এখন ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠিতে ভাঙচুর ও লুটপাটকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি পৌরসভার কাউন্সিলর মোহাম্মদ কামাল শরীফের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও  লুটপাটকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
গত৫ আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিকেল চারটা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী লুটপাট চালায় কামাল শরীফের মালিকানাধীন এমটি সুজ, এমটি বিল্ডার্স, এগ্রো ফার্ম, ফ্লাওয়ার এন্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ অফিসের কার্যালয়ে। এমনকি জনকল্যাণে প্রতিষ্ঠিত পাঠাগার ও ক্রীড়া সংস্থার অফিসটিও  বাদ যায়নি। দখল করা হয় কাপরিয়া পট্টির তিনটি দোকানঘর।যাতে এলাকার সাধারণ মানুষ ক্ষুব্দ।

জানা গেছে, এই ভাঙচুর ও লুটতরাজে অংশগ্রহণ করে পালবাড়ির আব্দুর রহমান আহাদ, সোহেল হাওলাদার, আনোয়ার মীর, আবুল সালেক, রাসেল হাওলাদার, রিয়াজ হাওলাদার, ঝালাইকার বাড়ির রুবেল ডাকুয়া বাসার সোহান ডাকুয়া, কৃষানকাঠির সাঈদ, ডাক্তার পট্টির সাইদুর রহমান সজীব, পশ্চিম ঝালকাঠির রাসেল খান, রিফাত ডাকুয়া, মাহবুব খলিফা, রফিকুল ইসলাম রিপন, আরিফ হাওলাদার প্রমুখ সন্ত্রাসীরা।

কামাল শরীফের মালিকানাধীন লুটপাটকৃত এসব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ মূলধন ব্যাংকের ঋণে প্রতিষ্ঠিত। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকারের নীতি নির্ধারকদের নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ঝালকাঠিতে ভাঙচুর ও লুটপাটকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি পৌরসভার কাউন্সিলর মোহাম্মদ কামাল শরীফের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও  লুটপাটকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
গত৫ আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিকেল চারটা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী লুটপাট চালায় কামাল শরীফের মালিকানাধীন এমটি সুজ, এমটি বিল্ডার্স, এগ্রো ফার্ম, ফ্লাওয়ার এন্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ অফিসের কার্যালয়ে। এমনকি জনকল্যাণে প্রতিষ্ঠিত পাঠাগার ও ক্রীড়া সংস্থার অফিসটিও  বাদ যায়নি। দখল করা হয় কাপরিয়া পট্টির তিনটি দোকানঘর।যাতে এলাকার সাধারণ মানুষ ক্ষুব্দ।

জানা গেছে, এই ভাঙচুর ও লুটতরাজে অংশগ্রহণ করে পালবাড়ির আব্দুর রহমান আহাদ, সোহেল হাওলাদার, আনোয়ার মীর, আবুল সালেক, রাসেল হাওলাদার, রিয়াজ হাওলাদার, ঝালাইকার বাড়ির রুবেল ডাকুয়া বাসার সোহান ডাকুয়া, কৃষানকাঠির সাঈদ, ডাক্তার পট্টির সাইদুর রহমান সজীব, পশ্চিম ঝালকাঠির রাসেল খান, রিফাত ডাকুয়া, মাহবুব খলিফা, রফিকুল ইসলাম রিপন, আরিফ হাওলাদার প্রমুখ সন্ত্রাসীরা।

কামাল শরীফের মালিকানাধীন লুটপাটকৃত এসব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ মূলধন ব্যাংকের ঋণে প্রতিষ্ঠিত। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকারের নীতি নির্ধারকদের নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।