এখন ০২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব হাজী ইফতেখার আলম খোকন ওয়ার্ড বাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

হাজী ইফতেখার আলম খোকন

মোঃ কামাল, ষ্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৬সালের ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। মেয়র ও কাউন্সিলরগণ ৫ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে শপথ গ্রহন করে দ্বায়িত্ব বুঝে পান ৯ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে।

দ্বায়িত্ব বুঝে নেয়ার পর থেকে নাসিক ১০ নং ওয়ার্ডের বিপুল ভোটে নির্বাচিত কাউন্সিলর জনাব হাজী ইফতেখার আলম খোকন সর্বপ্রথম মনোযোগী হন সামাজিক উন্নয়নের দিকে যেমন, স্থানীয় নেতৃত্বে আভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন করা, সামাজিক সমস্যা নিরসন করা, ১০নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত করা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য থেকে এলাকার ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষকে মুক্ত করা।

নির্বাচনের পূর্বে গোদনাইলের আরামবাগ এলাকার স্থানীয় রাজনৈতিক অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, একজন আরেকজনের ছায়াটা পর্যন্ত দেখতে পারতনা, জনাব ইফতেখার আলম খোকন দ্বায়িত্বভার গ্রহণ করার পর নিজের দক্ষতা এবং যোগ্যতায় এলাকার সকলকে আন্তরিকতার সাথে একত্রিত করে একটি প্লাটফর্মে এনে সামাজিক সকল সমস্যা এক এক করে নিরসন করতে থাকেন। তিনি যেন যাদুর পরশেই কঠিন কাজটি করে ফেলেন।

তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েও নিজের মধ্যে কোন প্রকার অহংকার বোধ জন্ম হতে দেননি, তিনি হয়ে উঠেন, আগের চেয়ে আরো বেশী জনপ্রিয়। তিনি শুধু আরামবাগ নয়, বাগপাড়া, মীরপাড়া, লক্ষীনারায়ণ, রসুলবাগ, জেলেপাড়া, মাঝিপাড়া, আজিম মার্কেট ও পাঠানটুলী সহ ওয়ার্ডের সকল এলাকার কিশোর-যুব-বৃদ্ধ, ছাত্র-শিক্ষক, মালিক-শ্রমিক সবাইকে সাথে নিয়ে সামাজিক অবস্থার আমুল পরিবর্তন করে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরী করে সকলের নিকট আরো বেশী গ্রহণযোগ্য করে তোলেন নিজেকে। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় সমগ্র এলাকাকে গড়ে তুলেন সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত।

তিনি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন এবং সফলতার দিকে এগিয়ে যান। জনাব হাজী ইফতেখার আলম খোকন বিনয়ের সাথে বলেন, আমার একার পক্ষে কোন দিনও এই সকল সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হতনা, যদি এলাকার মুরব্বি সহ সকল শ্রেণীর মানুষের সহযোগীতা না থাকত। তিনি নারীদের উন্নয়নের জন্যও নানা রকম উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে নারীদের এগিয়ে নিতে চান।

তিনি এলাকার রাস্তাঘাটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে চলেছেন।

জনাব ইফতেখার আলম খোকন করোনা কালীন সময়ে নিজের জীবন বাজী রেখে করোনা আক্রন্ত রোগী এবং রোগীর পরিবারের পাশে থেকে নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন জনগণের কতটা কাছের ও ভালবাসার মানুষ। তিনি শুধু করোনা রোগীদের পাশেই থাকেননি, করোনা কালীন সময়ে মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পরেন তখন তিনি সকলের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছন। তার এলাকাটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় এখানে বিভিন্ন অঞ্চলের লোকের বসবাস, তিনি একবারের জন্যও জানতে চাননি কে তার এলাকার ভোটার, রাতের আধারে তিনি নিজে সাথে থেকে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন সকলের ঘরে ঘরে। খাবার পৌঁছে দিয়েই ক্ষান্ত হননি, নিয়মিত খোঁজখবর রেখেছেন করো কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা। করোনা কালীন সময়ে তিনি তার নিজের ওয়ার্ড সহ আশেপাশের এলাকায়ও জীবাণুনাশক ছিটিয়েছেন। তিনি দিনরাত একাকার করে নিজস্ব অর্থায়নে ভলান্টিয়ার বাহিনী গঠন করে এলাকাবাসীকে সচেতন করে করোনার মত মহামারীকে মোকাবেলা করেছেন অত্যন্ত সফলতার সাথে।

তিনি কাজ করছেন প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা সহ আরো সহযোগীতা মূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে। তিনি বাস্তবিক পক্ষেই নিজেকে জনগণের সেবক হিসাবে তৈরী করে নিয়েছেন।

তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন জননেতা এ.কে. এম. শামীম ওসমানের সঠিক নেতৃত্ব ও দিকনির্দশনায় এবং নারায়ণগঞ্জ মহিলা সংস্থার সভানেত্রী ও শামীম ওসমানের সুযোগ্য সহধর্মিণী সালমা ওসমান লিপির সহযোগীতায় সরকারী অনুদানে ১০নং ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণ কটন মিলস্ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ কোটি টাকা, গোদনাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ কোটি টাকা এবং গোদনাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮০ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কাজ করছেন।

এছাড়াও শিশু স্বাস্থ্য ও সাধারণ নাগরিকদের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ কাজ করছেন তিনি। এলাকায় এখন শুনতে পাওয়া যায় জনাব হাজী ইফতেখার আলম খোকনই যোগ্যতার সাথে সঠিক ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ১০নং এলাকাবাসীকে।

ওয়ার্ড বাসীর আকাঙ্ক্ষা তিনি যেন সুস্থ্য থেকে এইভাবে সকলের ভালবাসা নিয়ে আজীবন এলাকা বাসীর হয়ে কাজ করে যান।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব হাজী ইফতেখার আলম খোকন ওয়ার্ড বাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

