এখন ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে আতঙ্কে ১০টি গ্রামের মানুষ।

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুরের কাউনিয়ায় তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও গত কয়েকদিন ধরে অবিরাম বর্ষণে।
শনিবার (০৩ জুলাই) রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, সকাল ১১ টায় কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার শুন্য দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সন্ধ্যায় পানি আরো বাড়তে পারে। এদিকে সকাল থেকে নদীতে পানি বাড়ায় বন্যার আশঙ্কা করছেন উপজেলার বালাপাড়া ও টেপামধুপুর ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী ১০ গ্রামের হাজারো মানুষ।
তারা বলছেন সকাল থেকে যেভাবে নদীর পানি বাড়ছে তাতে বন্যার আশঙ্কায় আছেন। রাতের বেলায় বন্যার পানি বাড়িতে প্রবেশ করলে দুর্ভোগের শেষ থাকে না তাদের। বন্যা কবলিত এসব মানুষদের সরকারি রাস্তায় অথবা বাঁধের উপরে আশ্রয় নিতে হয় তাদের। এদিকে নদীতে পানি বাড়ার পাশাপাশি দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙ্গন। গত এক সপ্তাহে নদীর তীরবর্তী বেশকিছু বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী গ্রামের মানুষরা জানান তারা ত্রান চায় না, ভাঙ্গন রোধে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা তারিন জানিয়েছেন, বন্যা মোকাবেলায় আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

রংপুরে তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে আতঙ্কে ১০টি গ্রামের মানুষ।

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুরের কাউনিয়ায় তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও গত কয়েকদিন ধরে অবিরাম বর্ষণে।
শনিবার (০৩ জুলাই) রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, সকাল ১১ টায় কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার শুন্য দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সন্ধ্যায় পানি আরো বাড়তে পারে। এদিকে সকাল থেকে নদীতে পানি বাড়ায় বন্যার আশঙ্কা করছেন উপজেলার বালাপাড়া ও টেপামধুপুর ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী ১০ গ্রামের হাজারো মানুষ।
তারা বলছেন সকাল থেকে যেভাবে নদীর পানি বাড়ছে তাতে বন্যার আশঙ্কায় আছেন। রাতের বেলায় বন্যার পানি বাড়িতে প্রবেশ করলে দুর্ভোগের শেষ থাকে না তাদের। বন্যা কবলিত এসব মানুষদের সরকারি রাস্তায় অথবা বাঁধের উপরে আশ্রয় নিতে হয় তাদের। এদিকে নদীতে পানি বাড়ার পাশাপাশি দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙ্গন। গত এক সপ্তাহে নদীর তীরবর্তী বেশকিছু বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী গ্রামের মানুষরা জানান তারা ত্রান চায় না, ভাঙ্গন রোধে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা তারিন জানিয়েছেন, বন্যা মোকাবেলায় আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে।