এখন ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোর আওয়ামী লীগে প্রাণচাঞ্চল্য

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর পর আগামী ১৫ জুলাই শনিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হতে চলেছে। এদিকে সম্মেলনের ঘোষণায় আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে ফিরে এসেছে।
ফের প্রাণচাঞ্চল্য, দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ। তবে এবার সম্মেলনে উপজেলা সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুনের কপাল পুড়ছে এটা প্রায় নিশ্চিত। অন্যদিকে সভাপতি পদে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং সম্পাদক পদে তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক
প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। এছাড়াও সম্পাদক পদে চাঁন্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ও সমাজসেবক
আবুল বাসার সুজনের নাম আলোচনা হচ্ছে। ওদিকে জনবিচ্ছিন্ন এবং বির্তকিত এই দুই নেতাকে ছুড়ে ফেলে আদর্শিক ও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা এখন সময়ের দাবী। সম্মেলনে ইলেকশন বা সিলেকশন যেভাবেই কমিটি ঘোষণা করা হোক তারা দুজন পদবঞ্চিত হবেন এটা প্রায় নিশ্চিত। আর পদবঞ্চিত হলে তারা কি আওয়ামী লীগে থাকবেন না অন্যদলে যোগদিবেন না রাজনীতি থেকে নির্বাসিত হবেন এটাই এখন দেখার বিষয়। আওয়ামী লীগ আমজনতার দল এই দল যেকোনো সময় যেকোনো কাউকে ছুড়ে ফেলতে পারে, সেই সক্ষমতা তাদের রয়েছে। এদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন বিভিন্ন নির্বাচনে যারা নৌকার বিরোধীতা করেছে, যারা তাদের মদদ দিয়েছে, তারা যতো বড় নেতাই হোক না কেনো, দলের সাংগঠনিক কোনো পদে তাদের রাখা হবে না, কমিটি গঠনেও তাদের কোনো ভুমিকা থাকবে না। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা যেটা বলেন সেটা করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেও যদি তারা দলের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদ পায় তাহলে সেটা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রধানমন্ত্রীকেই ছোট করা হয় বলে মনে করছে তৃণমুল। সভাপতি শেখ হাসিনার এমন ঘোষনায় রাব্বানী-মামুনকে নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে এসব আলোচনার সুত্রপাত হয়েছে।
জানা গেছে,বিগত ২০১৩ সালে স্থানীয় সাংসদের বদৌলতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গোলাম রাব্বানী সভাপতি ও আব্দুল্লাহ্ আল মামুন সম্পাদকের দায়িত্ব পান। এর পর তারা দুজন এমপির দুই বগলের নিচে অবস্থান নিয়ে নেতাকর্মীদের দুরে ঠেলে দিয়ে টাকার কুমির হয়ে দিবাস্বপ্ন দেখতে শুরু করে। আগামিতে রাব্বানী এমপি এবং মামুন উপজেলা চেয়ারম্যান হবেন এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়েন। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে মাঠে নামে রাব্বানী। কিন্ত্ত মনোনয়ন তো পরের কথা সর্বস্ব খুঁইয়ে লেজ গুটিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাব্বানী ও মামুন ইতিপুর্বে এমপির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নালিশ করে তা প্রমানে ব্যর্থ হয়। এর পর সাবেক ডাকমন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও জামায়াতের সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৬ ডিসেম্বর মুন্ডুমালা কলেজ চত্ত্বর শহীদ মিনারে জেলা বিএনপির সম্পাদক ও মুন্ডুমালা পৌর সভার মেয়র প্রয়াত শীষ মোহাম্মদের হাতে হাত রেখে শপথ করেন এমপি ফারুক চৌধুরীকে তানোরের মাটিতে আর রাজনীতি করতে দেয়া হবে না। প্রশ্ন হলো তাদের এই শপথ কার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর মনোনিত নেতৃত্বের (এমপি) বিরুদ্ধে অর্থাৎ প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই তায নয় কি ? এখানেই শেষ নয় জাতীয় সংসদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা, গোদাগাড়ী,কাঁকনহাট ও মুন্ডুমালা পৌরসভা, কলমা ইউপির উপনির্বাচন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এরা প্রকাশ্যে নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করেছেন। এমনকি ২০১৮ সাল থেকে এরা আওয়ামী লীগের দলীয় কোনো কর্মসুচিতে সম্পৃক্ত নাই। তাহলে যাদের