এখন ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাহাঙ্গীর আলমের পৈতৃক ও কবলাকৃত সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় কৃষক দলের সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে জোর পূর্বক এক ভুক্তভোগী পরিবারের ভোগ-দখলীয় সম্পত্তি জবর-দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভূমিদস্যু খ্যাতপ্রাপ্ত কৃষক দলের সভাপতি ও তার সহযোগীরা। এলাকা ভিত্তিক ক্ষমতাশালী নেতা ও ভূমিদস্যু আবু বক্কর সিদ্দীক ও তার সহযোগীতায় দখলবাজ সিন্ডিকেট চক্র এ অপকর্মে জড়িত। ওই জায়গা জবর-দখল নিতে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও জমির মালিক। এই কৃষক দলের সভাপতি সিদ্দীক এলাকায় ভুমিদস্যু নামে আখ্যায়িত। জোরপূর্বক জমি দখল করাই সিদ্দীকের অন্যতম কাজ। এলাকার মানুষের একটাই প্রশ্ন ভুমিদস্যুরা কি আসলেই অপ্রতিরোধ্য। নাকি প্রশাসন জেনে শুনে এদের ধরছে না। এরা কোন অদৃশ্য শক্তির দ্বারা পরিচালিত যে, পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না। বিভিন্ন অপরাধের মামলা নিয়ে তারা কিভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো ও অপরাধ মুলক কাজ দেখে এলাকাবাসী ভাবছে তারা অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়ছে। তাদের ধরার মতো কি দেশে কোনো আইন নেই। ভুক্তভোগী ব্যক্তি হলেন, পার্বতীপুর উপজেলাধীন পুরাতন বাজার এলাকা মৃত শাহ সুফী জাহেদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৪৫)। বাদীপক্ষ ও মামলা সুত্রে জানা যায়, মামলার বাদীর আর্জিতে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি যাহা পার্বতীপুর মৌজায় সিএস খতিয়ান নং-১৫৮, দাগ নং-৭৫৭, ৭৬২, ৭৪৩ ৭৫৮ তে মোট ৫.৪৩ একর জমি বাদীর পূর্ব পুরুষ তথা দাদা-পিতার ওয়ারিশন সম্পত্তি পুকুর /ডোবা। উক্ত পুকুরে বাদী জাহাঙ্গীর আলমসহ তার অপরাপর ওয়ারিশনগন মিলে ঐ পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ চাষ করেন। উক্ত পুকুর নিয়ে বাদীর চাচা মোঃ মোখলেছুর রহমানের সঙ্গে বাদীসহ অন্যান্য ওয়ারিশগনের মধ্যে দীর্ঘ বছর যাবৎ বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলছে এবং বাদী জাহাঙ্গীরগং বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পার্বতীপুর দিনাজপুর ও বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত দিনাজপুর থেকে ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে উক্ত ডিগ্রির বিরুদ্ধে বর্ণিত মোখলেছুর রহমান জেলা দায়রা জজ আদালত দিনাজপুরে আপীল মোকদ্দমা নং -৬২/২০২৩(মিস আপীল) আনয়ন করেন। বর্তমানে আপীল মোকদ্দমা টি বিচারাধীন। কিন্তু বাদী জাহাঙ্গীর গংদের বর্ণিত পুকুরের কোন প্রকার অংশীজন না কৃষক দলের সভাপতি মোঃ আবু বকর সিদ্দিক @ সিদ্দিক (৫৮) এর নেতৃত্বে মোঃ আসাদুল (৩০),মোঃ রাসেদ (২৮), মোঃ মুক্তা (৩৫), মোঃ জহুরুল ইসলাম (৫০), মোঃ মানিক (৩৮) ও মোঃ আসাদুল ইসলাম (৩৮) গং ১ম ঘটনার তারিখ ইং ০৫/১১/২০২৪ তারিখ দিবাগত রাত্রি অনুমান ১২.০০ হইতে ইং ০৬/১১/২০১৪ সকাল ১০.