এখন ০৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুড়ীতে পল্লী বন্ধু হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের এর তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ জাকির হোসেন, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি -ঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে এম জেড কমিউনিটি সেন্টার ১৪ জুলাই ২০২২ বৃহস্পতি বার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় অনষ্টিত হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন৷ আমেরিকা ফ্লোরিডা জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুল মালিক সাচ্চু, মোঃ বদরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আল-আমিন তালুকদার, আনোয়ারুল ইসলাম আনু, পারভেজ, রুহুল আমিন, জালাল উদ্দীন প্রমুখ।
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। পরে তার পরিবার রংপুরে চলে আসে। রংপুরেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে øাতক শেষ করে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি।

১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পেয়ে ১৯৭১-৭২ সালে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান থেকে প্রত্যাবর্তন করে ১৯৭৫ সালের ফেব্রয়ারিতে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি লাভ করেন তিনি। ওই বছরের আগস্টে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে তাকে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সেনাবাহিনীর প্রধান হন। ১৯৭৯ সালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন তিনি।

দেশের একটি ঐতিহাসিক সংকটময় মুহূর্তে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। দীর্ঘ নয় বছর দেশ পরিচালনা শেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকাকালে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করেছেন সাবেক এ রাষ্ট্রপতি। ১৯৯১ সালে গ্রেফতার হন তিনি। অন্তরীণ থাকা অবস্থায় ওই বছরই রংপুরে জাতীয় সংসদের পাঁচটি আসনে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। কারাগারে থেকেই ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিয়ে তিনি পাঁচটি আসনে জয়ী হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

জুড়ীতে পল্লী বন্ধু হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের এর তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২

মোঃ জাকির হোসেন, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি -ঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে এম জেড কমিউনিটি সেন্টার ১৪ জুলাই ২০২২ বৃহস্পতি বার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় অনষ্টিত হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন৷ আমেরিকা ফ্লোরিডা জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুল মালিক সাচ্চু, মোঃ বদরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আল-আমিন তালুকদার, আনোয়ারুল ইসলাম আনু, পারভেজ, রুহুল আমিন, জালাল উদ্দীন প্রমুখ।
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। পরে তার পরিবার রংপুরে চলে আসে। রংপুরেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে øাতক শেষ করে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি।

১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পেয়ে ১৯৭১-৭২ সালে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান থেকে প্রত্যাবর্তন করে ১৯৭৫ সালের ফেব্রয়ারিতে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি লাভ করেন তিনি। ওই বছরের আগস্টে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে তাকে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সেনাবাহিনীর প্রধান হন। ১৯৭৯ সালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন তিনি।

দেশের একটি ঐতিহাসিক সংকটময় মুহূর্তে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। দীর্ঘ নয় বছর দেশ পরিচালনা শেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকাকালে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করেছেন সাবেক এ রাষ্ট্রপতি। ১৯৯১ সালে গ্রেফতার হন তিনি। অন্তরীণ থাকা অবস্থায় ওই বছরই রংপুরে জাতীয় সংসদের পাঁচটি আসনে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। কারাগারে থেকেই ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিয়ে তিনি পাঁচটি আসনে জয়ী হন।