বিরুদ্ধে এতো অভিযোগ তারা কি বিবেচনায় বা কোন মুখে ফের আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসতে চাই। তাদের ধারণা কি আওয়ামী লীগে নেতৃত্বের সঙ্কট আছে, যে তাদের হাতেই নেতৃত্ব রাখতে হবে ? যারা বিদ্রোহীদের পক্ষে কাজ করেছে মদদ দিয়েছে তারা তো দলের গঠনতন্ত্রের ৪৭ ধারা মোতাবেক অটো বহিস্কার, নেতৃত্ব তো পরের কথা সাংগঠনিক পদে তাদের প্রার্থী হবার কোনো যোগ্যতা নাই। সকল নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর বিপক্ষে প্রকাশ্যে তারা ভোট করেন। এদিকে নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, এবার উপজেলা সম্মেলনে কমিটি গঠনে সংশ্লিষ্ট এমপির মতামতকে প্রাধান্য
প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। কারণ সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ফলে এমপি যাকে বা যাদের নিয়ে ভোট করতে সাচ্ছন্নতাবোধ করবেন তাদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয়া হবে। তানোরের চান্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান বলেন, আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি রাব্বানী ও মামুনকে সেচ্ছায় পদ ছেড়ে দেওয়া উচিৎ, তাহলে তারা সম্মান পেলেও পেতে পারেন। তারা কিসের বলে আবার সভাপতি সম্পাদক হতে চান, আসলে লজ্জাবোধ যাদের নাই তারাই এসব করতে পারেন। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শরিফ খাঁন বলেন, পদে থাকার বা পদে আসার সকল যোগ্যতা হারিয়েছে রাব্বানী-মামুন। তিনি বলেন, নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে আবার পদে থাকবে বা আসবে এটা হতে পারে না। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগ করে আসছি। কোনদিন নৌকার বিরুদ্ধে যায়নি। এটা দিবালোকের মতো পরিস্কার। আগামীতে জাতীয় নির্বাচন। দল যদি মনে করে আমাকে দায়িত্ব দিলে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকবে, কিংবা এই দুই বেঈমান ব্যতিত
যাকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে তার নেতৃত্বে অতীতে যেভাবে কাজ করেছি ভবিষ্যতেও করে যাবো ইনশাল্লাহ্।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোর আওয়ামী লীগে প্রাণচাঞ্চল্য

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:১৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর পর আগামী ১৫ জুলাই শনিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত হতে চলেছে। এদিকে সম্মেলনের ঘোষণায় আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে ফিরে এসেছে।
ফের প্রাণচাঞ্চল্য, দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ। তবে এবার সম্মেলনে উপজেলা সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুনের কপাল পুড়ছে এটা প্রায় নিশ্চিত। অন্যদিকে সভাপতি পদে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং সম্পাদক পদে তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক
প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। এছাড়াও সম্পাদক পদে চাঁন্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ও সমাজসেবক
আবুল বাসার সুজনের নাম আলোচনা হচ্ছে। ওদিকে জনবিচ্ছিন্ন এবং বির্তকিত এই দুই নেতাকে ছুড়ে ফেলে আদর্শিক ও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা এখন সময়ের দাবী। সম্মেলনে ইলেকশন বা সিলেকশন যেভাবেই কমিটি ঘোষণা করা হোক তারা দুজন পদবঞ্চিত হবেন এটা প্রায় নিশ্চিত। আর পদবঞ্চিত হলে তারা কি আওয়ামী লীগে থাকবেন না অন্যদলে যোগদিবেন না রাজনীতি থেকে নির্বাসিত হবেন এটাই এখন দেখার বিষয়। আওয়ামী লীগ আমজনতার দল এই দল যেকোনো সময় যেকোনো কাউকে ছুড়ে ফেলতে পারে, সেই সক্ষমতা তাদের রয়েছে। এদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন বিভিন্ন নির্বাচনে যারা নৌকার বিরোধীতা করেছে, যারা তাদের মদদ দিয়েছে, তারা যতো বড় নেতাই হোক না কেনো, দলের সাংগঠনিক কোনো পদে তাদের রাখা হবে না, কমিটি গঠনেও তাদের কোনো ভুমিকা থাকবে না। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা যেটা বলেন সেটা করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেও যদি তারা দলের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদ পায় তাহলে সেটা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রধানমন্ত্রীকেই ছোট করা হয় বলে মনে করছে তৃণমুল। সভাপতি শেখ হাসিনার এমন ঘোষনায় রাব্বানী-মামুনকে নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে এসব আলোচনার সুত্রপাত হয়েছে।
