এখন ০৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে নামলো বৃষ্টি! জনজীবন স্বস্তির নিঃশ্বাস

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল জনজীবন। অবশেষে সোমবার(৬মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় গোপালগগঞ্জের পাঁচ উপজেলায় নামলো স্বস্তির বৃষ্টি। প্রায় দুই ঘন্টার বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কমে জনজীবনে কিছুটা প্রশান্তি ফিরেছে।
অনুভুত হচ্ছে শীতল ভাব । বৃষ্টি নামার পর বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়েদেরকে বাইরে বেরিয়ে আনন্দফূর্তি করতে দেখা গেছে। তবে কাল বৈশাখী ঝড় বা শিলাবৃষ্টির কোন খবর পাওয়া যায়নি।

গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন,সোমবার সকাল থেকে গোপালগঞ্জের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিলো।
তাপমাত্রা ছিলো ৩৬ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর বৃষ্টি শুরু হয় বিকেল সাড়ে ৫টায়। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৮.২ মিলিমিটার। আগামী ১২মে পর্যন্ত মাঝে মঝে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অপরদিকে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্তরের মানুষ জানিয়েছে, প্রায় একমাস হলো প্রচন্ড রোদ ও গরমে খুব কষ্ট পেয়েছি। রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারিনি। দিনে কাজ করতে পারিনি।
বৃষ্টি হওয়াতে আমাদের খুব ভালো লাগছে। শরীরটা জুড়িয়ে গেছে। সকল মানুষ আল্লাহ পাকের শুকরিয়া আদায় করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

গোপালগঞ্জে নামলো বৃষ্টি! জনজীবন স্বস্তির নিঃশ্বাস

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল জনজীবন। অবশেষে সোমবার(৬মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় গোপালগগঞ্জের পাঁচ উপজেলায় নামলো স্বস্তির বৃষ্টি। প্রায় দুই ঘন্টার বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কমে জনজীবনে কিছুটা প্রশান্তি ফিরেছে।
অনুভুত হচ্ছে শীতল ভাব । বৃষ্টি নামার পর বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়েদেরকে বাইরে বেরিয়ে আনন্দফূর্তি করতে দেখা গেছে। তবে কাল বৈশাখী ঝড় বা শিলাবৃষ্টির কোন খবর পাওয়া যায়নি।

গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন,সোমবার সকাল থেকে গোপালগঞ্জের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিলো।
তাপমাত্রা ছিলো ৩৬ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর বৃষ্টি শুরু হয় বিকেল সাড়ে ৫টায়। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৮.২ মিলিমিটার। আগামী ১২মে পর্যন্ত মাঝে মঝে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অপরদিকে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্তরের মানুষ জানিয়েছে, প্রায় একমাস হলো প্রচন্ড রোদ ও গরমে খুব কষ্ট পেয়েছি। রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারিনি। দিনে কাজ করতে পারিনি।
বৃষ্টি হওয়াতে আমাদের খুব ভালো লাগছে। শরীরটা জুড়িয়ে গেছে। সকল মানুষ আল্লাহ পাকের শুকরিয়া আদায় করেন।