এখন ০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে আসছেন ড. ইউনূস

রিযাজুল হক সাগর, রংপুরঃ শপথ গ্রহণের একদিন পরই কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের বাড়িতে যাবেন অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূস শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে পীরগঞ্জের বাবনপুর গ্রামে আসবেন। তিনি আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করে তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবু সাঈদের কথা স্মরণ করে কান্না করেন। তিনি বলেন, এই সময়ে আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের ছবি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এটা কেউ ভুলতে পারবে না। কী অবিশ্বাস্য একটা সাহসী যুবক! বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এবং তার পর থেকে আর কোনো তরুণ-তরুণী হার মানেনি। সামনে এগিয়ে গেছে এবং বলেছে, যত গুলি মারো-মারতে পারো। আমরা আছি। উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আবু সাঈদ। গত ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। পরদিন ১৭ জুলাই তাকে পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুর গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

রংপুরে আসছেন ড. ইউনূস

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০২৪

রিযাজুল হক সাগর, রংপুরঃ শপথ গ্রহণের একদিন পরই কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের বাড়িতে যাবেন অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূস শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে পীরগঞ্জের বাবনপুর গ্রামে আসবেন। তিনি আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করে তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবু সাঈদের কথা স্মরণ করে কান্না করেন। তিনি বলেন, এই সময়ে আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের ছবি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এটা কেউ ভুলতে পারবে না। কী অবিশ্বাস্য একটা সাহসী যুবক! বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এবং তার পর থেকে আর কোনো তরুণ-তরুণী হার মানেনি। সামনে এগিয়ে গেছে এবং বলেছে, যত গুলি মারো-মারতে পারো। আমরা আছি। উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আবু সাঈদ। গত ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। পরদিন ১৭ জুলাই তাকে পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুর গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।