০০ ঘটিকা পর্যন্ত পূর্ব পরিকল্পিভাবে একই উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে পেশী শক্তির প্রভাব বিস্তার করিয়া বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে বাদীর তফসিল ভুক্ত পুকুরে অনধিকার ভাবে বেড় জাল ফেলে আনুমানিক  ০৮ মন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৬৫,০০০/ (পয়ষট্টি হাজার ) টাকা। ঐ সময় বাদীর ভাই মোঃ আবু তাহের বিলাসসহ অন্যান্য স্বাক্ষীরা আসামীদের ঐ ধরনের কৃতকার্যের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীগনদের মাছ ধরায় বাধা নিষেধ করলে আসামীগন বাদীর ভাই বিলাস ও বাদীর মাকে কিল ঘুষি মারে এবং একপর্যায় বাসীর বৃদ্ধ মাকে কিল ঘুষি ও ধাক্কা দিয়ে পড়নের কাপড় ধরে টানা জোড়া করে শ্রীলতাহানি করে এবং আসামীগন হৈচৈ ও বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি সৃষ্টি করে উক্ত পুকুরে আরো মাছ ধরা ও বাদীকে ক্ষতিগ্রস্থ করার অভিপ্রায়ের কৌশল হিসাবে বর্ণিত পুকুরে বিষ জাতীয় গ্যাসের ট্যাবলেট প্রয়োগ করে। উক্ত বিষ জাতীয় গ্যাসের ট্যাবলেট প্রয়োগের ফলে পুকুরে আনুমানিক ০৫/০৬ মন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেষে উঠে তখন স্থানীয় বহু লোকজন, উৎসুক জনতা যার যার মতো করে মাছ নিয়ে চলে যায়।ফলে বাদীর অনুমান ৫০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকার ক্ষতিসাধন হয়। মামলা সুত্রে আরো জানা যায়, তফশীল ভুক্ত জমি যা পার্বতীপুর মৌজায় সিএস খতিয়ান নং-১৩৫, ১৭৩, এসএ-১৪৯, ২১০ দাগ নং-২০৮৩ এর ০.১২ শতক সহ মামলার আর্জিতে বর্নিত মোট ০৯টি দাগে ২.০৯ একর কৃষি জমি উপজেলা ভূমি অফিস,পার্বতীপুর, দিনাজপুর পরিত্যাক্ত সম্পত্তি হিসাবে ইজারা নথি নংএ পি XIII/-৭৩ ও ৭৪(এন) /৮৫-৮৬ মুলে সহকারী কমিশনার (ভুমি) পার্বতীপুর,দিনাজপুর সাহেব জনৈক দ্বারাজ উদ্দিনকে জমির দাগ নং- ২০৮২ এর ০.০৮ শতক ২০৯১ এর ০.১৩ শতক, ২০৯২ এর ০.১২ মোট ৩৩ শতক এবং জনৈক ফারাজ উদ্দিন দাগ নং ২০৮৫ এর ০.০৭ শতক, ২০৮৮ – ০১৬ এবং ২০৮৬ এর ০.০৩ শতক সহ মোট ২৬ শতক জমি লীজ প্রদান করেন। তৎপ্রেক্ষিতে উল্লেখিত জমি জনৈক দ্বারাজ উদ্দিন ও জনৈক ফারাজ উদ্দিন ভোগ দখল করতে থাকে। অতঃপর বাদীর ভগ্নিপতি মোঃ নুর আলম, দাগনং ২০৮৫ এর ০.৩৫ শতক, ২০৮৩ এর ০.০৯ শতক, ২০৮৪ এর ০.১০ শতক ২০৮৬ এর ০.৮৮শতক,২০৮৭ এর ০.০৭ শতক, এবং ২০৮৮ এর ০.৪২ শতকসহ মোট= ১.৪৭ একর জমি ইজারা নথি নংএ.পি XIII/৭৩ ও ৭৪ (এন) /৮৫-৮৬ মুলে সহকারী কমিশনার (ভুমি) পার্বতীপুর,দিনাজপুর এর নিকট থেক লীজ গ্রহন করে উল্লেখিত জমি ভোগ দখল করতে থাকে। এমনি অবস্থায় বাদীর চাচা মোঃ মোখলেছার রহমান, বাদীসহ তাদের অন্যান্য ওয়ারিশগন উক্ত জমির সকল দাগের কাগজপত্র সংগ্রহ করে উল্লেখিত জমি উদ্ধারের জন্য বাদীর চাচা মোখলেছ সহ মোট ১৯ জন বাদী হইয়া বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালত-১,দিনাজপুর-এ মোকদ্দমা নং ১২২/২০১৫ (অন্য) আনয়ন করে। পরবর্তীতে উক্ত মামলাটি স্বত্বের ঘোষনামুলক ডিক্রির প্রার্থনায় মোকদ্দমাটি বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত,পার্বতীপুর, দিনাজপুর বিচারের জন্য আসলে বর্নিত আদালতে মোকদ্দমা নং-২১৪/২০২১ (অন্য),যার