এখন ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাঙ্গলকোটের বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ৪৭ টি প্রজেক্টের মাছ বন্যায় ভেসে গেছে

বিশেষ সংবাদদাতাঃ কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরশহরের বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ছোট বড় ৪৭ টি প্রজেক্টের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সম্প্রতি বন্যায় জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। খামারের মালিক আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান বলেন আমি দীর্ঘ ৪০ বছর যাবত কষ্ট করে বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার টি প্রতিষ্ঠিত করেছি। কিন্তু এবারের প্রাকৃতিক বন্যায় আমার প্রজেক্টর সকল প্রজাতির সম্পুর্ন মাছ পানিতে ভেসে গিয়ে আমাকে সর্বস্বান্ত করে দিয়েছে। খামারটির পরিচালক আবুল খায়ের বাবুল বলেন, আমি আমার আব্বার সাথে খামারের সকল কাজে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে আসছি এমতাবস্থায় আমাদের খামারের আওতায় ছোট বড় পুকুর মিলে ৪৭ টি মৎস্য প্রজেক্ট  রয়েছে। কিন্তু এবারের বন্যায় আমাদের সব প্রজেক্টের মাছ জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়েছে।এতে করে আমাদের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিন কোটি টাকার উর্দে হবে।প্রজেক্ট গুলো চালাতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত প্রায় দুই কোটি টাকার লোন নিয়েছি। এ সমস্ত অবস্থায় আমরা কিভাবে এ লোনগুলো পরিশোধ করব বুঝতে পারছি না। এমত অবস্থায় আমরা  সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যে আমাদেরকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি আরো জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া আক্তার লাকি কে অবহিত করলে তিনি জানান যে, সরকারের পক্ষ হতে যখন তালিকা চাওয়া হবে তখন আমরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার মাধ্যমে বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ  উৎপাদন খামারের নামটি ও ক্ষতিপূরণ তালিকায় দেব।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

নাঙ্গলকোটের বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ৪৭ টি প্রজেক্টের মাছ বন্যায় ভেসে গেছে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪

বিশেষ সংবাদদাতাঃ কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরশহরের বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ছোট বড় ৪৭ টি প্রজেক্টের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সম্প্রতি বন্যায় জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। খামারের মালিক আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান বলেন আমি দীর্ঘ ৪০ বছর যাবত কষ্ট করে বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার টি প্রতিষ্ঠিত করেছি। কিন্তু এবারের প্রাকৃতিক বন্যায় আমার প্রজেক্টর সকল প্রজাতির সম্পুর্ন মাছ পানিতে ভেসে গিয়ে আমাকে সর্বস্বান্ত করে দিয়েছে। খামারটির পরিচালক আবুল খায়ের বাবুল বলেন, আমি আমার আব্বার সাথে খামারের সকল কাজে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে আসছি এমতাবস্থায় আমাদের খামারের আওতায় ছোট বড় পুকুর মিলে ৪৭ টি মৎস্য প্রজেক্ট  রয়েছে। কিন্তু এবারের বন্যায় আমাদের সব প্রজেক্টের মাছ জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়েছে।এতে করে আমাদের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিন কোটি টাকার উর্দে হবে।প্রজেক্ট গুলো চালাতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত প্রায় দুই কোটি টাকার লোন নিয়েছি। এ সমস্ত অবস্থায় আমরা কিভাবে এ লোনগুলো পরিশোধ করব বুঝতে পারছি না। এমত অবস্থায় আমরা  সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যে আমাদেরকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি আরো জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া আক্তার লাকি কে অবহিত করলে তিনি জানান যে, সরকারের পক্ষ হতে যখন তালিকা চাওয়া হবে তখন আমরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার মাধ্যমে বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ  উৎপাদন খামারের নামটি ও ক্ষতিপূরণ তালিকায় দেব।