এখন ০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগের প্রাণশক্তি এমপি ফারুক চৌধুরী

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী অঞ্চলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির কোনো বিকল্প নাই, যাকে সবাই রাজনৈতিক অঙ্গনের বিগ বস্ হিসেবেই চেনেন। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে ফারুক চৌধুরীর রাজনীতির শুরু।

রাজশাহীর অঞ্চলে আওয়ামী লীগের প্রাণ শক্তি এমপি ফারুক চৌধুরী। রাজনৈতিক বিশ্লেষক গণের অভিমত জাতীয় রাজনীতিতে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী যার ওপর বিশ্বাস রাখেন, যাকে রাজনীতি করতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন তাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে থাকেন আবার অনেককে সাধারণ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেন। ঠিক তেমনি স্থানীয় রাজনীতিতে এমপিরা যাদের বিশ্বাস করেন, এবং যাদের নিয়ে রাজনীতি করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করবেন তাদের হাতে নেতৃত্ব দিয়ে কমিটি গঠন করবেন এটাই স্বাভাবিক। স্থানীয় রাজনীতিতে কমিটি গঠনের সম্পুর্ন দায়িত্ব এমপিদের হাতে ন্যস্ত করা উচিৎ, এতে দলে কোনো কোন্দল থাকবে না।

এদিকে দলের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশস্ত আস্থাভাজন ও আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে এমপি ফারুক চৌধুরী রাজনীতি করে আসছেন। ফলে তিনি মনোনয়ন নিয়ে ভাবেন না, তাঁর সুপারিশে অনেকের মনোনয়ন হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনের যেসব অর্বাচীনরা এটা বোঝে না, তারাই ফারুক চৌধুরী সম্পর্কে নেতিবাচক আলোচনা করেন। রাজনৈতিক প্রতিযোগীতায় বিজয়ী হতে তার গেম প্ল্যানের তৈরীর যে দক্ষতা রয়েছে, সেটা অনেকের নাই। তিনি যেকোনো সময় যেকোনো গেম প্ল্যান তৈরীর ক্ষমতা রাখেন। যা একজন আদর্শিক নেতৃত্বের বড় গুন যা অনেকের থাকে না।