বাদী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দিং বনাম জেলা প্রশাসক, দিনাজপুর গংদের সহিত মোকদ্দমা চলে আসছে। অতঃপর বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত,পার্বতীপুর, দিনাজপুর বর্নিত মামলাটি বিচার চলাকালীন অবস্থায় উক্ত লীজকৃত জমিতে বিবাদী জেলা প্রশাসক,দিনাজপুর গংদের বিরুদ্ধে ইং ১৮/০৯/২০২৪ ও ২৪/০৯/২০২৪ খ্রিঃ তারিখে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। তৎ-প্রেক্ষিতে জনৈক দ্বারাজ উদ্দিন, ফারাজ উদ্দিন ও বাদীর ভগ্নিপতি মোঃ নুর আলমগনের নামে বাংলা ১৪২৩-১৪২৯ সাল পর্যন্ত লীজ বাতিল হয়।
‎এমতাবস্থায় ১৩ আগস্ট ২০২৫ ইং রাত আনুমানিক ৯ টায় ভূমিদস্যু আবু বক্কর সিদ্দীক বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে জমি দখল করতে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন কে খবর দিলে পুলিশের একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে আসার খরব পেয়েই পালিয়ে যায় ভূমিদস্যু চক্র। এরপর ১৯ আগস্ট ২০২৫ ইং সকাল ৭ টায় বাদীর ছোট ভাই রমজান আলী রনি ও তার বিধবা মায়ের উপর অর্তকিতভাবে হামলা চালায় এই ভূমিদস্যু বাহিনী। ভূমিদস্যু বাহিনীরা এতটাই মারমূখী ছিল যে তাদের মারের আঘাতে রমজান ও তার বিধবা মা মাটিতে লুয়ে পড়লেও তার ক্ষ্যান্ত হয় নি। তাদের উপূর্যপরী আঘাতে রনি ও তার মা রক্তাক্ত জখন হয়। এলাকাবাসীর সহযোগীতায় তাদের পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করানো হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

জাহাঙ্গীর আলমের পৈতৃক ও কবলাকৃত সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় কৃষক দলের সভাপতি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৮:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে জোর পূর্বক এক ভুক্তভোগী পরিবারের ভোগ-দখলীয় সম্পত্তি জবর-দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভূমিদস্যু খ্যাতপ্রাপ্ত কৃষক দলের সভাপতি ও তার সহযোগীরা। এলাকা ভিত্তিক ক্ষমতাশালী নেতা ও ভূমিদস্যু আবু বক্কর সিদ্দীক ও তার সহযোগীতায় দখলবাজ সিন্ডিকেট চক্র এ অপকর্মে জড়িত। ওই জায়গা জবর-দখল নিতে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও জমির মালিক। এই কৃষক দলের সভাপতি সিদ্দীক এলাকায় ভুমিদস্যু নামে আখ্যায়িত। জোরপূর্বক জমি দখল করাই সিদ্দীকের অন্যতম কাজ। এলাকার মানুষের একটাই প্রশ্ন ভুমিদস্যুরা কি আসলেই অপ্রতিরোধ্য। নাকি প্রশাসন জেনে শুনে এদের ধরছে না। এরা কোন অদৃশ্য শক্তির দ্বারা পরিচালিত যে, পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না। বিভিন্ন অপরাধের মামলা নিয়ে তারা কিভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো ও অপরাধ মুলক কাজ দেখে এলাকাবাসী ভাবছে তারা অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়ছে। তাদের ধরার মতো কি দেশে কোনো আইন নেই। ভুক্তভোগী ব্যক্তি হলেন, পার্বতীপুর উপজেলাধীন পুরাতন বাজার এলাকা মৃত শাহ সুফী জাহেদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৪৫)। বাদীপক্ষ ও মামলা সুত্রে জানা যায়, মামলার বাদীর আর্জিতে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি যাহা পার্বতীপুর মৌজায় সিএস খতিয়ান নং-১৫৮, দাগ নং-৭৫৭, ৭৬২, ৭৪৩ ৭৫৮ তে মোট ৫.