এখন ০২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসি, এসপির কাছে লিখিত অভিযোগ গোদনাইল পদ্মা ডিপোর সংযোগ সড়কে অবৈধ তেলের দোকান উচ্ছেদ হচ্ছে

গোদনাইল পদ্মা ডিপোর সংযোগ সড়কে অবৈধ তেলের দোকান

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বিমানের জ্বালানী সহ সকল প্রকার তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষে ডিএনডি’র প্রধান সড়ক হতে পদ্মা ওয়েল কোম্পানী লিমিটেড এর গোদনাইল ডিপোর মেইন গেইট পর্যন্ত সংযোগ সড়কের দুই পার্শ্বের অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা তেলের দোকানগুলো উচ্চেদ এবং সড়ক যানজট মুক্ত রাখার জন্য গোদনাইল ডিপোর ব্যবস্থাপক নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। গত ২৩ মার্চ উচ্ছেদের অভিযোগ পত্রটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার, র‌্যাব-১১ অধিনায়ক, এনএসআই এর উপ-পরিচালক ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার প্রতি অনুলিপি প্রদান করেছে। যার গোদনাইল ডিপোর সূত্র নং-২৮.২২.৬৭৫৮.৬৩৪.১২.০০২.২১। লিখিত আবেদনে জানা যায়, পদ্মা ওয়েল কোম্পানী লিমিটেড এর গোদনাইল ডিপোটি রাষ্ট্রীয় কে.পি.আই এর অন্তর্ভূক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। গোদনাইল ডিপোতে প্রতিদিন প্রায় ৩৭০-৩৮০টি ট্যাংকলরী আসা-যাওয়া করে। উক্ত ট্যাংকলরী অবাধে যাতায়াত করার জন্য মুল রাস্তা হবে ডিপো পর্যন্ত কোম্পানীর নিজস্ব রাস্তা রয়েছে কিন্তু স্থানীয় কিছু লোকের কারণে ডিপোর মেইন গেইট হতে প্রধান সড়ক (ডিএনডি) রাস্তার দুই পাশে অনেকগুলো অবৈধ তেলের দোকান রয়েছে। যাদের কারণে ট্যাংকলরী চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এছাড়াও রাস্তার দুইপাশে কিছু ট্যাংকলরীর মালিক জোরপূর্বক রাস্তার উপর গাড়ী পার্কিং এবং মেরামতের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে বিমান বন্দরের জন্য বোঝাইকৃত জেট এ-১ বহনকারী ট্যাংকলরী সমূহ চলাচলে বাধাগ্রস্থ হয়। আরও জানা যায়, এই সড়কে প্রায় অর্ধশতাধিক অবৈধ তেলের দোকান গড়ে ওঠায় আশেপাশের লোকজনসহ ডিপোটিও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোন সময় যে কোন ধরণের দূর্ঘটনা ঘটারও আশংকা রয়েছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী মেঘনা ডিপো সংলগ্ন ভয়াবহ অগ্নিকান্ডই তা প্রমাণ করে। এছাড়াও পরিবেশেরও ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। গোদনাইল ডিপোর ব্যবস্থাপক (পরিচালন) মোঃ শাহজাহান কবির চৌধুরীর ২২ মার্চ স্বাক্ষরিত অবৈধ তেলের দোকান উচ্ছেদের আবেদনটি ২৩ মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে পৌছে। যার নং-৪৫৯৯। পরবর্তীতে আবেদনটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ২৫ মার্চ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পৌছে। যার নং-১০৪১। উল্লেখিত উচ্ছেদের আবেদনটি বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি)র কাছে রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয় এলাকাবাসী পরিবেশ দূষণ রোধে জেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। অন্যদিকে প্রশাসন সূত্র বলছে, গোদনাইল ডিপো কর্তৃক আবেদনটির বিষয়ে পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপোক্ষ যথাসময়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ডিসি, এসপির কাছে লিখিত অভিযোগ গোদনাইল পদ্মা ডিপোর সংযোগ সড়কে অবৈধ তেলের দোকান উচ্ছেদ হচ্ছে

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪২:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বিমানের জ্বালানী সহ সকল প্রকার তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষে ডিএনডি’র প্রধান সড়ক হতে পদ্মা ওয়েল কোম্পানী লিমিটেড এর গোদনাইল ডিপোর মেইন গেইট পর্যন্ত সংযোগ সড়কের দুই পার্শ্বের অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা তেলের দোকানগুলো উচ্চেদ এবং সড়ক যানজট মুক্ত রাখার জন্য গোদনাইল ডিপোর ব্যবস্থাপক নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। গত ২৩ মার্চ উচ্ছেদের অভিযোগ পত্রটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার, র‌্যাব-১১ অধিনায়ক, এনএসআই এর উপ-পরিচালক ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার প্রতি অনুলিপি প্রদান করেছে। যার গোদনাইল ডিপোর সূত্র নং-২৮.২২.৬৭৫৮.৬৩৪.১২.০০২.২১। লিখিত আবেদনে জানা যায়, পদ্মা ওয়েল কোম্পানী লিমিটেড এর গোদনাইল ডিপোটি রাষ্ট্রীয় কে.পি.আই এর অন্তর্ভূক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। গোদনাইল ডিপোতে প্রতিদিন প্রায় ৩৭০-৩৮০টি ট্যাংকলরী আসা-যাওয়া করে। উক্ত ট্যাংকলরী অবাধে যাতায়াত করার জন্য মুল রাস্তা হবে ডিপো পর্যন্ত কোম্পানীর নিজস্ব রাস্তা রয়েছে কিন্তু স্থানীয় কিছু লোকের কারণে ডিপোর মেইন গেইট হতে প্রধান সড়ক (ডিএনডি) রাস্তার দুই পাশে অনেকগুলো অবৈধ তেলের দোকান রয়েছে। যাদের কারণে ট্যাংকলরী চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এছাড়াও রাস্তার দুইপাশে কিছু ট্যাংকলরীর মালিক জোরপূর্বক রাস্তার উপর গাড়ী পার্কিং এবং মেরামতের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে বিমান বন্দরের জন্য বোঝাইকৃত জেট এ-১ বহনকারী ট্যাংকলরী সমূহ চলাচলে বাধাগ্রস্থ হয়। আরও জানা যায়, এই সড়কে প্রায় অর্ধশতাধিক অবৈধ তেলের দোকান গড়ে ওঠায় আশেপাশের লোকজনসহ ডিপোটিও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোন সময় যে কোন ধরণের দূর্ঘটনা ঘটারও আশংকা রয়েছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী মেঘনা ডিপো সংলগ্ন ভয়াবহ অগ্নিকান্ডই তা প্রমাণ করে। এছাড়াও পরিবেশেরও ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। গোদনাইল ডিপোর ব্যবস্থাপক (পরিচালন) মোঃ শাহজাহান কবির চৌধুরীর ২২ মার্চ স্বাক্ষরিত অবৈধ তেলের দোকান উচ্ছেদের আবেদনটি ২৩ মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে পৌছে। যার নং-৪৫৯৯। পরবর্তীতে আবেদনটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ২৫ মার্চ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পৌছে। যার নং-১০৪১। উল্লেখিত উচ্ছেদের আবেদনটি বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি)র কাছে রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয় এলাকাবাসী পরিবেশ দূষণ রোধে জেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। অন্যদিকে প্রশাসন সূত্র বলছে, গোদনাইল ডিপো কর্তৃক আবেদনটির বিষয়ে পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপোক্ষ যথাসময়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।