এখন ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নদীভাঙন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে পাউবোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

গরীবের মুখে হাসি ফোটাতে তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে তিন মন্ত্রী, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশায় স্থানীয়রা

  • রিয়াজুল হক সাগর
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৬৬২ পড়া হয়েছে

রংপুর প্রতিনিধিঃ তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে দেশের অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করেছেন বর্তমান সরকারের তিন শীর্ষ নীতিনির্ধারক। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে ব্যারাজ এলাকায় পৌঁছান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি।
সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী প্রথমে তিস্তা ব্যারাজ এবং এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে তারা তিস্তা অবসর হলরুমে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
সভায় তিস্তা অববাহিকার দীর্ঘদিনের নদীভাঙন, টেকসই বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নদীশাসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বহুল আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিকও পর্যালোচনা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তিস্তার ভয়াবহ নদীভাঙনে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। হাজার হাজার একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয় এবং সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে নদীশাসন ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দারা সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের সফরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর সমাধান আসবে। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং উত্তরাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু নদীভাঙন রোধই নয়, হাজারো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জীবন-জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং উত্তরাঞ্চলের মানুষের মুখে ফিরবে স্বস্তির হাসি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

নদীভাঙন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে পাউবোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

গরীবের মুখে হাসি ফোটাতে তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে তিন মন্ত্রী, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশায় স্থানীয়রা

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

রংপুর প্রতিনিধিঃ তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে দেশের অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করেছেন বর্তমান সরকারের তিন শীর্ষ নীতিনির্ধারক। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে ব্যারাজ এলাকায় পৌঁছান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি।
সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী প্রথমে তিস্তা ব্যারাজ এবং এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে তারা তিস্তা অবসর হলরুমে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
সভায় তিস্তা অববাহিকার দীর্ঘদিনের নদীভাঙন, টেকসই বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নদীশাসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বহুল আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিকও পর্যালোচনা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তিস্তার ভয়াবহ নদীভাঙনে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। হাজার হাজার একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয় এবং সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে নদীশাসন ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দারা সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের সফরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর সমাধান আসবে। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং উত্তরাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু নদীভাঙন রোধই নয়, হাজারো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জীবন-জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং উত্তরাঞ্চলের মানুষের মুখে ফিরবে স্বস্তির হাসি।