এখন ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে
চ্যালেঞ্জের মূখে আকতার

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের বাকি মাত্র এক সপ্তাহ। ইতমধ্যে এ নির্বাচন নিয়ে অফিসপাড়া ও চা-স্টল থেকে শুরু করে বাড়ির অভ্যন্তরসহ সর্বস্তরেই চলছে তুমুল আলোচনা। প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে করছেন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ। মহানগরী এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রার্থীদের পোস্টার আর ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। সব মিলিয়ে জমে উঠেছে এই নির্বাচন। স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালকে (কাপ-পিরিচ) বিজয়ী করতে আওয়ামী লীগ একট্টা। ফলে মহানগর ,জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এমনকি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। এতে একদিকে যেমন ইকবালের জনসমর্থন বাড়ছে, তেমনি অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আকতার (মোটরসাইকেল) অনেকটা একা হয়ে পড়ছে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল কোনো নেতাকর্মী তার সঙ্গে নাই। এক সময় যারা ছিল, তারাও দলের প্রেস্টিজ ইস্যুতে মূখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে আকতারের নির্বাচনে প্রতিদন্দিতা করা কঠিন চ্যালেঞ্জের মূখে পড়েছে। ইতমধ্যে জেলার দুর্গাপুর, মোহনপুর,তানোরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণায় গিয়ে নিজ দলের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছে আকতার বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। ভোটারদের অভিমত, যিনি দলের সিদ্ধান্ত মানেন না তাকে বিজয়ী করা মানে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার সামিল।
জানা গেছে, শেষ মূহুর্তে দলের প্রেষ্টিজ ইস্যুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালের পক্ষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দিনরাত তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। উপজেলা, জেলা এবং মহানগরীর ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। অতীতের সব ভেদাভেদ ভুলে দলের প্রার্থীকে জেতাতে নেতাকর্মীরা এখন একাট্টা।
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মীর ইকবাল ছাড়াও এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আকতার, স্বতন্ত্র প্রার্থী আফজাল হোসেন এবং আনোয়ার ইকবাল বাদল। তবে ভোটাররা বলছেন, চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মীর ইকবাল এবং আক্তারুজ্জামানের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
এদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মীর ইকবালের পক্ষে সক্রিয়ভাবে মাঠে নেমেছেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু,
অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন, আমানুল হক দুদু, সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাবলু, তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল বাসার সুজন,
মোস্তাফিজুর রহমান মানজাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ ও আলফোর রহমানসহ আওয়ামী লীগ সমর্থিত উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ।
এছাড়া রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষে মীর ইকবালের জন্য সার্বক্ষণিক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সহসভপাতি রেজাউল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লেমন, উপ দপ্তর সম্পাদক পংকজ দেসহ কমিটির নেতারা।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী মীর ইকবাল বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন উল্লেখ করে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার বলেন, মীর ইকবাল ৫৬ বছর থেকে রাজনীতি করছেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মীর ইকবালের রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর তিনি প্রতিকূল অবস্থায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের দুর্দিনের পরীক্ষিত সৈনিক। তিনি বলেন, মীর ইকবালকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে রাজশাহীর আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একাট্টা। সবাই দিনভর কাজ করছেন। নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলররা এ নির্বাচনের ভোটার। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এসব প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ। এ কারণে মীর ইকবালের জয় কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। তিনিই বিজয়ের মালা পরবেন ইনশাল্লাহ। আওয়ামী লীগ প্রার্থী মীর ইকবাল বলেন, দলের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, এজন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে রাজশাহী জেলা পরিষদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। এ জেলা পরিষদকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করব। আশা করছি, ভোটাররা আমাকে সমর্থন দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।
প্রসঙ্গত, রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ১৮৬ জন। আগামী ১৭ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেলার ৯টি কেন্দ্রে একযোগে এ ভোট গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে
চ্যালেঞ্জের মূখে আকতার

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:২৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের বাকি মাত্র এক সপ্তাহ। ইতমধ্যে এ নির্বাচন নিয়ে অফিসপাড়া ও চা-স্টল থেকে শুরু করে বাড়ির অভ্যন্তরসহ সর্বস্তরেই চলছে তুমুল আলোচনা। প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে করছেন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ। মহানগরী এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রার্থীদের পোস্টার আর ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। সব মিলিয়ে জমে উঠেছে এই নির্বাচন। স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালকে (কাপ-পিরিচ) বিজয়ী করতে আওয়ামী লীগ একট্টা। ফলে মহানগর ,জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এমনকি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। এতে একদিকে যেমন ইকবালের জনসমর্থন বাড়ছে, তেমনি অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আকতার (মোটরসাইকেল) অনেকটা একা হয়ে পড়ছে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল কোনো নেতাকর্মী তার সঙ্গে নাই। এক সময় যারা ছিল, তারাও দলের প্রেস্টিজ ইস্যুতে মূখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে আকতারের নির্বাচনে প্রতিদন্দিতা করা কঠিন চ্যালেঞ্জের মূখে পড়েছে। ইতমধ্যে জেলার দুর্গাপুর, মোহনপুর,তানোরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণায় গিয়ে নিজ দলের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছে আকতার বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। ভোটারদের অভিমত, যিনি দলের সিদ্ধান্ত মানেন না তাকে বিজয়ী করা মানে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার সামিল।
জানা গেছে, শেষ মূহুর্তে দলের প্রেষ্টিজ ইস্যুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালের পক্ষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দিনরাত তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। উপজেলা, জেলা এবং মহানগরীর ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। অতীতের সব ভেদাভেদ ভুলে দলের প্রার্থীকে জেতাতে নেতাকর্মীরা এখন একাট্টা।
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মীর ইকবাল ছাড়াও এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আকতার, স্বতন্ত্র প্রার্থী আফজাল হোসেন এবং আনোয়ার ইকবাল বাদল। তবে ভোটাররা বলছেন, চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মীর ইকবাল এবং আক্তারুজ্জামানের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
এদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মীর ইকবালের পক্ষে সক্রিয়ভাবে মাঠে নেমেছেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু,
অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন, আমানুল হক দুদু, সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাবলু, তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল বাসার সুজন,
মোস্তাফিজুর রহমান মানজাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ ও আলফোর রহমানসহ আওয়ামী লীগ সমর্থিত উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ।
এছাড়া রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষে মীর ইকবালের জন্য সার্বক্ষণিক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সহসভপাতি রেজাউল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লেমন, উপ দপ্তর সম্পাদক পংকজ দেসহ কমিটির নেতারা।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী মীর ইকবাল বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন উল্লেখ করে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার বলেন, মীর ইকবাল ৫৬ বছর থেকে রাজনীতি করছেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মীর ইকবালের রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর তিনি প্রতিকূল অবস্থায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের দুর্দিনের পরীক্ষিত সৈনিক। তিনি বলেন, মীর ইকবালকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে রাজশাহীর আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একাট্টা। সবাই দিনভর কাজ করছেন। নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলররা এ নির্বাচনের ভোটার। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এসব প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ। এ কারণে মীর ইকবালের জয় কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। তিনিই বিজয়ের মালা পরবেন ইনশাল্লাহ। আওয়ামী লীগ প্রার্থী মীর ইকবাল বলেন, দলের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, এজন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে রাজশাহী জেলা পরিষদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। এ জেলা পরিষদকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করব। আশা করছি, ভোটাররা আমাকে সমর্থন দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।
প্রসঙ্গত, রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ১৮৬ জন। আগামী ১৭ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেলার ৯টি কেন্দ্রে একযোগে এ ভোট গ্রহণ করা হবে।