গত ৭ই মার্চ এক ইফতার বিতরন কর্মমূচীর মধ্য দিয়ে এই ঘোষনা দিয়েছেন উক্ত ওয়ার্ডের জনপ্রিয় ও অসহায় দুঃখী মানুষের অতি নিকটতম এই প্রবাসী নেতা। সংবাদমাধমকে দেয়া সাক্ষাতে মোশাররফ হক বাপ্পী জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর থেকে তিনি তার এলাকার মানুষের নানা দুঃসহ পরিস্থিতি অনুধাবন করে আসছেন।তবে নির্বাচন ব্যাবস্থার নানা অসচ্ছতা বিবেচনা করে তিনি আগ্রহী হননি নির্বাচনের বিষয়ে।তিনি বলেন,বর্তমানে তার এলাকার মানুষের দুর্দশা তিনি আর দেখতে পারছেননা।আর তাই জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রবাস ছেড়ে দেশেই স্থায়ী হতে চান তিনি।এবং তার আশেপাশের আসহায়দের পাশে থাকতে চান।
এদিকে ১০ নং ওয়ার্ডের সাধারন জনগনের সাথে আলাপকালে জানা যায়, মোশাররফ হক বাপ্পী ১০ নং ওয়ার্ডের গোদনাইল আরামবাগের ঐতি সরদার বাড়ির চান সরদারের বড় দৌহিত্র। তারা জানান,উক্ত অঞ্চলের সার্বিক নেতৃত্যে সরদার বাড়ির ভূমিকা ছিলো অপরীসীম।যা এলাকা বাসীর দৈনন্দিন জিবনকে সহজ করে তুলেছে বছরের পর বছর যাবৎ।তাদের মতে সরদার বাড়ির সরদার চান মিয়া সরদার থেকে শুরু করে সাবেক কাউন্সিলর বাদশা সরদার, প্রার্থী জিয়দুল,তথা প্রয়াত সমাজ সেবক ও আইনজীবী ড. কামরুজ্জামান বুলেট, যে যে দলই করুকনা কেন সবসময় ছিলো আসহায় মানুষের পাশে,যার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলছেন বর্তমানে মোশাররফ হক বাপ্পী। এলাকার বাসীন্দাদের ভাষ্যমতে প্রবাসী মোশাররফ হক বাপ্পী প্রবাসে থাকা সত্তেও নানা সময়ে এলাকার সকল মানুষকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য ও উপকার করে আসছে,যা সম্পূর্ন গোপনে ও নিষ্ঠার সাথে। এলাকার গরীব অসহায়দের মতে বাপ্পীর মত একজন সৎ শিক্ষিত ও পরোপোকারি কেউ নির্বাচনে আসলে জনগন তাকে খুব ভালো ভাবেই বরন করে নিবে।তাই তাদের দাবি মোশাররফ হক বাপ্পী যেন নির্বাচন করেন।
উল্লেক্ষ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর অন্তরবর্তী সরকার দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র কাউন্সিলরদেন বিলুপ্ত ঘোষনা করে।বর্তমানে জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর ফলস্বরুপ ইতিমধ্যে প্রার্থীদের নানান কার্যক্রমও চোখে পড়েছে।
















