এখন ০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নাসিকের সীমানা সম্প্রসারণ: কুতুবপুরসহ চার ইউনিয়নের এলাকা যুক্তের প্রস্তাব, আপত্তি জানাতে ৩০ দিন সময়

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সীমানা সম্প্রসারণের উদ্যোগ, আপত্তি জানাতে ৩০ দিন সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সীমানা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মধ্যে একটি ইউনিয়নের সম্পূর্ণ এলাকা এবং তিনটি ইউনিয়নের আংশিক এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় আনার প্রস্তাব প্রকাশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের মতামত, আপত্তি কিংবা পরামর্শ আহ্বান করেছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সীমানা নিয়ে কারও কোনো আপত্তি থাকলে তা আগামী ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময় শেষে প্রাপ্ত আপত্তিগুলোর ওপর শুনানির আয়োজন করা হবে এবং শুনানি শেষে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ এলাকা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ফতুল্লা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ অংশ এবং ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আংশিক এলাকা সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।
অন্যদিকে কাশীপুর ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ অংশ এবং এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাংশ নাসিকের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করা, নাগরিক সেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এই সীমানা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলোতে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা যেমন—সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক স্ট্রিট লাইট, পানি সরবরাহ ও অন্যান্য নগর সেবা সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে একই সঙ্গে হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, নির্মাণ অনুমোদনসহ সিটি করপোরেশনের বিধিবিধানও এসব এলাকায় কার্যকর হবে।
এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে আপত্তি ও পরামর্শ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত আপত্তি দাখিলের পর শুনানির মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নাসিকের সীমানা সম্প্রসারণ: কুতুবপুরসহ চার ইউনিয়নের এলাকা যুক্তের প্রস্তাব, আপত্তি জানাতে ৩০ দিন সময়

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সীমানা সম্প্রসারণের উদ্যোগ, আপত্তি জানাতে ৩০ দিন সময়

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সীমানা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মধ্যে একটি ইউনিয়নের সম্পূর্ণ এলাকা এবং তিনটি ইউনিয়নের আংশিক এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় আনার প্রস্তাব প্রকাশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের মতামত, আপত্তি কিংবা পরামর্শ আহ্বান করেছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সীমানা নিয়ে কারও কোনো আপত্তি থাকলে তা আগামী ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময় শেষে প্রাপ্ত আপত্তিগুলোর ওপর শুনানির আয়োজন করা হবে এবং শুনানি শেষে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ এলাকা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ফতুল্লা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ অংশ এবং ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আংশিক এলাকা সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।
অন্যদিকে কাশীপুর ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ অংশ এবং এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাংশ নাসিকের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করা, নাগরিক সেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এই সীমানা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলোতে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা যেমন—সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক স্ট্রিট লাইট, পানি সরবরাহ ও অন্যান্য নগর সেবা সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে একই সঙ্গে হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, নির্মাণ অনুমোদনসহ সিটি করপোরেশনের বিধিবিধানও এসব এলাকায় কার্যকর হবে।
এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে আপত্তি ও পরামর্শ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত আপত্তি দাখিলের পর শুনানির মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।