জানা গেছে,বিগত ২০১৩ সালে স্থানীয় সাংসদের বদৌলতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গোলাম রাব্বানী সভাপতি ও আব্দুল্লাহ্ আল মামুন সম্পাদকের দায়িত্ব পান। এর পর তারা দুজন এমপির দুই বগলের নিচে অবস্থান নিয়ে নেতাকর্মীদের দুরে ঠেলে দিয়ে টাকার কুমির হয়ে দিবাস্বপ্ন দেখতে শুরু করে। আগামিতে রাব্বানী এমপি এবং মামুন উপজেলা চেয়ারম্যান হবেন এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়েন। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে মাঠে নামে রাব্বানী। কিন্ত্ত মনোনয়ন তো পরের কথা সর্বস্ব খুঁইয়ে লেজ গুটিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাব্বানী ও মামুন ইতিপুর্বে এমপির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নালিশ করে তা প্রমানে ব্যর্থ হয়। এর পর সাবেক ডাকমন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও জামায়াতের সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৬ ডিসেম্বর মুন্ডুমালা কলেজ চত্ত্বর শহীদ মিনারে জেলা বিএনপির সম্পাদক ও মুন্ডুমালা পৌর সভার মেয়র প্রয়াত শীষ মোহাম্মদের হাতে হাত রেখে শপথ করেন এমপি ফারুক চৌধুরীকে তানোরের মাটিতে আর রাজনীতি করতে দেয়া হবে না। প্রশ্ন হলো তাদের এই শপথ কার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর মনোনিত নেতৃত্বের (এমপি) বিরুদ্ধে অর্থাৎ প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই তায নয় কি ? এখানেই শেষ নয় জাতীয় সংসদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা, গোদাগাড়ী,কাঁকনহাট ও মুন্ডুমালা পৌরসভা, কলমা ইউপির উপনির্বাচন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এরা প্রকাশ্যে নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করেছেন। এমনকি ২০১৮ সাল থেকে এরা আওয়ামী লীগের দলীয় কোনো কর্মসুচিতে সম্পৃক্ত নাই। তাহলে যাদের বিরুদ্ধে এতো অভিযোগ তারা কি বিবেচনায় বা কোন মুখে ফের আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসতে চাই। তাদের ধারণা কি আওয়ামী লীগে নেতৃত্বের সঙ্কট আছে, যে তাদের হাতেই নেতৃত্ব রাখতে হবে ? যারা বিদ্রোহীদের পক্ষে কাজ করেছে মদদ দিয়েছে তারা তো দলের গঠনতন্ত্রের ৪৭ ধারা মোতাবেক অটো বহিস্কার, নেতৃত্ব তো পরের কথা সাংগঠনিক পদে তাদের প্রার্থী হবার কোনো যোগ্যতা নাই। সকল নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর বিপক্ষে প্রকাশ্যে তারা ভোট করেন। এদিকে নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, এবার উপজেলা সম্মেলনে কমিটি গঠনে সংশ্লিষ্ট এমপির মতামতকে প্রাধান্য
প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। কারণ সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ফলে এমপি যাকে বা যাদের নিয়ে ভোট করতে সাচ্ছন্নতাবোধ করবেন তাদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয়া হবে। তানোরের চান্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান বলেন, আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি রাব্বানী ও মামুনকে সেচ্ছায় পদ ছেড়ে দেওয়া উচিৎ, তাহলে তারা সম্মান পেলেও পেতে পারেন। তারা কিসের বলে আবার সভাপতি সম্পাদক হতে চান, আসলে লজ্জাবোধ যাদের নাই তারাই এসব করতে পারেন। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শরিফ খাঁন বলেন, পদে থাকার বা পদে আসার সকল যোগ্যতা হারিয়েছে রাব্বানী-মামুন। তিনি বলেন, নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে আবার পদে থাকবে বা আসবে এটা হতে পারে না। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগ করে আসছি। কোনদিন নৌকার বিরুদ্ধে যায়নি। এটা দিবালোকের মতো পরিস্কার। আগামীতে জাতীয় নির্বাচন। দল যদি মনে করে আমাকে দায়িত্ব দিলে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকবে, কিংবা এই দুই বেঈমান ব্যতিত
যাকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে তার নেতৃত্বে অতীতে যেভাবে কাজ করেছি ভবিষ্যতেও করে যাবো ইনশাল্লাহ্।