এখন ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরের ৪ শিক্ষকের সনদ জাল

রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহী মহানগর ও ৯ উপজেলায় মোট ৪২ জন শিক্ষক জাল সনদে শিক্ষকতা করছেন বলে শিক্ষা বিভাগের পরিদর্শন ও নিরীক্ষার (ডিআইএ) প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এদের মধ্যে তানোর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪ জন শিক্ষক রয়েছে। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকগণ বলেন, যারা নিজেরাই প্রতারক বা জালিয়াত তারা কি শিক্ষা দিবেন। এদের দৃশ্যমান কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে অন্যরা ভয় পায় ও নিরুৎসাহিত হয়। নইলে অন্যরাও উৎসাহিত হবে।
জানা গেছে, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি নেয়া শিক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রাজশাহীর ৪২ শিক্ষকের মধ্যে তানোরের ৪ জন শিক্ষকের নাম রয়েছে। ডিআইএ বলছে, এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধি অভিযান। যা চলমান রয়েছে। জাল সনদে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের চাকরিচ্যুত, সরকারি কোষাগার থেকে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরতসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এদিকে জাল সনদে চাকরি নেয়া শিক্ষকদের চিহ্নিত করে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্ত্ত তাদের চাকরি দিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতিগণ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে বিলাস জীবন অতিবাহিত করছেন তারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে। সচেতন মহলের ভাষ্য, আগে তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। কারণ তারা জেনেবুঝে জাল সনদে চকরি দিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে একটি পরিবার ধ্বংস ও সরকারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
তানোর উপজেলায় ৪ জন। এরা হলেন, চাঁন্দুড়িয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোস্তাফিজুর রহমান। অর্থ দন্ড বা
টাকা ফেরত ১৪ লাখ ৯ হাজার ২৩৭ টাকা। কলমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক
আলমগীর কবির, (শরীরচর্চা)-অর্থদণ্ড ৫ লাখ ৫২ হাজার ৯০ টাকা, কোয়েল আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক কামাল উদ্দিন, (প্রদর্শক শারীরিক)-অর্থদণ্ড ৭ লাখ ৬ হাজার ৬০০ টাকা ও নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক
নবীউল ইসলাম (কৃষি)-অর্থদণ্ড ২ লাখ ২৫ হাজার ৮৫৫ টাকা। এবিষয়ে নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী বলেন, সহকারী শিক্ষক নবীউলের সনদ জাল ঠিক আছে, কিন্ত্ত তাদের কাছে এবিষয়ে এখানো কোনো চিঠি আসেনি, তাই নবীউলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। এবিষয়ে চাঁদপুর দাখিল মাদরাসার সুপার বেলাল উদ্দিন বলেন, তালিকা প্রকাশের পর সহকারী শিক্ষক রয়নাকে মাদরাসায় আসতে মৌখিক ভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরের ৪ শিক্ষকের সনদ জাল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০২২

রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহী মহানগর ও ৯ উপজেলায় মোট ৪২ জন শিক্ষক জাল সনদে শিক্ষকতা করছেন বলে শিক্ষা বিভাগের পরিদর্শন ও নিরীক্ষার (ডিআইএ) প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এদের মধ্যে তানোর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪ জন শিক্ষক রয়েছে। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকগণ বলেন, যারা নিজেরাই প্রতারক বা জালিয়াত তারা কি শিক্ষা দিবেন। এদের দৃশ্যমান কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে অন্যরা ভয় পায় ও নিরুৎসাহিত হয়। নইলে অন্যরাও উৎসাহিত হবে।
জানা গেছে, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি নেয়া শিক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রাজশাহীর ৪২ শিক্ষকের মধ্যে তানোরের ৪ জন শিক্ষকের নাম রয়েছে। ডিআইএ বলছে, এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধি অভিযান। যা চলমান রয়েছে। জাল সনদে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের চাকরিচ্যুত, সরকারি কোষাগার থেকে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরতসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এদিকে জাল সনদে চাকরি নেয়া শিক্ষকদের চিহ্নিত করে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্ত্ত তাদের চাকরি দিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতিগণ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে বিলাস জীবন অতিবাহিত করছেন তারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে। সচেতন মহলের ভাষ্য, আগে তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। কারণ তারা জেনেবুঝে জাল সনদে চকরি দিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে একটি পরিবার ধ্বংস ও সরকারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
তানোর উপজেলায় ৪ জন। এরা হলেন, চাঁন্দুড়িয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোস্তাফিজুর রহমান। অর্থ দন্ড বা
টাকা ফেরত ১৪ লাখ ৯ হাজার ২৩৭ টাকা। কলমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক
আলমগীর কবির, (শরীরচর্চা)-অর্থদণ্ড ৫ লাখ ৫২ হাজার ৯০ টাকা, কোয়েল আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক কামাল উদ্দিন, (প্রদর্শক শারীরিক)-অর্থদণ্ড ৭ লাখ ৬ হাজার ৬০০ টাকা ও নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক
নবীউল ইসলাম (কৃষি)-অর্থদণ্ড ২ লাখ ২৫ হাজার ৮৫৫ টাকা। এবিষয়ে নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী বলেন, সহকারী শিক্ষক নবীউলের সনদ জাল ঠিক আছে, কিন্ত্ত তাদের কাছে এবিষয়ে এখানো কোনো চিঠি আসেনি, তাই নবীউলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। এবিষয়ে চাঁদপুর দাখিল মাদরাসার সুপার বেলাল উদ্দিন বলেন, তালিকা প্রকাশের পর সহকারী শিক্ষক রয়নাকে মাদরাসায় আসতে মৌখিক ভাবে নিষেধ করা হয়েছে।