এখন ০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

২৫৫ ভোট পেয়ে ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। ভোটগ্রহণ শেষে একই স্থানে ভোট গণনা করা হয়। পরে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। এর আগে সিইসি জানিয়েছিলেন, ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনেই ভোট গণনা করে তাৎক্ষণিক ফল ঘোষণা করা হবে।

ভোটের ফল
সিইসি ঘোষিত ফল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ৩৪৩টি।
ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
অর্থাৎ দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ১৬৭ ভোট।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের প্রার্থিতা এর আগে নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করেছিল। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য তাঁর পক্ষে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৩ আগস্ট তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। প্রায় সাড়ে তিন দশক পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি পদে দুই প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেল।
এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় ভোটাভুটির প্রয়োজন হয়নি। এবার দুই পক্ষের প্রার্থী থাকায় সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে।

৩৪৯ জন ছিলেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদের সদস্যরাই ভোটার। এবারের নির্বাচনে ভোটার তালিকায় মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের নাম ছিল। একটি আসন শূন্য থাকায় মোট সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৩৫০ হলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৪৯ জন।
ভোটগ্রহণের আগে থেকেই নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনই নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চার সংসদ সদস্য ভোট দেননি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অধিকাংশ সংসদ সদস্য ভোট দিলেও চারজন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেননি।
তাদের মধ্যে তিনজন ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হননি। তারা হলেন—
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস;
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা;
সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা
ফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি লাল গোলাপ দিয়ে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপির দীর্ঘদিনের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের সাংবিধানিকভাবে সর্বোচ্চ পদগুলোর একটি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পথে এগিয়ে গেলেন।

রাজনৈতিকভাবে কেন গুরুত্বপূর্ণ এবারের নির্বাচন?
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শুধু নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এর রয়েছে আলাদা গুরুত্ব।
প্রথমত, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সরকার ও বিরোধী জোটের মনোনীত দুই প্রার্থী ভোটের মাঠে মুখোমুখি হয়েছেন। তৃতীয়ত, সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে ফল নির্ধারিত হওয়ায় সংসদের রাজনৈতিক শক্তির প্রতিফলনও দেখা গেছে।
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিপরীতে ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদের অংশগ্রহণ নির্বাচনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করেছে। অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্তের কথা ৯ আগস্ট ঘোষণা করে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে নতুন অধ্যায়

২৫৫ ভোট পেয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিজয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পর দেশের রাষ্ট্রপতি পদে তাঁর অভিষেক বিএনপির রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে ৮৮ ভোট পাওয়া অলি আহমদের প্রার্থিতা এবং তাঁর পক্ষে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের ভোট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির অবস্থানও স্পষ্ট করেছে।
সব মিলিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয়ে থাকল।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

২৫৫ ভোট পেয়ে ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। ভোটগ্রহণ শেষে একই স্থানে ভোট গণনা করা হয়। পরে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। এর আগে সিইসি জানিয়েছিলেন, ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনেই ভোট গণনা করে তাৎক্ষণিক ফল ঘোষণা করা হবে।

ভোটের ফল
সিইসি ঘোষিত ফল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ৩৪৩টি।
ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
অর্থাৎ দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ১৬৭ ভোট।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের প্রার্থিতা এর আগে নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করেছিল। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য তাঁর পক্ষে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৩ আগস্ট তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। প্রায় সাড়ে তিন দশক পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি পদে দুই প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেল।
এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় ভোটাভুটির প্রয়োজন হয়নি। এবার দুই পক্ষের প্রার্থী থাকায় সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে।

৩৪৯ জন ছিলেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদের সদস্যরাই ভোটার। এবারের নির্বাচনে ভোটার তালিকায় মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের নাম ছিল। একটি আসন শূন্য থাকায় মোট সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৩৫০ হলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৪৯ জন।
ভোটগ্রহণের আগে থেকেই নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনই নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চার সংসদ সদস্য ভোট দেননি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অধিকাংশ সংসদ সদস্য ভোট দিলেও চারজন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেননি।
তাদের মধ্যে তিনজন ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হননি। তারা হলেন—
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস;
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা;
সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা
ফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি লাল গোলাপ দিয়ে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপির দীর্ঘদিনের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের সাংবিধানিকভাবে সর্বোচ্চ পদগুলোর একটি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পথে এগিয়ে গেলেন।

রাজনৈতিকভাবে কেন গুরুত্বপূর্ণ এবারের নির্বাচন?
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শুধু নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এর রয়েছে আলাদা গুরুত্ব।
প্রথমত, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সরকার ও বিরোধী জোটের মনোনীত দুই প্রার্থী ভোটের মাঠে মুখোমুখি হয়েছেন। তৃতীয়ত, সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে ফল নির্ধারিত হওয়ায় সংসদের রাজনৈতিক শক্তির প্রতিফলনও দেখা গেছে।
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিপরীতে ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদের অংশগ্রহণ নির্বাচনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করেছে। অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্তের কথা ৯ আগস্ট ঘোষণা করে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে নতুন অধ্যায়

২৫৫ ভোট পেয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিজয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পর দেশের রাষ্ট্রপতি পদে তাঁর অভিষেক বিএনপির রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে ৮৮ ভোট পাওয়া অলি আহমদের প্রার্থিতা এবং তাঁর পক্ষে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের ভোট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির অবস্থানও স্পষ্ট করেছে।
সব মিলিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয়ে থাকল।