৪৩ একর জমি বাদীর পূর্ব পুরুষ তথা দাদা-পিতার ওয়ারিশন সম্পত্তি পুকুর /ডোবা। উক্ত পুকুরে বাদী জাহাঙ্গীর আলমসহ তার অপরাপর ওয়ারিশনগন মিলে ঐ পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ চাষ করেন। উক্ত পুকুর নিয়ে বাদীর চাচা মোঃ মোখলেছুর রহমানের সঙ্গে বাদীসহ অন্যান্য ওয়ারিশগনের মধ্যে দীর্ঘ বছর যাবৎ বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলছে এবং বাদী জাহাঙ্গীরগং বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পার্বতীপুর দিনাজপুর ও বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত দিনাজপুর থেকে ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে উক্ত ডিগ্রির বিরুদ্ধে বর্ণিত মোখলেছুর রহমান জেলা দায়রা জজ আদালত দিনাজপুরে আপীল মোকদ্দমা নং -৬২/২০২৩(মিস আপীল) আনয়ন করেন। বর্তমানে আপীল মোকদ্দমা টি বিচারাধীন। কিন্তু বাদী জাহাঙ্গীর গংদের বর্ণিত পুকুরের কোন প্রকার অংশীজন না কৃষক দলের সভাপতি মোঃ আবু বকর সিদ্দিক @ সিদ্দিক (৫৮) এর নেতৃত্বে মোঃ আসাদুল (৩০),মোঃ রাসেদ (২৮), মোঃ মুক্তা (৩৫), মোঃ জহুরুল ইসলাম (৫০), মোঃ মানিক (৩৮) ও মোঃ আসাদুল ইসলাম (৩৮) গং ১ম ঘটনার তারিখ ইং ০৫/১১/২০২৪ তারিখ দিবাগত রাত্রি অনুমান ১২.০০ হইতে ইং ০৬/১১/২০১৪ সকাল ১০.০০ ঘটিকা পর্যন্ত পূর্ব পরিকল্পিভাবে একই উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে পেশী শক্তির প্রভাব বিস্তার করিয়া বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে বাদীর তফসিল ভুক্ত পুকুরে অনধিকার ভাবে বেড় জাল ফেলে আনুমানিক  ০৮ মন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৬৫,০০০/ (পয়ষট্টি হাজার ) টাকা। ঐ সময় বাদীর ভাই মোঃ আবু তাহের বিলাসসহ অন্যান্য স্বাক্ষীরা আসামীদের ঐ ধরনের কৃতকার্যের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীগনদের মাছ ধরায় বাধা নিষেধ করলে আসামীগন বাদীর ভাই বিলাস ও বাদীর মাকে কিল ঘুষি মারে এবং একপর্যায় বাসীর বৃদ্ধ মাকে কিল ঘুষি ও ধাক্কা দিয়ে পড়নের কাপড় ধরে টানা জোড়া করে শ্রীলতাহানি করে এবং আসামীগন হৈচৈ ও বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি সৃষ্টি করে উক্ত পুকুরে আরো মাছ ধরা ও বাদীকে ক্ষতিগ্রস্থ করার অভিপ্রায়ের কৌশল হিসাবে বর্ণিত পুকুরে বিষ জাতীয় গ্যাসের ট্যাবলেট প্রয়োগ করে। উক্ত বিষ জাতীয় গ্যাসের ট্যাবলেট প্রয়োগের ফলে পুকুরে আনুমানিক ০৫/০৬ মন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেষে উঠে তখন স্থানীয় বহু লোকজন, উৎসুক জনতা যার যার মতো করে মাছ নিয়ে চলে যায়।ফলে বাদীর অনুমান ৫০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকার ক্ষতিসাধন হয়। মামলা সুত্রে আরো জানা যায়, তফশীল ভুক্ত জমি যা পার্বতীপুর মৌজায় সিএস খতিয়ান নং-১৩৫, ১৭৩, এসএ-১৪৯, ২১০ দাগ নং-২০৮৩ এর ০.১২ শতক সহ মামলার আর্জিতে বর্নিত মোট ০৯টি দাগে ২.