এখন ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য মোঃ খায়রুল বসার সৈনিক নং ১৮০২৯৪৪ ল্যান্সঃ নায়েক পিতা মোঃ সাফায়েত উল্লাহ গ্রাম সিংহরিয়া, উপজেলা লালমাই সাবেক লাকসাম, জেলা কুমিল্লার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে। মামলা নং ২(২) ১৯৯৪, ধারা ৪০৯/৪২০ত্যসহ ১৯৪৭ সনের ৫(২) এর (দঃবিঃ), কাপ্তাই থানা, জেলা রাঙ্গামাটি। হালে বিশেষ মামলা নং ৫২/২০০৩, বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, চট্টগ্রাম। দীর্ঘ সময়ে মামলার বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে সেনা সদস্য খায়রুল বসার ব্রিফকেছ ভর্তি করে নিজ গ্রামে নগদ টাকা নিয়ে আসে। এলাকাজুড়ে শত শত ডিং জমি ক্রয় করে। নগদ টাকাগুলো ছিল সরকারী তহবিলে আসা জাতিসংঘের অনুদান। ১৯৯৪ সালে জানাজানি হলে সেনা সদস্য সুইডেন পালিয়ে যায়। দেশে আসলে ২০০৭ সালে পুলিশ সেনা সদস্য কে আটক করে কারাগারে পাঠায়। সেনা সদস্য লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি করলেও ২০ বছরে সাজা ও টাকা উদ্ধার হয়নি। সেনা সদস্যের ২ ছেলে অপু ও তপু দক্ষিণ আফ্রিকায় টাকা পাচার করে ব্যবসা করছে। গ্রামে সেনা সদস্য অবৈধ শালিস দরবার করে আসছে। স্থানীয় জনগণের দাবি সেনা সদস্যের যাতে দ্রত সাজা ও টাকা উদ্ধার করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ আদালতে মামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৪:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য মোঃ খায়রুল বসার সৈনিক নং ১৮০২৯৪৪ ল্যান্সঃ নায়েক পিতা মোঃ সাফায়েত উল্লাহ গ্রাম সিংহরিয়া, উপজেলা লালমাই সাবেক লাকসাম, জেলা কুমিল্লার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে। মামলা নং ২(২) ১৯৯৪, ধারা ৪০৯/৪২০ত্যসহ ১৯৪৭ সনের ৫(২) এর (দঃবিঃ), কাপ্তাই থানা, জেলা রাঙ্গামাটি। হালে বিশেষ মামলা নং ৫২/২০০৩, বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, চট্টগ্রাম। দীর্ঘ সময়ে মামলার বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে সেনা সদস্য খায়রুল বসার ব্রিফকেছ ভর্তি করে নিজ গ্রামে নগদ টাকা নিয়ে আসে। এলাকাজুড়ে শত শত ডিং জমি ক্রয় করে। নগদ টাকাগুলো ছিল সরকারী তহবিলে আসা জাতিসংঘের অনুদান। ১৯৯৪ সালে জানাজানি হলে সেনা সদস্য সুইডেন পালিয়ে যায়। দেশে আসলে ২০০৭ সালে পুলিশ সেনা সদস্য কে আটক করে কারাগারে পাঠায়। সেনা সদস্য লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি করলেও ২০ বছরে সাজা ও টাকা উদ্ধার হয়নি। সেনা সদস্যের ২ ছেলে অপু ও তপু দক্ষিণ আফ্রিকায় টাকা পাচার করে ব্যবসা করছে। গ্রামে সেনা সদস্য অবৈধ শালিস দরবার করে আসছে। স্থানীয় জনগণের দাবি সেনা সদস্যের যাতে দ্রত সাজা ও টাকা উদ্ধার করা হয়।