এখন ০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন শ্রেণীর অশিক্ষিত মানুষ বাংলাদেশকে মাথায় নিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছে।

তিন শ্রেণীর অশিক্ষিত মানুষ বাংলাদেশকে মাথায় নিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছে।

এক. অশিক্ষিত গার্মেন্টস শ্রমিক।

দুই. অশিক্ষিত প্রবাসী শ্রমিক।

তিন. অশিক্ষিত প্রান্তিক কৃষক।

এরা আনে, বাকীরা খায় এবং পাচার করে। সর্বদা একের পর এক নষ্ট কাব্য রচনা করে চলেছে। এই তিনটি মানুষকে আমরা কি দেই?

গার্মেন্টস শ্রমিক#

তার কি মজুরি ? কি বেতন ? কি তার নিরাপত্তা ? গার্মেন্টসে অধিকাংশ নারী শ্রমিক। আমরা না পারি তাদের দিতে খাদ্যের নিরাপত্তা, না শরীরের, না আছে তাদের প্রতি আমাদের সন্মানবোধ। কি আছে তার! কি আছে!!

প্রবাসী শ্রমিক# আমরা যারা বাইরে যাই, আমরা জানি কি কষ্ট তাদের। মরুভূমির তপ্ত বালু, তপ্ত বাতাস। আমার ভাই ইট টানছে খোলা আকাশের নীচে, রাতে ঘুমাবার জায়গা নেই, ভাল খাবার নেই। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে যায় নিজের দেশের দূতাবাসে। হয়রানির অন্ত নেই। দু’বছর তিনবছর পর একবার বাড়ী আসে। বিমানবন্দরে হয়রানি ,অসন্মান। নিউজের পাতা এর জলন্ত সাক্ষী। স্ত্রী-সন্তান রেখে যাওয়া বাড়ীতে নিরাপত্তা নেই, নেই সম্পত্তির নিরাপত্তা। কতো! কতো!!

কৃষক# প্রান্তিক কৃষক ধান ফলায়, শষ্য ফলায় কিন্তু ন্যায্য মূল্য পায়না। কাঁদে প্রকাশ্যে আবার নীরবে। কে শুনে তার কান্না! মিলায় আকাশে বাতাসে। আহা গফুর! আহা আমেনা! আহা শরৎবাবু!!!

শেখ মুজিব স্বাধীনতার আগে ৭মার্চ ভাষণে বলেছিল- এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।

স্বাধীনতার পরে শেখ মুজিব বলেছিলেন- এই দুর্নীতি চোরাকারবারি বন্ধ করতে পারলে দেশের ২৫% – ৩০% মানুষের কষ্ট ঘুছে যাবে। তিনি আরো বলেছিলেন- এ সকল মানুষের কষ্ট দেখলে আমি পাগল হয়ে যাই। আহা রাখাল রাজা। আর আসবেনা ফিরে। শেখ মুজিব বেঁচে থাকলে বেঁচে থাকতে পারতোনা চোরা কারবারীরা, লুটেরারা বা দুর্নীতিবাজরা। কোন ক্লাবে আসতোনা বিনা শুল্কের মদ।

সিন্ডিকেট বন্ধ হত, যারা আমার রাষ্ট্রের স্বাধীনতা জিম্মি করে ফেলেছে, কোনদিন পারতোনা। ঐ এক আওয়াজের কাছে সকল অসূর, সকল দানব মানতো পরাজয়।

যারা আমার স্বাধীন ভূখণ্ডকে কাঁধে নিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছে, আসুন সেই তিনটি অশিক্ষিত মানুষের জন্য কিছু করি। একটি সুন্দর ব্যবস্থা দাঁড় করাই। সেটাই হবে মুজিব বর্ষের আদর্শ। গার্মেন্টস শুধু মালিকের নয়, শ্রমিকেরও। একটা সময় মানুষ দাস কিনতো।

এখন তারা Textile/গ্যার্মেন্টস শ্রমিক কিনে।একটা দাস আর যেমন কোনো মূল্য নেই ।গ্যার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবন এর কোনো মূল্য নেই এই সমাজে। গ্যার্মেন্টস শ্রমিকদের কোনো বাবা-মা, ভাই-বোন পরিবার নেই। গার্মেন্টসের শ্রমিক কর্মচারীরা হলো কুলুর বলদের মত। এরা সারা বছর শুধু কুলুর বলদের মত খাটবে আর দেশের অর্থনিতীতে অগ্রনি ভূমিকা রেখে বড় বড় চোরদের চুরি করার সুযোগ করে দিবে। দেশের উপার্জনের নব্বই শতাংশ যাদের মাধ্যমে আসে তাদের নিরাপত্তা না দিয়ে রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, এম পি দের নিরাপত্তা দিচ্ছে দেশের সরকার !!!!!!!! এরা হল রোবট। শ্রমিকদের কোন বিনোদন করার অধিকার নাই। এদের কোন আত্মীয় স্বজন নাই।(সংগ্রহিত)

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তিন শ্রেণীর অশিক্ষিত মানুষ বাংলাদেশকে মাথায় নিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছে।

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১

তিন শ্রেণীর অশিক্ষিত মানুষ বাংলাদেশকে মাথায় নিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছে।

এক. অশিক্ষিত গার্মেন্টস শ্রমিক।

দুই. অশিক্ষিত প্রবাসী শ্রমিক।

তিন. অশিক্ষিত প্রান্তিক কৃষক।

এরা আনে, বাকীরা খায় এবং পাচার করে। সর্বদা একের পর এক নষ্ট কাব্য রচনা করে চলেছে। এই তিনটি মানুষকে আমরা কি দেই?

