আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, শহীদ পরিবারের সন্তান ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি তথ্য সন্ত্রাসের শিকার বলে মনে করছেন তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ। সম-সাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনিই একমাত্র নেতা যাকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সকল প্রটৌকল ভেঙ্গে একক ক্ষমতা বলে দলে যোগদান করিয়েছেন এবং পরবর্তীতে একটানা পাঁচবার দলীয মনোনয়ন দিয়েছেন, করেছেন প্রতিমন্ত্রী, জেলার সম্পাদক ও সভাপতি তিনি একটানা তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।একজন নেতা বা কর্মীর প্রতি কতটা আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসা থাকলেই কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি এবং বিশ্বমানের নেতা কাউকে এভাবে সম্মানিত করেন সেটার গভীরতা অনুধাবন করতে হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে এমপি ফারুক চৌধুরীর রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে ফারুক চৌধুরীর রাজনীতির শুরু। অথচ এমন একজন সম্মানিত মানুষের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত মদদপুষ্ট চেনা মুখের একই গোষ্ঠী বার বার মিথ্যাচার ও বানোয়াট খবর প্রকাশের মাধ্যমে রীতিমতো তথ্য সন্ত্রাস করছে বলে নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তার দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তানোর-গোদাগাড়ী থেকে প্রতিদিন যদি ৫ জন মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের সরাসরি উপকার করেছেন। সেই সুত্রে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে রয়েছে এবং জীবন বাজি রেখে কাজ করতে প্রস্তুত আছে। তাহলে তাকে যারা জনবিচ্ছিন্ন বলছে তারা কারা, আর এদের পরিচয় দেবার মতো কিছু আছে কি ? এমপি ফারুক চৌধুরী যখন চার চাকায় চড়তেন তখন এরা ভাঙাচোরা বাইসাইকেল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতেন। এমপি হিসেবে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কি একটিও ভাল কাজ করেননি ? না কি ? যা করেছেন সবই মন্দ ? তিনি চাকরি মেলা করে অনেক বেকারের চাকরি দিয়েছেন, বিনা টাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সহকারী জজ, পুলিশের এসআই, সদস্য ইত্যাদি, নিজের ব্যক্তিগত কয়েক কোটি টাকা মুল্যর সম্পত্তি কলেজের জন্য দান করেছেন, নিজের সম্মানি ভাতার টাকা দলের দরিদ্র নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষকে দিয়েছেন, রাজনৈতিক সহাবস্থান ও দালালমুক্ত প্রশাসন দিয়েছেন, রাজশাহী, তানোর, মান্দা, মোহনপুর, বাগমারা, নিয়ামতপুর ও নাচোল এলাকায় এখানো এমপি পরিবারের শত শত বিঘা ফসলী জমিতে সাধারণ মানুষ চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছে, এসব তো কখানো খবরে আসেনি কিন্ত্ত কেন ? খবরে এসেছে কি এমপি রাজাকারপুত্র, আওয়ামী লীগের চেতনাবিরোধী, দুর্নীতিবাজ ইত্যাদি যেগুলো এমপির সঙ্গে মানায় না। অথচ উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ভাবে এমপির সাফল্যর কথা গোপন করে তার বিরুদ্ধে অসত্য মানহানিকর খবর প্রচার করা হচ্ছে কার স্বার্থে এমপি ফারুকের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক কাজের মধ্যে দু একটি নিয়ে বিতর্ক আলোচনা বা সমালোচনা থাকতেই পারে। কিন্ত্ত জামায়াত-বিএনপির দুর্গ রাজশাহী। এখানে আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা বা জামায়াত-বিএনপির আঁতুড়ঘর ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের বসতঘর করতে এমপি ফারুকের যে অবদান রয়েছে তা অস্বীকার বা এনিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নাই। অথচ এই মানুষটি বার বার মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন, যেটা সাংবাদিকতার অভিধানে পড়ে না, এটা রীতিমতো মিডিয়া-ক্যু বা তথ্য সন্ত্রাস বলে সচেতন মহল মনে করছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, জামায়াত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় একশ্রেণির এসব সাংবাদিক নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে এমপিবিরোধী প্রচারণা শুরু করেছেন। তাদের টার্গেট ফারুক চৌধুরী, তারা মনে করেন যেকোনো মুল্য তাকে সরিয়ে দিতে পারলেই জামায়াত-বিএনপি ফের তাদের হারানো অবস্থান ফিরে পাবেন। তাদের দৃষ্টিতে প্রথম বাধা ফারুক চৌধুরী, তাই যেকোনো মুল্য আগামি সাধারণ নির্বাচনে ফারুক চৌধুরীর মনোনয়ন ঠেকাতে না পারলে জামায়াত-বিএনপি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। এসব বিবেচনায় রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখানো এমপি ফারুক চৌধুরীর বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
















