পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে তেতুলিয়া উপজেলা মডেল মসজিদ হলরুমে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়ন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রোগ্রামের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে এ পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তেঁতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পঞ্চগড়ের উপ-পরিচালক আব্দুল মতিন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সুবোধ চন্দ্র রায়, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জীবন ইসলাম, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, মনসুর আলী, আরিফ হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন উপ-সহকারি আব্দুল মোতালেব।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকার কৃষি ও কৃষকবান্ধব। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই কীভাবে অধিক ফলন ও লাভবান হওয়া যায় সে লক্ষ্যেই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাজ করছে। কৃষকদের সঙ্গে কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আজকের মুখোমুখি কর্মশালা তথা পার্টনার কংগ্রেস তারই প্রতিফলন।
বক্তারা বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মসূচি থেকে শুরু করে স্থানীয় উৎপাদনশীলতা ও পুষ্টি সংবর্ধন, উদ্যোক্তা মনোভাব তৈরি এবং প্রতিকুল প্রাকৃতিক প্রভাব মোকাবিলায় সাশ্রয়ী ও টেকসই প্রযুক্তি বিকাশে পলিসি ও মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পার্টনার কংগ্রেস থেকে জনপ্রিয় ও ফলপ্রসু কৃষি প্রযুক্তি ও পদ্ধতির অভিজ্ঞতা স্থানীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে এ অঞ্চলে কৃষিপ্রধান অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিবে। স্থানীয় কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফসলে সার ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের কে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নেওয়ার আহবান জানান। কৃষকদের কে যে কোনো সমস্যায় কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিতে আহ্বান জানান।
আয়োজকরা জানান, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন জাতের সম্প্রসারণ, কৃষিপণ্যের বাজারজাত করণ, খাদ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কৃষি-তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া সহ প্রযুক্তি ও কলাকৌশলের টেকসই সহায়তা প্রদান করা এই কংগ্রেসের মূল উদ্দেশ্য।
এ পার্টনার কংগ্রেস সেমিনারে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, পিএফএস ও নন-পিএফএস কৃষক-কৃষাণী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং সাংবাদিক সহ শতাধিক স্টেকহোল্ডার অংশ নেন।