জানা গেছে, রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হবার অনেক আগেই তিনি অর্জন করেন সিআইপি মর্যাদা, হয়েছেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়কর দাতা। এমপি ফারুকের রয়েছে নিজস্ব স্বকীয়তা, সামাজিক ও পারিবারিক ঐতিহ্য এবং পরিচয়। তিনি অনেক আগেই আদর্শিক, কর্মী-জনবান্ধব, সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি ও গণমানুষের নেতার উপাধীও অর্জন করেছেন।অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তানোর-গোদাগাড়ী থেকে প্রতিদিন যদি ৫ জন মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের উপকার করেছেন। তাহলে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে রয়েছে এমপির জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করতে প্রস্তুত আছে। তাহলে তাকে যারা জনবিচ্ছিন্ন বলছে তারা কারা, আর এদের পরিচয় দেবার মতো কিছু আছে কি? না নাই। তবে এদের সঙ্গেও অনেক মানুষ রয়েছে যারা কমবেশী সবাই পাওনাদার কেউ সালিশের জরিমানার টাকা, কেউ চাকরির আশায় দেয়া টাকা, কেউ গভীর নলকুপের অপারেটর নিয়োগের টাকা ইত্যাদি। অন্যদিকে এমপি ফারুক চৌধুরী রাতারাতি দু”দশটা রাব্বানী,মামুন বা রবু সৃস্টির ক্ষমতা রাখেন, কিন্ত্ত তারা সবাই মিলে কি একজন ফারুক চৌধুরী সৃস্টি করতে কি পারবেন কখানো পারবেন না, তাহলে বুঝতে হবে কার সঙ্গে তারা প্রতিদন্দিতা করতে নেমেছেন, যেখানে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার নিশ্চিত পরাজয় বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সব প্রটৌকল ভেঙ্গে একক ক্ষমতা বলে আওয়ামী লীগে যোগদান করিয়ে ফারুক চৌধুরীকে রাজনীতিতে নিয়ে এসে এমপি নির্বাচনে ৫ বার দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন, একবার প্রতিমন্ত্রী এবং জেলার সভাপতি ও সম্পাদক করেছেন। একজন নেতা বা কর্মীর প্রতি কতটা আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসা থাকলেই কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি কাউকে এভাবে সম্মানিত করেন সেটার গভীরতা অনুধাবন করতে হবে। তবে এমপিবিরোধী একশ্রেণীর রাজনৈতিক অর্বাচীনদের সেই সম্পর্কে কোনো ধারনা বা জ্ঞান নাই। আবার জনপ্রতিনিধি হিসেবে কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বৃক্ষরোপণে রাস্ট্রপতি ও প্রধান কর্তৃক স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌচ্ছাতে চাই, ফারুক চৌধুরী সেখান থেকে নেমে এসে রাজনীতি শুরু করেছেন। এমপি ফারুকের মতো নেতৃত্বরা মনোনয়ন নেয় না, তাদের সুপারিশে দু’ চারজন মনোনয়ন পায়। ফলে রাজনীতিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতায় ফারুক চৌধুরীদের মতো নেতৃত্বকে হারানো যায় না, তারা যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছেই বড় সম্পদ, তবে দল, নেতা, নেতৃত্ব সর্বপোরী নিজের অবস্থান ধরে রেখে দলের আগাছা-পরগাছা ছুড়ে ফেলে দলের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে কখানে কখানো তারা হেরে গিয়ে বিজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে। তাদের এই হারে পরাজয়ের গ্লানি নয় থাকে বিজয়ীর উল্লাস রাজনীতি সব সময় বিজয়ী নয় হেরে গিয়ে বিজয়ের স্বাদ নিতে হয়। তাই ফারুক চৌধুরীদের মতো নেতৃত্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতার নামে বিরোধ নয় তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে চলতে এবং তাদের কাছে থেকে শিখতে হয় ঠান্ডা-শিতল ঘরের রাজনৈতিক কলাকৌশল। আর যাদের এসব বোঝার ক্ষমতা নাই তারাই রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়ে অতল গহবরে হারিয়ে যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশে এখন মাঠে-ঘাটে বগী আওয়াজ দিয়ে বা ভাড়া করা লোক দিয়ে সমাবেশ করে রাজনীতি হয় না ,এখন ঠান্ডা-শিতল ঘরে বসে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে ও টেলিভিশনের পর্দায় ফর্মুলাওয়ান ওযান দেখতে দেখতে রাজনীতি হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনে এমপি ফারুক চৌধুরীর পুনঃরায় সভাপতি হবার সুযোগ থাকলেও তিনি সভাপতি না হয়ে তার অনুগতদের সভাপতি-সম্পাদক করে তার প্রতিপক্ষদের আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলে তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন, এবং তিনিই একমাত্র নেতা যিনি নিজেই দলের সভাপতির কাছে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। যেখানে দলের একটি পদের জন্য অন্যরা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে,সেখানে এমপি ফারুক এমনই নেতা যিনি জেলার সভাপতির পদ স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিতে পারেন। অথচ তার বিরোধী একশ্রেনীর রাজনৈতিক বেকুব এমপি ফারুকে হারিয়েছেন ভেবে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে পরক্ষনেই ভুল ভাঙ্গলে সেই ঢেঁকুর আর গিলতে পারছে না। রাজশাহী-১ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখানো এমপি ফারুকের তেমন কোনো বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, রাজশাহী-১ আসন ছিল বিএনপি-জামায়াতের আঁতুড় ঘর, আর প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের হেভিওয়েট নেতা। ফলে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক মহলও কখানো কল্পনা করেনি ব্যারিষ্টার আমিনুলকে হারিয়ে এখানে আওয়ামী লীগের কেউ এমপি হবে। কিন্ত্ত এমপি ফারুক চৌধুরী তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতায় ব্যারিষ্টার আমিনুলের মতো হেভিওয়েট নেতৃত্বকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, করেছেন আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত, বিএনপি-জমায়াতের আঁতুড় ঘর তছনছ করে আওয়ামী লীগের বসত ঘরে পরিনত করেছেন। এমপি ফারুক চৌধুরীর আওয়ামী লীগে আশার আগে ও পরের অবস্থান বিশ্লেষণ করলেই স্পষ্ট হবে তিনি আওয়ামী লীগের কাছে কত বড় সম্পদ, এটা জানার জন্য রাজনৈতিক বিশ্লষক হবার প্রয়োজন নাই।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আওয়ামী লীগের প্রাণশক্তি এমপি ফারুক চৌধুরী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী অঞ্চলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির কোনো বিকল্প নাই, যাকে সবাই রাজনৈতিক অঙ্গনের বিগ বস্ হিসেবেই চেনেন। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে ফারুক চৌধুরীর রাজনীতির শুরু।