গার্মেন্টস শ্রমিক#

তার কি মজুরি ? কি বেতন ? কি তার নিরাপত্তা ? গার্মেন্টসে অধিকাংশ নারী শ্রমিক। আমরা না পারি তাদের দিতে খাদ্যের নিরাপত্তা, না শরীরের, না আছে তাদের প্রতি আমাদের সন্মানবোধ। কি আছে তার! কি আছে!!

প্রবাসী শ্রমিক# আমরা যারা বাইরে যাই, আমরা জানি কি কষ্ট তাদের। মরুভূমির তপ্ত বালু, তপ্ত বাতাস। আমার ভাই ইট টানছে খোলা আকাশের নীচে, রাতে ঘুমাবার জায়গা নেই, ভাল খাবার নেই। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে যায় নিজের দেশের দূতাবাসে। হয়রানির অন্ত নেই। দু’বছর তিনবছর পর একবার বাড়ী আসে। বিমানবন্দরে হয়রানি ,অসন্মান। নিউজের পাতা এর জলন্ত সাক্ষী। স্ত্রী-সন্তান রেখে যাওয়া বাড়ীতে নিরাপত্তা নেই, নেই সম্পত্তির নিরাপত্তা। কতো! কতো!!

কৃষক# প্রান্তিক কৃষক ধান ফলায়, শষ্য ফলায় কিন্তু ন্যায্য মূল্য পায়না। কাঁদে প্রকাশ্যে আবার নীরবে। কে শুনে তার কান্না! মিলায় আকাশে বাতাসে। আহা গফুর! আহা আমেনা! আহা শরৎবাবু!!!

শেখ মুজিব স্বাধীনতার আগে ৭মার্চ ভাষণে বলেছিল- এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।

স্বাধীনতার পরে শেখ মুজিব বলেছিলেন- এই দুর্নীতি চোরাকারবারি বন্ধ করতে পারলে দেশের ২৫% – ৩০% মানুষের কষ্ট ঘুছে যাবে। তিনি আরো বলেছিলেন- এ সকল মানুষের কষ্ট দেখলে আমি পাগল হয়ে যাই। আহা রাখাল রাজা। আর আসবেনা ফিরে। শেখ মুজিব বেঁচে থাকলে বেঁচে থাকতে পারতোনা চোরা কারবারীরা, লুটেরারা বা দুর্নীতিবাজরা। কোন ক্লাবে আসতোনা বিনা শুল্কের মদ।

সিন্ডিকেট বন্ধ হত, যারা আমার রাষ্ট্রের স্বাধীনতা জিম্মি করে ফেলেছে, কোনদিন পারতোনা। ঐ এক আওয়াজের কাছে সকল অসূর, সকল দানব মানতো পরাজয়।

যারা আমার স্বাধীন ভূখণ্ডকে কাঁধে নিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছে, আসুন সেই তিনটি অশিক্ষিত মানুষের জন্য কিছু করি। একটি সুন্দর ব্যবস্থা দাঁড় করাই। সেটাই হবে মুজিব বর্ষের আদর্শ। গার্মেন্টস শুধু মালিকের নয়, শ্রমিকেরও। একটা সময় মানুষ দাস কিনতো।

এখন তারা Textile/গ্যার্মেন্টস শ্রমিক কিনে।একটা দাস আর যেমন কোনো মূল্য নেই ।গ্যার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবন এর কোনো মূল্য নেই এই সমাজে। গ্যার্মেন্টস শ্রমিকদের কোনো বাবা-মা, ভাই-বোন পরিবার নেই। গার্মেন্টসের শ্রমিক কর্মচারীরা হলো কুলুর বলদের মত। এরা সারা বছর শুধু কুলুর বলদের মত খাটবে আর দেশের অর্থনিতীতে অগ্রনি ভূমিকা রেখে বড় বড় চোরদের চুরি করার সুযোগ করে দিবে। দেশের উপার্জনের নব্বই শতাংশ যাদের মাধ্যমে আসে তাদের নিরাপত্তা না দিয়ে রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, এম পি দের নিরাপত্তা দিচ্ছে দেশের সরকার !!!!!!!! এরা হল রোবট। শ্রমিকদের কোন বিনোদন করার অধিকার নাই। এদের কোন আত্মীয় স্বজন নাই।(সংগ্রহিত)