এখন ০৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাতিজাকে হত্যা

মোঃ রেজাউল করিম আলম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি -ঃ- পঞ্চগড়ে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাতিজাকে হত্যা পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গলায় মাফলার পেঁচিয়ে ভাতিজাকে হত্যা করা হয়েছে। পূর্ব থেকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা মাথায় আসে নিহত কামরুলের চাচা সাইফুলের।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পঞ্চগড় পুলিশ সুপার এস.এম. সিরাজুল হুদা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২৫ জানুয়ারি রাতে কামরুলকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের ধানশুকা এলাকার করতোয়া নদীর ধারে একটি চা বাগানের নালা থেকে সাইফুল ও তার সহযোগী একই উপজেলার দিদার আলী এবং নজিবুল হক মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান।

তিনি জানান, মাত্র ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাতিজাকে হত্যা করতে দিদার আলী এবং নজিবুল হককে ভাড়া করেন সাইফুল। পরে সেখানে তাকে হত্যা নিশ্চিত করে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যান হত্যাকারীরা।

এর আগে, গত ২৩ জানুয়ারি নিহত কামরুল নিখোঁজ হন। দুদিন ধরে কামরুলের খোঁজ না পেয়ে তার ছোট ভাই কাবুল হেসেন তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ওই দিনই বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের ধানশুকা এলাকার করতোয়া নদীর ধারে একটি চা বাগানের নালা থেকে কামরুলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০/২৫ জনের নামে তেতুঁলিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

পঞ্চগড়ে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাতিজাকে হত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

মোঃ রেজাউল করিম আলম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি -ঃ- পঞ্চগড়ে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাতিজাকে হত্যা পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গলায় মাফলার পেঁচিয়ে ভাতিজাকে হত্যা করা হয়েছে। পূর্ব থেকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা মাথায় আসে নিহত কামরুলের চাচা সাইফুলের।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পঞ্চগড় পুলিশ সুপার এস.এম. সিরাজুল হুদা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২৫ জানুয়ারি রাতে কামরুলকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের ধানশুকা এলাকার করতোয়া নদীর ধারে একটি চা বাগানের নালা থেকে সাইফুল ও তার সহযোগী একই উপজেলার দিদার আলী এবং নজিবুল হক মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান।

তিনি জানান, মাত্র ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাতিজাকে হত্যা করতে দিদার আলী এবং নজিবুল হককে ভাড়া করেন সাইফুল। পরে সেখানে তাকে হত্যা নিশ্চিত করে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যান হত্যাকারীরা।

এর আগে, গত ২৩ জানুয়ারি নিহত কামরুল নিখোঁজ হন। দুদিন ধরে কামরুলের খোঁজ না পেয়ে তার ছোট ভাই কাবুল হেসেন তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ওই দিনই বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের ধানশুকা এলাকার করতোয়া নদীর ধারে একটি চা বাগানের নালা থেকে কামরুলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০/২৫ জনের নামে তেতুঁলিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।