রাজশাহীর অঞ্চলে আওয়ামী লীগের প্রাণ শক্তি এমপি ফারুক চৌধুরী। রাজনৈতিক বিশ্লেষক গণের অভিমত জাতীয় রাজনীতিতে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী যার ওপর বিশ্বাস রাখেন, যাকে রাজনীতি করতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন তাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে থাকেন আবার অনেককে সাধারণ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেন। ঠিক তেমনি স্থানীয় রাজনীতিতে এমপিরা যাদের বিশ্বাস করেন, এবং যাদের নিয়ে রাজনীতি করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করবেন তাদের হাতে নেতৃত্ব দিয়ে কমিটি গঠন করবেন এটাই স্বাভাবিক। স্থানীয় রাজনীতিতে কমিটি গঠনের সম্পুর্ন দায়িত্ব এমপিদের হাতে ন্যস্ত করা উচিৎ, এতে দলে কোনো কোন্দল থাকবে না।

এদিকে দলের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশস্ত আস্থাভাজন ও আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে এমপি ফারুক চৌধুরী রাজনীতি করে আসছেন। ফলে তিনি মনোনয়ন নিয়ে ভাবেন না, তাঁর সুপারিশে অনেকের মনোনয়ন হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনের যেসব অর্বাচীনরা এটা বোঝে না, তারাই ফারুক চৌধুরী সম্পর্কে নেতিবাচক আলোচনা করেন। রাজনৈতিক প্রতিযোগীতায় বিজয়ী হতে তার গেম প্ল্যানের তৈরীর যে দক্ষতা রয়েছে, সেটা অনেকের নাই। তিনি যেকোনো সময় যেকোনো গেম প্ল্যান তৈরীর ক্ষমতা রাখেন। যা একজন আদর্শিক নেতৃত্বের বড় গুন যা অনেকের থাকে না।

