
স্টাফ রিপোর্টারঃ বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদকে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মালিবাগের বাসা থেকে ডিবির একটি বিশেষ টিম তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসে।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন,
“শওকত মাহমুদ বর্তমানে ডিবি হেফাজতে আছেন। বিকেলে তার মালিবাগের বাসা থেকে ডিবির একটি টিম তাকে নিয়ে এসেছে। তাকে কোনো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না—এ বিষয়ে এখনো আমার কাছে তথ্য নেই।”
গ্রেপ্তার না হেফাজত? অস্পষ্ট অবস্থান
ডিবির পক্ষ থেকে তাকে কেন নেওয়া হয়েছে বা জিজ্ঞাসাবাদের কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফলে বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিএনপি নেতাদের দাবি, সরকারের রাজনৈতিক হয়রানির অংশ হিসেবেই তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে সরকারি সূত্রগুলো এ অভিযোগ অস্বীকার করছে।
ডিবি কার্যালয়ে বাড়তি নিরাপত্তা
শওকত মাহমুদকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার পর ভবন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গণমাধ্যম কর্মীরা তাকে সরাসরি দেখা বা কথা বলার সুযোগ পাননি।
দলের নিন্দা ও উদ্বেগ
বিএনপি নেতারা ঘটনাটিকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করে দ্রুত আইনি অবস্থান পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন।
এক সিনিয়র নেতা বলেন,
“হঠাৎ করে বাসা থেকে একজন সিনিয়র নেতাকে নিয়ে যাওয়া—এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ডিবির উচিত বিস্তারিত জানানো।”
পরবর্তী পদক্ষেপ কী?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, চলমান তদন্ত বা নতুন মামলার তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনা চলছে। তার পরিবারও আনুষ্ঠানিক তথ্য না পাওয়ায় উদ্বিগ্ন রয়েছে।
















