এখন ০৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ মাসের ছুটি নিয়ে ১ বছর বিদেশে শিক্ষিকা

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৭৯ পূর্ব লামনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪১ ছাত্র-ছাত্রীর জন্য শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৬ জন। শিক্ষক স্বল্পতায় পাঠদানে হিমশিম খাওয়ার বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষিকা শারমিন আক্তার লিজার প্রবাসে অবস্থান যেন গোঁদের ওপর বিষফোঁড়া ।
৩০ দিনের ছুটি নিয়ে বিদেশ ভ্রমণে যান গলাচিপা উপজেলার ৭৯ পূর্ব লামনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শারমিন আক্তার লিজা। কিন্তু বর্ধিত সেই ছুটি শেষ হয়ে এক বছর পার হলেও এখনও বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি তিনি।
সূত্র আরও জানায়, শারমিন আক্তার লিজার চাকরি এখনো বহাল আছে। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসকে অবগত করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক । এতে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান অভিভাবক ও শিক্ষকরা। এ ব্যাপারে ৭৯ পূর্ব লমনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোসাঃ হেলেনা বেগম বলেন, এক মাসের ছুটি নিয়ে গেছেন কিন্তু এখন এক বছর হয়ে গেল তার কোন খোঁজ খবর নাই। প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্যারকে একাধিক বার জানানো হয়েছে তারা ব্যবস্থা নিবে বলেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মীর রেজাউল ইসলাম বলেন, আমি ডি পি ই ও স্যারকে ছয় মাসের সময় জানিয়েছি এবং এক বছর পরেও জানিয়েছি। কোন ব্যবস্থা নিছে কিনা আমি জানিনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

১ মাসের ছুটি নিয়ে ১ বছর বিদেশে শিক্ষিকা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৭৯ পূর্ব লামনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪১ ছাত্র-ছাত্রীর জন্য শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৬ জন। শিক্ষক স্বল্পতায় পাঠদানে হিমশিম খাওয়ার বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষিকা শারমিন আক্তার লিজার প্রবাসে অবস্থান যেন গোঁদের ওপর বিষফোঁড়া ।
৩০ দিনের ছুটি নিয়ে বিদেশ ভ্রমণে যান গলাচিপা উপজেলার ৭৯ পূর্ব লামনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শারমিন আক্তার লিজা। কিন্তু বর্ধিত সেই ছুটি শেষ হয়ে এক বছর পার হলেও এখনও বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি তিনি।
সূত্র আরও জানায়, শারমিন আক্তার লিজার চাকরি এখনো বহাল আছে। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসকে অবগত করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক । এতে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান অভিভাবক ও শিক্ষকরা। এ ব্যাপারে ৭৯ পূর্ব লমনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোসাঃ হেলেনা বেগম বলেন, এক মাসের ছুটি নিয়ে গেছেন কিন্তু এখন এক বছর হয়ে গেল তার কোন খোঁজ খবর নাই। প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্যারকে একাধিক বার জানানো হয়েছে তারা ব্যবস্থা নিবে বলেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মীর রেজাউল ইসলাম বলেন, আমি ডি পি ই ও স্যারকে ছয় মাসের সময় জানিয়েছি এবং এক বছর পরেও জানিয়েছি। কোন ব্যবস্থা নিছে কিনা আমি জানিনা।