জানা গেছে, রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হবার অনেক আগেই তিনি অর্জন করেন সিআইপি মর্যাদা, হয়েছেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়কর দাতা। এমপি ফারুকের রয়েছে নিজস্ব স্বকীয়তা, সামাজিক ও পারিবারিক ঐতিহ্য এবং পরিচয়। তিনি অনেক আগেই আদর্শিক, কর্মী-জনবান্ধব, সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি ও গণমানুষের নেতার উপাধীও অর্জন করেছেন।অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তানোর-গোদাগাড়ী থেকে প্রতিদিন যদি ৫ জন মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের উপকার করেছেন। তাহলে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে রয়েছে এমপির জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করতে প্রস্তুত আছে। তাহলে তাকে যারা জনবিচ্ছিন্ন বলছে তারা কারা, আর এদের পরিচয় দেবার মতো কিছু আছে কি? না নাই। তবে এদের সঙ্গেও অনেক মানুষ রয়েছে যারা কমবেশী সবাই পাওনাদার কেউ সালিশের জরিমানার টাকা, কেউ চাকরির আশায় দেয়া টাকা, কেউ গভীর নলকুপের অপারেটর নিয়োগের টাকা ইত্যাদি। অন্যদিকে এমপি ফারুক চৌধুরী রাতারাতি দু”দশটা রাব্বানী,মামুন বা রবু সৃস্টির ক্ষমতা রাখেন, কিন্ত্ত তারা সবাই মিলে কি একজন ফারুক চৌধুরী সৃস্টি করতে কি পারবেন কখানো পারবেন না, তাহলে বুঝতে হবে কার সঙ্গে তারা প্রতিদন্দিতা করতে নেমেছেন, যেখানে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার নিশ্চিত পরাজয় বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সব প্রটৌকল ভেঙ্গে একক ক্ষমতা বলে আওয়ামী লীগে যোগদান করিয়ে ফারুক চৌধুরীকে রাজনীতিতে নিয়ে এসে এমপি নির্বাচনে ৫ বার দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন, একবার প্রতিমন্ত্রী এবং জেলার সভাপতি ও সম্পাদক করেছেন। একজন নেতা বা কর্মীর প্রতি কতটা আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসা থাকলেই কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি কাউকে এভাবে সম্মানিত করেন সেটার গভীরতা অনুধাবন করতে হবে। তবে এমপিবিরোধী একশ্রেণীর রাজনৈতিক অর্বাচীনদের সেই সম্পর্কে কোনো ধারনা বা জ্ঞান নাই। আবার জনপ্রতিনিধি হিসেবে কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বৃক্ষরোপণে রাস্ট্রপতি ও প্রধান কর্তৃক স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌচ্ছাতে চাই, ফারুক চৌধুরী সেখান থেকে নেমে এসে রাজনীতি শুরু করেছেন। এমপি ফারুকের মতো নেতৃত্বরা মনোনয়ন নেয় না, তাদের সুপারিশে দু’ চারজন মনোনয়ন পায়। ফলে রাজনীতিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতায় ফারুক চৌধুরীদের মতো নেতৃত্বকে হারানো যায় না, তারা যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছেই বড় সম্পদ, তবে দল, নেতা, নেতৃত্ব সর্বপোরী নিজের অবস্থান ধরে রেখে দলের আগাছা-পরগাছা ছুড়ে ফেলে দলের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে কখানে কখানো তারা হেরে গিয়ে বিজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে। তাদের এই হারে পরাজয়ের গ্লানি নয় থাকে বিজয়ীর উল্লাস রাজনীতি সব সময় বিজয়ী নয় হেরে গিয়ে বিজয়ের স্বাদ নিতে হয়। তাই ফারুক চৌধুরীদের মতো নেতৃত্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতার নামে বিরোধ নয় তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে চলতে এবং তাদের কাছে থেকে শিখতে হয় ঠান্ডা-শিতল ঘরের রাজনৈতিক কলাকৌশল। আর যাদের এসব বোঝার ক্ষমতা নাই তারাই রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়ে অতল গহবরে হারিয়ে যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশে এখন মাঠে-ঘাটে বগী আওয়াজ দিয়ে বা ভাড়া করা লোক দিয়ে সমাবেশ করে রাজনীতি হয় না ,এখন ঠান্ডা-শিতল ঘরে বসে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে ও টেলিভিশনের পর্দায় ফর্মুলাওয়ান ওযান দেখতে দেখতে রাজনীতি হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনে এমপি ফারুক চৌধুরীর পুনঃরায় সভাপতি হবার সুযোগ থাকলেও তিনি সভাপতি না হয়ে তার অনুগতদের সভাপতি-সম্পাদক করে তার প্রতিপক্ষদের আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলে তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন, এবং তিনিই একমাত্র নেতা যিনি নিজেই দলের সভাপতির কাছে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। যেখানে দলের একটি পদের জন্য অন্যরা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে,সেখানে এমপি ফারুক এমনই নেতা যিনি জেলার সভাপতির পদ স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিতে পারেন। অথচ তার বিরোধী একশ্রেনীর রাজনৈতিক বেকুব এমপি ফারুকে হারিয়েছেন ভেবে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে পরক্ষনেই ভুল ভাঙ্গলে সেই ঢেঁকুর আর গিলতে পারছে না। রাজশাহী-১ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখানো এমপি ফারুকের তেমন কোনো বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, রাজশাহী-১ আসন ছিল বিএনপি-জামায়াতের আঁতুড় ঘর, আর প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের হেভিওয়েট নেতা। ফলে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক মহলও কখানো কল্পনা করেনি ব্যারিষ্টার আমিনুলকে হারিয়ে এখানে আওয়ামী লীগের কেউ এমপি হবে। কিন্ত্ত এমপি ফারুক চৌধুরী তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতায় ব্যারিষ্টার আমিনুলের মতো হেভিওয়েট নেতৃত্বকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, করেছেন আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত, বিএনপি-জমায়াতের আঁতুড় ঘর তছনছ করে আওয়ামী লীগের বসত ঘরে পরিনত করেছেন। এমপি ফারুক চৌধুরীর আওয়ামী লীগে আশার আগে ও পরের অবস্থান বিশ্লেষণ করলেই স্পষ্ট হবে তিনি আওয়ামী লীগের কাছে কত বড় সম্পদ, এটা জানার জন্য রাজনৈতিক বিশ্লষক হবার প্রয়োজন নাই।