রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুরের বদরগঞ্জে যমুনেশ্বরী নদীর বালুউত্তোলণ থেমে নেই। প্রভাবশালীবালু খেকোদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করা হলেও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের তহশিলদার এই কাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকায় চলতি বর্ষা মৌসুমেও অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধ হচ্ছেনা। এলাকা বাসীর অভিযোগ, তহশিলদারের প্রত্যক্ষ মদদে বালু উত্তোলণ করা হচ্ছে মর্মেযথাযথ কর্তৃপক্ষ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। জানাযায়,উপজেলার উপরদিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনেশ্বরী নদী থেকে সারাবছর অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলণ করা হয়। প্রশাসনিক ভাবে বালু উত্তোলণের অনুমতি না থাকলেও প্রভাবশালী বালু খোরা সংশ্লিষ্ট এলাকার তহশিলদারকে ম্যানেজকওে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। গতকাল রবিবার উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট বন্দর এলাকায় সরেজমিনে গেলে চোখেপড়ে ওই এলাকার সোনাপাড়া গ্রামের বিপ্লবমিয়া, জামানমিয়া, আজারুল ইসলাম, চানমিয়া ও তেলিপাড়া গ্রামের আবুরেজা নামে কয়েক জন ব্যক্তি যমুনেশরী নদীর নাগেরহাট ব্রীজের পুর্ব পাশ্বে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলণ করছেন। এতে করে নদীর গোড়া রক্ষাবাঁধ ও কোটি টাকার ব্রীজটি হুমকীর মুখে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। তারা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বর্ষা মৌসুমেও অঘোষিত বালুমহল থেকে রাতদিন বালু উত্তোলন করে লাখলাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। আর এসব বালু বিক্রির লভ্যাংশ চলে যাচ্ছে কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা ও কুতুবপুর ইউনিয়নের তহশিলদারের পকেটেও। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় লোক জনের সাথে আলাপ কালে তারা আক্ষেপ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের তহশিলদার হেলাল উদ্দীন তার অফিসের পিয়নকে দিয়ে বালু উত্তোলণ কারীদের কাছ থেকে প্রতি সপ্তাহে মোটা আংকের টাকা নেওয়ার ফলে আমরা উপজেলা প্রশাসনের দপ্তওে একাধিক লিখিত অভিযোগ করেও কোনফল পাচ্ছিনা। এসময় যমুনেশ্বরী নদীর বালু উত্তোলন কারীদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, প্রশাসনের অনুমতিনা থাকলেও আমরা থানা পুলিশ ও তহশিলদারকে ম্যানেজ করেই যমুনেশরী নদী থেকে বালু উত্তোলণ করছি। মামলা হামলা আরযাই হোকনা কেন বালু উত্তোলণ আমাদের অব্যাহত থাকবে। অন্যদিকে এলাকা বাসী যমুনেশ্বরী নদীর বালু উত্তোলণ বন্ধের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এ বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়নের তহশিলদার হেলাল উদ্দিন বলেন, বালু উত্তোলণ কারীদের সাথে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। সম্প্রতিকালে যমুনেশ্বরী নদীর বালুউত্তোলণ কারীদে বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর চেয়ে আমার কিছু করার ক্ষমতা নেই। বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃমেহেদী হাসান বলেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রেহেনুমা তারান্নম কে নির্দেশ দিয়েছি নদীর বালু উত্তোলণ কারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য















