এখন ০২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আখাউড়ায় ইষ্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সংবাদ সম্মেলন, অনলাইনে কনভোকেশন বয়কটের ঘোষণা

শফিকুল ইসলাম রনি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি-ঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনের কনভোকেশন বয়কটের ঘোষণা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক শিক্ষার্থী। সোমবার দুপুরে আখাউড়া টেলিভিশন র্জানালিষ্ট এসোসিয়েশন অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ থেকে অনার্স (সম্মান) সম্পন্ন করা শিক্ষার্থী মুমিত হাসান জামির। তিনি আখাউড়া উপজেলার কলেজ পাড়ার বাসিন্দা।
সংবাদ সম্মেলনে মুমিত হাসান জামির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কনভোকেশনের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ও মার্স্টার্স সম্পন্ন করেছে প্রায় ১ হাজার ৫৫১ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এই করোনাকালে লকডাউনের মধ্যে তাড়াহুরা করে ১২ জুলাই অনলাইনে কনভোকেশনের আয়োজন করেছে। আমরা অনলাইনে কনভোকেশন করতে আগ্রহী নই। আমরা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলাম করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্যাম্পাসে সকলের উপস্থিতিতে কনভোকেশনের আয়োজন করার জন্য। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবী উপেক্ষা করে অনলাইনে কনভোকেশন আয়োজন করেছে। শিক্ষার্থীরা এ কনভোকেশন বয়কট করেছে। আমরা কেউ অনলাইনে কনভোকেশনে যুক্ত হব না।
তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থীর সারাজীবনের স্বপ্ন থাকে ক্যাম্পাসে কনভোকেশন করার। গ্রাজুয়েশন করার পর গাউন আর গিফট পাওয়া সকল শিক্ষার্থীর মৌলক অধিকার। কিন্তু কর্তৃপক্ষ মাত্র কয়েকজনকে গাউন ও টুপি দিয়েছে। আমরা বহু শিক্ষার্থী গাউন টুপি থেকে বঞ্চিত হয়েছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আখাউড়ায় ইষ্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সংবাদ সম্মেলন, অনলাইনে কনভোকেশন বয়কটের ঘোষণা

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৫৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১

শফিকুল ইসলাম রনি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি-ঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনের কনভোকেশন বয়কটের ঘোষণা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক শিক্ষার্থী। সোমবার দুপুরে আখাউড়া টেলিভিশন র্জানালিষ্ট এসোসিয়েশন অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ থেকে অনার্স (সম্মান) সম্পন্ন করা শিক্ষার্থী মুমিত হাসান জামির। তিনি আখাউড়া উপজেলার কলেজ পাড়ার বাসিন্দা।
সংবাদ সম্মেলনে মুমিত হাসান জামির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কনভোকেশনের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ও মার্স্টার্স সম্পন্ন করেছে প্রায় ১ হাজার ৫৫১ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এই করোনাকালে লকডাউনের মধ্যে তাড়াহুরা করে ১২ জুলাই অনলাইনে কনভোকেশনের আয়োজন করেছে। আমরা অনলাইনে কনভোকেশন করতে আগ্রহী নই। আমরা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলাম করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্যাম্পাসে সকলের উপস্থিতিতে কনভোকেশনের আয়োজন করার জন্য। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবী উপেক্ষা করে অনলাইনে কনভোকেশন আয়োজন করেছে। শিক্ষার্থীরা এ কনভোকেশন বয়কট করেছে। আমরা কেউ অনলাইনে কনভোকেশনে যুক্ত হব না।
তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থীর সারাজীবনের স্বপ্ন থাকে ক্যাম্পাসে কনভোকেশন করার। গ্রাজুয়েশন করার পর গাউন আর গিফট পাওয়া সকল শিক্ষার্থীর মৌলক অধিকার। কিন্তু কর্তৃপক্ষ মাত্র কয়েকজনকে গাউন ও টুপি দিয়েছে। আমরা বহু শিক্ষার্থী গাউন টুপি থেকে বঞ্চিত হয়েছি।