন স্ববিরোধী প্রতিবেদন নিয়ে জনমনে এসব ক্ষোভ-অসন্তোষ ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই রাতে রাজশাহী মহানগরীর নিউমার্কেট এলাকায় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর মালিকানাধীন থিম ওমর প্লাজার চেম্বারে অধ্যক্ষ সেলিম রেজাকে সাতজন শিক্ষকের সামনেই হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। সংসদ সদস্য নিজেই তাকে মারধর করেন। পরে অধ্যক্ষ স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন বলে গায়েবী খবর প্রচার করা হয়।
অপরদিকে গত ২৩ জুলাই শনিবার তানোরে তানোর উপজেলা শিক্ষক সমিতি ও গোদাগাড়ীতে গোদাগাড়ী উপজেলা শিক্ষক সমিতি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করে এমপির বিরুদ্ধে মানহানিকর, মিথ্যা-বানোয়াট খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এতেই প্রমাণ হয় ঘটনা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও মিথ্যা। কারণ বিতর্কের খাতিরে যদি ধরেই নেয় রাজাবাড়ী কলেজ অধ্যক্ষ মিথ্যা বলছে, তবে তার জন্য তার কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী মিথ্যা বলতে পারেন, কখানোই পুরো এলাকার শিক্ষক সমাজ মিথ্যা বলবে না। যেখানে পুরো এলাকার শিক্ষক সমাজ এমপির বিরুদ্ধে উঙ্খাপিত অভিযোগ মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন, সেখানে অন্যদের কোনো বক্তব্য বিবেচনায় আশার কথা না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জৈষ্ঠ শিক্ষক বলেন, কোনো এমপি যদি কোনো শিক্ষককে পেটাতে চাই তাহলে তাদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিতে হবে কেনো, তাদের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট। এছাড়া এমপিগণ নির্বাচনী এলাকার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী তারা ইচ্ছে করলে যেকোনো শিক্ষককে চাকরিচ্যুৎ করতে পারেন। তাহলে পেটাতে যাবেন কেনো, এটা ঝাঁকি বা মণিপুরি চটাপ্রিয় ব্যতিত কোনো শুভবুদ্ধির মানুষ এমন টা ভাবতে পারে না। এবিষয়ে রাজাবাড়ি ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ সেলিম রেজা বলেন, মাননীয় এমপি মহোদয় আমাদের অভিভাবক তিনি আমাকে পেটাবেন কেনো। তিনি বলেন, এমপি মহোদয়ের সঙ্গে আমাদের সু-সম্পর্ক রয়েছে, তিনি বলেন, যেখানে আমি নিজে বলছি আমার কোনো সমস্যা নাই, সেখানে আমাকে নিয়ে অন্যকারো বক্তব্য তো বিবেচনা করায় অনৈতিক।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়,দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও তদন্ত কমিটি প্রধান মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন-এর তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে জনমনে এসব ক্ষোভ-অসন্তোষের সুত্রপাত হয়েছে। প্রসঙ্গত, সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কলেজ অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি বলে গত ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির প্রধান। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের মধ্য চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছে, যাকে নিয়ে ঘটনা সেই রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম রেজা নিজেই সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন সাংসদের সঙ্গে তার এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। যেখানে ভিকটিম নিজেই বলেছেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাকে ভিকটিম বানিয়ে সাংসদকে বিতর্কিত করতে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছে। সেখানে তদন্ত কমিটির এমন স্ববিরোধী প্রতিবেদন নিয়ে জনমনে এসব ক্ষোভ-অসন্তোষ ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই রাতে রাজশাহী মহানগরীর নিউমার্কেট এলাকায় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর মালিকানাধীন থিম ওমর প্লাজার চেম্বারে অধ্যক্ষ সেলিম রেজাকে সাতজন শিক্ষকের সামনেই হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। সংসদ সদস্য নিজেই তাকে মারধর করেন। পরে অধ্যক্ষ স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন বলে গায়েবী খবর প্রচার করা হয়।
অপরদিকে গত ২৩ জুলাই শনিবার তানোরে তানোর উপজেলা শিক্ষক সমিতি ও গোদাগাড়ীতে গোদাগাড়ী উপজেলা শিক্ষক সমিতি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করে এমপির বিরুদ্ধে মানহানিকর, মিথ্যা-বানোয়াট খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এতেই প্রমাণ হয় ঘটনা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও মিথ্যা। কারণ বিতর্কের খাতিরে যদি ধরেই নেয় রাজাবাড়ী কলেজ অধ্যক্ষ মিথ্যা বলছে, তবে তার জন্য তার কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী মিথ্যা বলতে পারেন, কখানোই পুরো এলাকার শিক্ষক সমাজ মিথ্যা বলবে না। যেখানে পুরো এলাকার শিক্ষক সমাজ এমপির বিরুদ্ধে উঙ্খাপিত অভিযোগ মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন, সেখানে অন্যদের কোনো বক্তব্য বিবেচনায় আশার কথা না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জৈষ্ঠ শিক্ষক বলেন, কোনো এমপি যদি কোনো শিক্ষককে পেটাতে চাই তাহলে তাদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিতে হবে কেনো, তাদের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট। এছাড়া এমপিগণ নির্বাচনী এলাকার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী তারা ইচ্ছে করলে যেকোনো শিক্ষককে চাকরিচ্যুৎ করতে পারেন। তাহলে পেটাতে যাবেন কেনো, এটা ঝাঁকি বা মণিপুরি চটাপ্রিয় ব্যতিত কোনো শুভবুদ্ধির মানুষ এমন টা ভাবতে পারে না। এবিষয়ে রাজাবাড়ি ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ সেলিম রেজা বলেন, মাননীয় এমপি মহোদয় আমাদের অভিভাবক তিনি আমাকে পেটাবেন কেনো। তিনি বলেন, এমপি মহোদয়ের সঙ্গে আমাদের সু-সম্পর্ক রয়েছে, তিনি বলেন, যেখানে আমি নিজে বলছি আমার কোনো সমস্যা নাই, সেখানে আমাকে নিয়ে অন্যকারো বক্তব্য তো বিবেচনা করায় অনৈতিক।