এখন ০২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলদি বাজারে মাঠা খেতে যাওয়ার পথে মোটর বাইক দুর্ঘটনায় এক জনের মৃত্যু

আলদিতে মোটর বাইক দুর্ঘটনায় এক জনের মৃত্যু

মোঃ কামাল, ষ্টাফ রিপোর্টার : টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আলদি বাজারের মাঠার সুনাম এখন দেশব্যাপী। প্রতিদিন ভোর সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার মানুষ আলদি বাজারো জড়ো হন মাঠা আর ছানা খেতে। সপ্তাহের প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠা প্রেমীরা ছুটে আসেন এখানে। পাশাপাশি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ থেকেও ভোজন রসিকরা সিএনজি, মাইক্রোবাস আর মোটর সাইকেলে চড়ে চলে আসেন মাঠা খেতে। শুক্রবার আসলে আলদি বাজারে মাঠা খেতে আসা মানুষের স্রোতে পুরো বাজার এলাকায় সৃষ্টি হয় যানজটের। প্রধান সড়কের দু’পাশে বসে মাঠা বিক্রির প্রায় ৮টি দোকান। দোকানগুলোতে শত শত মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। তবে সপ্তাহের অন্যান্যদিন মানুষের উপস্থিতি স্বাভাবিক হলেও শুক্রবার দিন সেটা ১০ গুণ হয়ে যায়। সরকারি ছুটি থাকার কারণে শুক্রবার শত শত মোটর সাইকেল, বাইসাইকেল, অটো, মিশুক, সিএনজি, প্রাইভেটকারে দূরদূরান্ত থেকে শত শত মানুষ ছুটে আসেন আলদি বাজারের কমল ঘোষের মাঠা খেতে।

আজ ১৯ মার্চ শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ থেকে আলদি বাজারে মাঠা খেতে যাওয়ার পথে অজ্ঞাতনামা এক জনের মৃত্যু হয় মোটর বাইক দুর্ঘটনায়। স্থানীয় টংগিবাড়ী পুলিশ ষ্টেশনে যোগাযোগ করেও মৃত ব্যাক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি। উপস্থিত সাধারণ জনতা জানায় বেপরোয়া মোটর বাইক চালানোর কারনে মোটর বাইকটি একটি অটো রিক্সার সাথে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বংশ পরম্পরাক্রমে আলদি বাজারে মাঠা বিক্রি করতেন কমল ঘোষ। তার মাঠা’র স্বাদ আর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে পুরো জেলায়। মানুষের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে থাকে কমল ঘোষ। পরবর্তীতে একই স্থানে শ্যামল ঘোষ, বিমল ঘোষ, উত্তম ঘোষসহ আরো ৭/৮ জন ব্যক্তি নেমে পড়েন মাঠা বিক্রির ব্যবসায়। একটি দোকানের স্থলে ৮টি দোকান হলেও মানুষের ভিড়ের কোন কমতি নেই আলদি বাজারে।

মাঠা বিক্রেতা কমল ঘোষ বলেন, ‘বাজারে আমার দোকানটাই ছিলো প্রথম। মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখে আমার এলাকার অনেকে এখন বাজারে মাঠা বিক্রি করে। এতো দোকান বসছে তবুও চাপ সামলাতে পারছিনা। ১৫ মন দুধের ছানা আর মাঠা বিক্রি সকাল ৬টা থেকে ৮টার মধ্যেই শেষ। খেতে আসা লোকজন বোতলে করেই বেশী নিয়ে যাচ্ছে বাড়ীর জন্য। বাজারের সকল মাঠার মানই বেশ ভালো। কোন রকমের ভেজাল নেই। দিন দিন ক্রেতাদের চাহিদা বেড়েই চলছে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আলদি বাজারে মাঠা খেতে যাওয়ার পথে মোটর বাইক দুর্ঘটনায় এক জনের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

মোঃ কামাল, ষ্টাফ রিপোর্টার : টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আলদি বাজারের মাঠার সুনাম এখন দেশব্যাপী। প্রতিদিন ভোর সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার মানুষ আলদি বাজারো জড়ো হন মাঠা আর ছানা খেতে। সপ্তাহের প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠা প্রেমীরা ছুটে আসেন এখানে। পাশাপাশি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ থেকেও ভোজন রসিকরা সিএনজি, মাইক্রোবাস আর মোটর সাইকেলে চড়ে চলে আসেন মাঠা খেতে। শুক্রবার আসলে আলদি বাজারে মাঠা খেতে আসা মানুষের স্রোতে পুরো বাজার এলাকায় সৃষ্টি হয় যানজটের। প্রধান সড়কের দু’পাশে বসে মাঠা বিক্রির প্রায় ৮টি দোকান। দোকানগুলোতে শত শত মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। তবে সপ্তাহের অন্যান্যদিন মানুষের উপস্থিতি স্বাভাবিক হলেও শুক্রবার দিন সেটা ১০ গুণ হয়ে যায়। সরকারি ছুটি থাকার কারণে শুক্রবার শত শত মোটর সাইকেল, বাইসাইকেল, অটো, মিশুক, সিএনজি, প্রাইভেটকারে দূরদূরান্ত থেকে শত শত মানুষ ছুটে আসেন আলদি বাজারের কমল ঘোষের মাঠা খেতে।

আজ ১৯ মার্চ শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ থেকে আলদি বাজারে মাঠা খেতে যাওয়ার পথে অজ্ঞাতনামা এক জনের মৃত্যু হয় মোটর বাইক দুর্ঘটনায়। স্থানীয় টংগিবাড়ী পুলিশ ষ্টেশনে যোগাযোগ করেও মৃত ব্যাক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি। উপস্থিত সাধারণ জনতা জানায় বেপরোয়া মোটর বাইক চালানোর কারনে মোটর বাইকটি একটি অটো রিক্সার সাথে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বংশ পরম্পরাক্রমে আলদি বাজারে মাঠা বিক্রি করতেন কমল ঘোষ। তার মাঠা’র স্বাদ আর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে পুরো জেলায়। মানুষের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে থাকে কমল ঘোষ। পরবর্তীতে একই স্থানে শ্যামল ঘোষ, বিমল ঘোষ, উত্তম ঘোষসহ আরো ৭/৮ জন ব্যক্তি নেমে পড়েন মাঠা বিক্রির ব্যবসায়। একটি দোকানের স্থলে ৮টি দোকান হলেও মানুষের ভিড়ের কোন কমতি নেই আলদি বাজারে।

মাঠা বিক্রেতা কমল ঘোষ বলেন, ‘বাজারে আমার দোকানটাই ছিলো প্রথম। মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখে আমার এলাকার অনেকে এখন বাজারে মাঠা বিক্রি করে। এতো দোকান বসছে তবুও চাপ সামলাতে পারছিনা। ১৫ মন দুধের ছানা আর মাঠা বিক্রি সকাল ৬টা থেকে ৮টার মধ্যেই শেষ। খেতে আসা লোকজন বোতলে করেই বেশী নিয়ে যাচ্ছে বাড়ীর জন্য। বাজারের সকল মাঠার মানই বেশ ভালো। কোন রকমের ভেজাল নেই। দিন দিন ক্রেতাদের চাহিদা বেড়েই চলছে।’