মোঃ কামাল, ষ্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৬সালের ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। মেয়র ও কাউন্সিলরগণ ৫ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে শপথ গ্রহন করে দ্বায়িত্ব বুঝে পান ৯ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে।

দ্বায়িত্ব বুঝে নেয়ার পর থেকে নাসিক ১০ নং ওয়ার্ডের বিপুল ভোটে নির্বাচিত কাউন্সিলর জনাব হাজী ইফতেখার আলম খোকন সর্বপ্রথম মনোযোগী হন সামাজিক উন্নয়নের দিকে যেমন, স্থানীয় নেতৃত্বে আভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন করা, সামাজিক সমস্যা নিরসন করা, ১০নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত করা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য থেকে এলাকার ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষকে মুক্ত করা।

নির্বাচনের পূর্বে গোদনাইলের আরামবাগ এলাকার স্থানীয় রাজনৈতিক অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, একজন আরেকজনের ছায়াটা পর্যন্ত দেখতে পারতনা, জনাব ইফতেখার আলম খোকন দ্বায়িত্বভার গ্রহণ করার পর নিজের দক্ষতা এবং যোগ্যতায় এলাকার সকলকে আন্তরিকতার সাথে একত্রিত করে একটি প্লাটফর্মে এনে সামাজিক সকল সমস্যা এক এক করে নিরসন করতে থাকেন। তিনি যেন যাদুর পরশেই কঠিন কাজটি করে ফেলেন।

তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েও নিজের মধ্যে কোন প্রকার অহংকার বোধ জন্ম হতে দেননি, তিনি হয়ে উঠেন, আগের চেয়ে আরো বেশী জনপ্রিয়। তিনি শুধু আরামবাগ নয়, বাগপাড়া, মীরপাড়া, লক্ষীনারায়ণ, রসুলবাগ, জেলেপাড়া, মাঝিপাড়া, আজিম মার্কেট ও পাঠানটুলী সহ ওয়ার্ডের সকল এলাকার কিশোর-যুব-বৃদ্ধ, ছাত্র-শিক্ষক, মালিক-শ্রমিক সবাইকে সাথে নিয়ে সামাজিক অবস্থার আমুল পরিবর্তন করে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরী করে সকলের নিকট আরো বেশী গ্রহণযোগ্য করে তোলেন নিজেকে। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় সমগ্র এলাকাকে গড়ে তুলেন সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত।

তিনি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন এবং সফলতার দিকে এগিয়ে যান। জনাব হাজী ইফতেখার আলম খোকন বিনয়ের সাথে বলেন, আমার একার পক্ষে কোন দিনও এই সকল সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হতনা, যদি এলাকার মুরব্বি সহ সকল শ্রেণীর মানুষের সহযোগীতা না থাকত। তিনি নারীদের উন্নয়নের জন্যও নানা রকম উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে নারীদের এগিয়ে নিতে চান।

তিনি এলাকার রাস্তাঘাটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে চলেছেন।

জনাব ইফতেখার আলম খোকন করোনা কালীন সময়ে নিজের জীবন বাজী রেখে করোনা আক্রন্ত রোগী এবং রোগীর পরিবারের পাশে থেকে নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন জনগণের কতটা কাছের ও ভালবাসার মানুষ। তিনি শুধু করোনা রোগীদের পাশেই থাকেননি, করোনা কালীন সময়ে মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পরেন তখন তিনি সকলের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছন। তার এলাকাটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় এখানে বিভিন্ন অঞ্চলের লোকের বসবাস, তিনি একবারের জন্যও জানতে চাননি কে তার এলাকার ভোটার, রাতের আধারে তিনি নিজে সাথে থেকে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন সকলের ঘরে ঘরে। খাবার পৌঁছে দিয়েই ক্ষান্ত হননি, নিয়মিত খোঁজখবর রেখেছেন করো কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা। করোনা কালীন সময়ে তিনি তার নিজের ওয়ার্ড সহ আশেপাশের এলাকায়ও জীবাণুনাশক ছিটিয়েছেন। তিনি দিনরাত একাকার করে নিজস্ব অর্থায়নে ভলান্টিয়ার বাহিনী গঠন করে এলাকাবাসীকে সচেতন করে করোনার মত মহামারীকে মোকাবেলা করেছেন অত্যন্ত সফলতার সাথে।

তিনি কাজ করছেন প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা সহ আরো সহযোগীতা মূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে। তিনি বাস্তবিক পক্ষেই নিজেকে জনগণের সেবক হিসাবে তৈরী করে নিয়েছেন।

তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন জননেতা এ.কে. এম. শামীম ওসমানের সঠিক নেতৃত্ব ও দিকনির্দশনায় এবং নারায়ণগঞ্জ মহিলা সংস্থার সভানেত্রী ও শামীম ওসমানের সুযোগ্য সহধর্মিণী সালমা ওসমান লিপির সহযোগীতায় সরকারী অনুদানে ১০নং ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণ কটন মিলস্ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ কোটি টাকা, গোদনাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ কোটি টাকা এবং গোদনাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮০ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কাজ করছেন।

এছাড়াও শিশু স্বাস্থ্য ও সাধারণ নাগরিকদের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ কাজ করছেন তিনি। এলাকায় এখন শুনতে পাওয়া যায় জনাব হাজী ইফতেখার আলম খোকনই যোগ্যতার সাথে সঠিক ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ১০নং এলাকাবাসীকে।

ওয়ার্ড বাসীর আকাঙ্ক্ষা তিনি যেন সুস্থ্য থেকে এইভাবে সকলের ভালবাসা নিয়ে আজীবন এলাকা বাসীর হয়ে কাজ করে যান।