তপন দাস, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি -ঃ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গত ১ জুন ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া খত বিখতো ও জখম করা জাহান অটোরাইস মিলের ম্যানেজার হাফিজুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামী রুবেল হোসেন (৩৫) কে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আসামি রুবেল হোসেন একই গ্রামের মোহাম্মদ তালেব আলীর ছেলে এবং তিনি একজন পেশায় কসমেটিকস দোকানদার।
আজ সোমবার বিকেলে নীলফামারীর পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে নীলফামারীর পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বিপিএম, পিপিএম, এসব তথ্য জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের আরো জানান যে হাফিজুর রহমান কে হত্যার জন্য রুবেল ৮০ হাজার টাকা দামের ছুরি ব্যবহার করেন ।
আর রুবেল হোসেন কে আটক করার পর রুবেল হোসেনের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহারিত ছুড়ি , দুটি মোবাইল, হাফিজুর রহমানের কাছে থাকা ২ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৯ টাকা , হত্যার সময় ব্যবহারিত রুবেল হোসেন এর স্যান্ডেল ও হাফিজুর রহমানের রক্ত মাখা শার্ট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার আরো জানান যে রুবেল হোসেন ও হাফিজুর রহমানের ছেলে সাদিকুল ইসলাম দুজনেই একই ব্যবসা করতেন , কিন্তু রুবেল হোসেন তার দোকান টিকে সাদিকুল ইসলামের কাছে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি করার কথা হয়েছিল।
টাকা সাদিকুল ইসলামের বাবা হাফিজুর রহমানের কাছে ছিলো , বিষয় টি আসামি রুবেল হোসেন জানতে পেরে ঘটনার দিন দোকান বন্ধ করে ৮০ হাজার টাকা দামের ছুরি কিনে হাফিজুর রহমান কে সুকৌশলে চেরেঙ্গা এলাকায় ডেকে নিয়ে হাফিজুর রহমান কে কুপিয়ে হত্যা করে টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় রুবেল হোসেন।
এঘটনার পর হাফিজুর রহমানের পুত্র সাদিকুল ইসলাম বাদি হয়ে জলঢাকা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
আর সেই মামলার পর থেকে রুবেল কে আটক করার চেষ্টা করা হয় ।
সবশেষে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহযোগীতায় রুবেল কে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক থেকে আটক করি।
সংবাদ সম্মেলন শেষে আসামী রুবেল হোসেন কে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিজা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোস্তাফিজুর রহমান , নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুর রউফ, গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক ফিরোজ কবির ও নীলফামারী থানার পরিদর্শক ( তদন্ত) মাহমুদ উন নবী।