০৯ একর কৃষি জমি উপজেলা ভূমি অফিস,পার্বতীপুর, দিনাজপুর পরিত্যাক্ত সম্পত্তি হিসাবে ইজারা নথি নংএ পি XIII/-৭৩ ও ৭৪(এন) /৮৫-৮৬ মুলে সহকারী কমিশনার (ভুমি) পার্বতীপুর,দিনাজপুর সাহেব জনৈক দ্বারাজ উদ্দিনকে জমির দাগ নং- ২০৮২ এর ০.০৮ শতক ২০৯১ এর ০.১৩ শতক, ২০৯২ এর ০.১২ মোট ৩৩ শতক এবং জনৈক ফারাজ উদ্দিন দাগ নং ২০৮৫ এর ০.০৭ শতক, ২০৮৮ – ০১৬ এবং ২০৮৬ এর ০.০৩ শতক সহ মোট ২৬ শতক জমি লীজ প্রদান করেন। তৎপ্রেক্ষিতে উল্লেখিত জমি জনৈক দ্বারাজ উদ্দিন ও জনৈক ফারাজ উদ্দিন ভোগ দখল করতে থাকে। অতঃপর বাদীর ভগ্নিপতি মোঃ নুর আলম, দাগনং ২০৮৫ এর ০.৩৫ শতক, ২০৮৩ এর ০.০৯ শতক, ২০৮৪ এর ০.১০ শতক ২০৮৬ এর ০.৮৮শতক,২০৮৭ এর ০.০৭ শতক, এবং ২০৮৮ এর ০.৪২ শতকসহ মোট= ১.৪৭ একর জমি ইজারা নথি নংএ.পি XIII/৭৩ ও ৭৪ (এন) /৮৫-৮৬ মুলে সহকারী কমিশনার (ভুমি) পার্বতীপুর,দিনাজপুর এর নিকট থেক লীজ গ্রহন করে উল্লেখিত জমি ভোগ দখল করতে থাকে। এমনি অবস্থায় বাদীর চাচা মোঃ মোখলেছার রহমান, বাদীসহ তাদের অন্যান্য ওয়ারিশগন উক্ত জমির সকল দাগের কাগজপত্র সংগ্রহ করে উল্লেখিত জমি উদ্ধারের জন্য বাদীর চাচা মোখলেছ সহ মোট ১৯ জন বাদী হইয়া বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালত-১,দিনাজপুর-এ মোকদ্দমা নং ১২২/২০১৫ (অন্য) আনয়ন করে। পরবর্তীতে উক্ত মামলাটি স্বত্বের ঘোষনামুলক ডিক্রির প্রার্থনায় মোকদ্দমাটি বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত,পার্বতীপুর, দিনাজপুর বিচারের জন্য আসলে বর্নিত আদালতে মোকদ্দমা নং-২১৪/২০২১ (অন্য),যার বাদী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দিং বনাম জেলা প্রশাসক, দিনাজপুর গংদের সহিত মোকদ্দমা চলে আসছে। অতঃপর বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত,পার্বতীপুর, দিনাজপুর বর্নিত মামলাটি বিচার চলাকালীন অবস্থায় উক্ত লীজকৃত জমিতে বিবাদী জেলা প্রশাসক,দিনাজপুর গংদের বিরুদ্ধে ইং ১৮/০৯/২০২৪ ও ২৪/০৯/২০২৪ খ্রিঃ তারিখে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। তৎ-প্রেক্ষিতে জনৈক দ্বারাজ উদ্দিন, ফারাজ উদ্দিন ও বাদীর ভগ্নিপতি মোঃ নুর আলমগনের নামে বাংলা ১৪২৩-১৪২৯ সাল পর্যন্ত লীজ বাতিল হয়।
‎এমতাবস্থায় ১৩ আগস্ট ২০২৫ ইং রাত আনুমানিক ৯ টায় ভূমিদস্যু আবু বক্কর সিদ্দীক বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে জমি দখল করতে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন কে খবর দিলে পুলিশের একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে আসার খরব পেয়েই পালিয়ে যায় ভূমিদস্যু চক্র। এরপর ১৯ আগস্ট ২০২৫ ইং সকাল ৭ টায় বাদীর ছোট ভাই রমজান আলী রনি ও তার বিধবা মায়ের উপর অর্তকিতভাবে হামলা চালায় এই ভূমিদস্যু বাহিনী। ভূমিদস্যু বাহিনীরা এতটাই মারমূখী ছিল যে তাদের মারের আঘাতে রমজান ও তার বিধবা মা মাটিতে লুয়ে পড়লেও তার ক্ষ্যান্ত হয় নি। তাদের উপূর্যপরী আঘাতে রনি ও তার মা রক্তাক্ত জখন হয়। এলাকাবাসীর সহযোগীতায় তাদের পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করানো হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।