আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরের রাজনৈতিক অঙ্গনে আদর্শিক নেতৃত্ব গড়ার কারিগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর বির্তকিতদের ছুড়ে ফেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের পরিচ্ছন্ন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নতুন নেতৃত্বকে নিয়ে দলকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার কাজ শুরু হয়েছে। অথচ ঠিক তখনই একটি মহল সাংসদের সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যানের সম্পর্কের চরম অবনতির খবর প্রচার করছে, যা হাস্যকর ও কাল্পনিক। স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রায় ৫০ বছরের সম্পর্ক বিদ্যমান। সাংসদের হাতে গড়া নেতৃত্ব ময়না, তার পারিবারিক, বাণিজ্যিক, রাজনীতিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ময়না জড়িয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে আর্দশিক পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব ময়না। উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দু’একটি কাজ নিয়ে সাংসদের সঙ্গে তার মতপার্থক্যে দেখা দিতেই পারে, তবে মতপার্থক্যে আর সম্পর্কের অবনতি কি এক বিষয় ? অনুসন্ধান বলছে, আসলে এমপি ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে তো নেগেটিভ কিছু লেখার বা বলার মতো আর কিছু নাই। তাই গায়েবী খোয়াব দেখে এবার ময়নাকে নিয়ে প্রোপাগান্ডা শুরু করা হয়েছে। আগামি সাধারণ সাধারণ নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্য এসব অপপ্রচার করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান ও আর্দশিক নেতৃত্ব ময়নার হাতেই যে নেতৃত্ব নিরাপদ তিনি তার কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে বার বার প্রমাণ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সামনে যখনি কোনো অশুভ লক্ষন বা সঙ্কেত তখনি ত্রাণ কর্তা হয়ে ময়নার আবির্ভাব। বিগত দিনে দলের সভাপতি ও সম্পাদক প্রকাশ্যে এমপির বিরোধীতা করে নেতাকর্মীদের পথভ্রুষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন। এ সময় ময়না মাঠে নেমে এমপির দিকনির্দেশনায় একক প্রচেষ্টায় সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ করে এমপির পক্ষে নিয়ে এসেছিলেন। এতে সভাপতি-সম্পাদকের সকল ষড়যন্ত্র-অপতৎপরতা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। রাজনীতিতে উঙ্খান-পতন, চাওযা-পাওয়া না পাওয়া এমনকি কোনো লোভ-লালসার স্রোতে তিনি কখানোই গা-ভাসিয়ে দেননি, বা নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে ব্যক্তিগত লাভের আশায় আদর্শচ্যুৎ হয়ে, মুলধারা ত্যাগ বা বিপরিতে অবস্থান করেননি, এখানো মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে যাচ্ছেন, এমপি ফারুক চৌধুরীকে নেতা মেনে রাজনীতি করে চলেছেন।
জানা গেছে, অবৈধ অর্থের মোহ-হাতছানিতে যখন দলের হেভিওয়েট দাবিদার দায়িত্বশীল নেতারা নীতিনৈতিকতা, আদর্শ বিসর্জন দিয়ে নেতা-নেতৃত্বের সঙ্গে বেইমানী করে এমপির বিরোধীতার নামে নৌকার বিপক্ষে কাজ করেছেন, তখনো ময়না আদর্শচ্যুৎ না হয়ে তার কর্মীবাহিনী নিয়ে একাই তাদের মোকাবেলা করেছেন। আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রিয় মূখ কর্মী-জনবান্ধব ও তরুণ নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এসব বিবেচনায় এই জনপদের মানুষ তাকে রাজনীতির গয়না উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেছে। গয়না (অলঙ্কার) যেমন মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে আবার বিপদের সময় সেই গয়নার (অলঙ্কার) বিনিময়ে বিপদ মুক্ত হয়। রাজনীতিতে তেমনি ময়না গয়নার ভূমিকা পালন করছে। আজকের বিলাসীতা আগামির ভবিষ্যৎ তেমনি রাজনীতিতে ময়নাকে রাজনীতির গয়না হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণের সঙ্গে সহাবস্থান ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করে ময়না রাজনীতির সোভা বৃদ্ধি করেছে, আবার তারা বিপদের মূখে পড়লে ময়না তাদের বিপদ মুক্ত করছে। এছাড়াও এই জনপদের কোনো মানুষ ময়নার কাছে কোনো বায়না করে পায়নি এমন এক জনকেও পাওয়া যাবে না বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। তৃণমুলের ভাষ্য, আদর্শিক, কর্মী-জনবান্ধব, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, তরুণ ও মেধাবী নেতৃত্ব হিসেবে ময়না সকলের কাছে এখানো সমান জনপ্রিয়। এসব বিবেচনায় স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে ময়নাকে মনে করা হয়। তিনি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ এবং সামনের সারিতে থেকে দিয়েছেন সফল নেতৃত্ব। দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ, জনবান্ধব, আদর্শিক, পরীক্ষিত ও লড়াকু সৈনিক হিসেবে ধীরে ধীরে গণমানুষের আস্থার প্রতিক ও নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন । তৃণমূল ময়নাকেই এমপি ফারুক চৌধূরীর পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করে তার ওপর আস্থা ও ভরসা রেখেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব অর্থ নয় মেধা আদর্শের কাছে রাখতে চান। তিনি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে যেতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । এসব সংগঠনের নেতাকর্মীরা এখনো তাকেই তাদের প্রতিনিধি মনে করেন ও তাদের যে কোন সমস্যায় তার কাছে ছুটে আসেন। সমস্যার সমাধান পাওয়া না পাওয়া বড় কথা নয়, কিন্তু ময়না মনোযোগ সহকারে তাদের কথা শোনেন। উপজেলা যুবলীগের একটাই ভিশন আগামী সাধারণ নির্বাচনে ফারুক চৌধুরীকে আবারো বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করা। কারণ এখানে এখানো এমপি ফারুক চৌধুরীর বিকল্প তেমন কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি। ফলে রাজনীতির মাঠে যে যতো কথা বলুক আর বগী আওয়াজ তুলুক, এমপি ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বের প্রতি তৃণমুলের সকল নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। ঐক্যবদ্ধ এসব নেতাকর্মীর একটাই প্রত্যাশা আগামি সাধারণ নির্বাচনে যেকোনো মুল্য তাদের প্রাণের নেতা ফারুক চৌধুরীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে এমপি নির্বাচিত করা। এবিষয়ে তানোর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম বলেন, ময়না ভাইয়ের রাজনৈতিক দুরদর্শীতা ও নেতৃত্বগুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না কারণ তিনি এমন একটি মানুষ তার তুলনা হয় না, এক কথায় বলতে গেলে এমপি মহোদয়ের দিকনির্দশনায় পুরো আওয়ামী লীগের রাজনীতি তিনি সচল রেখে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করেছেন এবং এখানো তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
















