এখন ০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফতুল্লা মসজিদ থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ- নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা মসজিদ থেকে বিল্লাল হোসেন নামের এক কিশোরের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল রাত ৯ টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ফতুল্লার লালপুর পৌষাপুকুরপাড় আলআমিন বাগ এলাকার বায়তুল কোরবান জামে মসজিদের দোতলা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মসজিদের দোতলার ওই কক্ষে ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন থাকেন।

নিহত বিল্লাল হোসেন (১৭) লালপুর পৌষাপুকুরপাড় এলাকার গার্মেন্ট শ্রমিক আলমগীর হোসেনের ছেলে।

বিল্লাল আত্মহত্যা করেছে দাবি করে মসজিদের মোয়াজ্জিন রেদওয়ান হোসেন বলেন, এশার নামাজের আজানের সময় বিল্লাল মসজিদের দোতলা থেকে একটি ব্যাটারি চুরি করে পালানোর চেষ্টা করে। আমি তাকে মসজিদের সিঁড়িতে আটক করি। বিষয়টি ইমামকে জানানোর পর তিনি তার রুমে আটকে রাখতে বলেন। নামাজের পর মসজিদ কমিটির কাছে তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান। নামাজ শেষে রুমে গিয়ে দেখি ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে বিল্লাল আত্মহত্যা করেছে।

বিল্লাল হোসেনের নানি লাল বানু বলেন, এই মসজিদে প্রায়ই বিল্লাল নামাজ পড়ে। আজ সকালে কাজে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেনি । স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে মসজিদে এসে বিল্লালের মরদেহ দেখলাম।

বিল্লাল ফাঁস দেওয়ার মতো ছেলে না বলে জানান তিনি। এ ঘটনার সঠিক তদন্ত দাবি করেন লাল বানু।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার এসআই আবু হানিফ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাইলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

ফতুল্লা মসজিদ থেকে কিশোরের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ- নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা মসজিদ থেকে বিল্লাল হোসেন নামের এক কিশোরের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল রাত ৯ টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ফতুল্লার লালপুর পৌষাপুকুরপাড় আলআমিন বাগ এলাকার বায়তুল কোরবান জামে মসজিদের দোতলা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মসজিদের দোতলার ওই কক্ষে ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন থাকেন।

নিহত বিল্লাল হোসেন (১৭) লালপুর পৌষাপুকুরপাড় এলাকার গার্মেন্ট শ্রমিক আলমগীর হোসেনের ছেলে।

বিল্লাল আত্মহত্যা করেছে দাবি করে মসজিদের মোয়াজ্জিন রেদওয়ান হোসেন বলেন, এশার নামাজের আজানের সময় বিল্লাল মসজিদের দোতলা থেকে একটি ব্যাটারি চুরি করে পালানোর চেষ্টা করে। আমি তাকে মসজিদের সিঁড়িতে আটক করি। বিষয়টি ইমামকে জানানোর পর তিনি তার রুমে আটকে রাখতে বলেন। নামাজের পর মসজিদ কমিটির কাছে তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান। নামাজ শেষে রুমে গিয়ে দেখি ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে বিল্লাল আত্মহত্যা করেছে।

বিল্লাল হোসেনের নানি লাল বানু বলেন, এই মসজিদে প্রায়ই বিল্লাল নামাজ পড়ে। আজ সকালে কাজে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেনি । স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে মসজিদে এসে বিল্লালের মরদেহ দেখলাম।

বিল্লাল ফাঁস দেওয়ার মতো ছেলে না বলে জানান তিনি। এ ঘটনার সঠিক তদন্ত দাবি করেন লাল বানু।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার এসআই আবু হানিফ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাইলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।