
স্টাফ রিপোর্টারঃ সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা এবং উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। পরিবার ও হাসপাতাল সূত্র তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবেও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং দলের শীর্ষ পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।
জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ পথচলায় ভোলা-১ আসন থেকে একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলী ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই প্রবীণ নেতা।
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং তাঁর অনুসারীরা গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতি একজন অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী নেতাকে হারালো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
















