এখন ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যা দুর্গতদের জন্য খরচের হিসাব দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাইখ আহমাদুল্লাহ বন্যার্তদের জন্য ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ খরচের কথা জানান। সেখানে ৩১ কোটি ৬১ লাখ ৬১ হাজার ২২৫ টাকার ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসনের প্রথম ধাপে খাদ্যসামগ্রীসহ নানাবিধ ত্রাণসামগ্রী ক্রয়ের কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। বিতরণও সম্পন্ন হয়েছে অর্ধেকের বেশি। তারই বিস্তারিত খরচের হিসাব এখানে দেওয়া হলো।

শনিবার থেকে শুরু হবে পুনর্বাসনের যাচাই বাছাইয়ের পর্ব। এ কার্যক্রম চলবে কয়েকমাস ধরে। পুনর্বাসনের প্রতিটি ধাপ শেষে এর বিস্তারিত হিসাব দেওয়া হবে। আর বছর শেষে অডিট তো থাকছেই।

আনন্দের বিষয় হলো, আমাদের ত্রাণ কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা খরচ ১ শতাংশেরও কম, সেবামূলক কাজের ইতিহাসে যা আমাদের জানা মতে এক বিরল ঘটনা।’

শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, বন্যা দুর্গত অঞ্চলে এখনও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান আছে। সেখানকার ত্রাণ পরিবহন, স্বেচ্ছাসেবকদের থাকা-খাওয়া, যাতায়াত এবং ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবকদের খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদির হিসাব প্রকাশিত তালিকায় সংযুক্ত হয়নি। চূড়ান্ত হিসাবে সেসবও যুক্ত করা হবে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

বন্যা দুর্গতদের জন্য খরচের হিসাব দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাইখ আহমাদুল্লাহ বন্যার্তদের জন্য ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ খরচের কথা জানান। সেখানে ৩১ কোটি ৬১ লাখ ৬১ হাজার ২২৫ টাকার ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসনের প্রথম ধাপে খাদ্যসামগ্রীসহ নানাবিধ ত্রাণসামগ্রী ক্রয়ের কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। বিতরণও সম্পন্ন হয়েছে অর্ধেকের বেশি। তারই বিস্তারিত খরচের হিসাব এখানে দেওয়া হলো।

শনিবার থেকে শুরু হবে পুনর্বাসনের যাচাই বাছাইয়ের পর্ব। এ কার্যক্রম চলবে কয়েকমাস ধরে। পুনর্বাসনের প্রতিটি ধাপ শেষে এর বিস্তারিত হিসাব দেওয়া হবে। আর বছর শেষে অডিট তো থাকছেই।

আনন্দের বিষয় হলো, আমাদের ত্রাণ কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা খরচ ১ শতাংশেরও কম, সেবামূলক কাজের ইতিহাসে যা আমাদের জানা মতে এক বিরল ঘটনা।’

শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, বন্যা দুর্গত অঞ্চলে এখনও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান আছে। সেখানকার ত্রাণ পরিবহন, স্বেচ্ছাসেবকদের থাকা-খাওয়া, যাতায়াত এবং ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবকদের খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদির হিসাব প্রকাশিত তালিকায় সংযুক্ত হয়নি। চূড়ান্ত হিসাবে সেসবও যুক্ত করা হবে।