এখন ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে আলোচনা সভা নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জানা গেছে, ১৬ আগস্ট মঙ্গলবার কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাস স্বপনের সভাপতিত্বে বিল্লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্ত্বরে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খাঁন। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার,
মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ, বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান,পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আবুল বাসার সুজন, জেলা সৈনিক লীগের সভাপতি জিমি কাটার রণি, সম্পাদক ইন্জিঃ মাহাবুর রহমান মাহাম, মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ ও তানভির রেজা প্রমুখ।এছাড়াও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট ছোট অবুঝ শিশুদের খাবার না দিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত্য বসিয়ে রাখায় আয়োজকদের নিয়ে অভিভাবক মহলে চরম অসন্তোসের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়, জনমনে দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া। অনেকে বলছে এটা আয়োজক কমিটির মেধাশূণ্য নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, যেখানে এমপি ফারুক চৌধুরীর মতো বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, সেখানে আয়োজক কমিটিকে আরো সতর্ক ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হতো। এসব ছোট ছোট শিশুদের অনাহারী উপস্থিতি এমন সুন্দর একটি আয়োজনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কারণ আওয়ামী লীগের ভিতরেই একটি চক্র ঘাপটি মেরে বসে আছে যাদের একমাত্র কাজ হলো এমপি ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো। এমপির কোনো ভাল কাজ কখানোই এদের চোখে পড়ে না। অনুবেক্ষণ যন্ত্র নিয়ে
এরা শুধু এমপির দোষ-ক্রটি খুজতেই ব্যস্ত। এরাই এসব শিশুদের অনাহারী উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে করছে অপপ্রচার। অথচ সাংসদ ছিলেন অতিথি মাত্র। অনুষ্ঠানে কারা আসবে, কি ভাবে আসবে ইত্যাদি দেখভাল ও অনুষ্ঠানের ভালমন্দ সবকিছুর দায়িত্ব আয়োজকদের। কিন্ত্ত আয়োজকদের ভুলের কারণে এমপি ফারুক চৌধুরীর মতো একজন গণমানুষের নেতাকে নিয়ে বিতর্ক করার সুযোগ পেলো বিপদগামীরা, অথচ যার সঙ্গে এমপির কোনো সম্পৃক্তা নাই, এখন এর দায় নিবে কে ? আবার অনেকে বলছে, রাজনৈতিক মেধাশূণ্য এমন নেতৃত্ব নিয়ে আগামিতে পথ চলা অত্যন্ত কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করছে তৃণমুল।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে আলোচনা সভা নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জানা গেছে, ১৬ আগস্ট মঙ্গলবার কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাস স্বপনের সভাপতিত্বে বিল্লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্ত্বরে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খাঁন। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার,
মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ, বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান,পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আবুল বাসার সুজন, জেলা সৈনিক লীগের সভাপতি জিমি কাটার রণি, সম্পাদক ইন্জিঃ মাহাবুর রহমান মাহাম, মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ ও তানভির রেজা প্রমুখ।এছাড়াও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট ছোট অবুঝ শিশুদের খাবার না দিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত্য বসিয়ে রাখায় আয়োজকদের নিয়ে অভিভাবক মহলে চরম অসন্তোসের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়, জনমনে দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া। অনেকে বলছে এটা আয়োজক কমিটির মেধাশূণ্য নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, যেখানে এমপি ফারুক চৌধুরীর মতো বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, সেখানে আয়োজক কমিটিকে আরো সতর্ক ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হতো। এসব ছোট ছোট শিশুদের অনাহারী উপস্থিতি এমন সুন্দর একটি আয়োজনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কারণ আওয়ামী লীগের ভিতরেই একটি চক্র ঘাপটি মেরে বসে আছে যাদের একমাত্র কাজ হলো এমপি ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো। এমপির কোনো ভাল কাজ কখানোই এদের চোখে পড়ে না। অনুবেক্ষণ যন্ত্র নিয়ে
এরা শুধু এমপির দোষ-ক্রটি খুজতেই ব্যস্ত। এরাই এসব শিশুদের অনাহারী উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে করছে অপপ্রচার। অথচ সাংসদ ছিলেন অতিথি মাত্র। অনুষ্ঠানে কারা আসবে, কি ভাবে আসবে ইত্যাদি দেখভাল ও অনুষ্ঠানের ভালমন্দ সবকিছুর দায়িত্ব আয়োজকদের। কিন্ত্ত আয়োজকদের ভুলের কারণে এমপি ফারুক চৌধুরীর মতো একজন গণমানুষের নেতাকে নিয়ে বিতর্ক করার সুযোগ পেলো বিপদগামীরা, অথচ যার সঙ্গে এমপির কোনো সম্পৃক্তা নাই, এখন এর দায় নিবে কে ? আবার অনেকে বলছে, রাজনৈতিক মেধাশূণ্য এমন নেতৃত্ব নিয়ে আগামিতে পথ চলা অত্যন্ত কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করছে তৃণমুল।