এখন ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ- মায়ের মুখের ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে বিরল ইতিহাস গড়েছে বাঙালি। প্রাণের ভাষা বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গড়ে ওঠা দুর্বার আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত, রফিক প্রমুখের তাজা রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। যার ফলে বাংলা ভাষা পায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা।

সেই পথ ধরেই শুরু হয় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এবং একাত্তরে ৯ মাস পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্যদিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ফলে সারাবিশ্বে এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ২১শে ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে শহীদদের স্বরণে এসব কথা বলেন, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ।

জানা গেছে, ২১ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ এবং প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে উপজেলা হলঘরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বার্নাবাস হাসদাক, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ হোসেন খান ও ডাক্তার মিজানুর রহমানপ্রমুখ। এদিকে একই দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পৃথকভাবে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ প্রদীপ সরকার, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তরুণ শিল্পপতি আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন ও উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব রামিল হাসান সুইটপ্রমুখ। এছাড়াও শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা আয়োজন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরন করা হয়। এর আগে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি’ সঙ্গীতের মাধ্যমে প্রভাত ফেরী করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ- মায়ের মুখের ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে বিরল ইতিহাস গড়েছে বাঙালি। প্রাণের ভাষা বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গড়ে ওঠা দুর্বার আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত, রফিক প্রমুখের তাজা রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। যার ফলে বাংলা ভাষা পায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা।

সেই পথ ধরেই শুরু হয় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এবং একাত্তরে ৯ মাস পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্যদিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ফলে সারাবিশ্বে এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ২১শে ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে শহীদদের স্বরণে এসব কথা বলেন, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ।

জানা গেছে, ২১ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ এবং প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে উপজেলা হলঘরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বার্নাবাস হাসদাক, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ হোসেন খান ও ডাক্তার মিজানুর রহমানপ্রমুখ। এদিকে একই দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পৃথকভাবে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ প্রদীপ সরকার, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তরুণ শিল্পপতি আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন ও উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব রামিল হাসান সুইটপ্রমুখ। এছাড়াও শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা আয়োজন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরন করা হয়। এর আগে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি’ সঙ্গীতের মাধ্যমে প্রভাত ফেরী করা হয়।