এখন ০৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে ডিও সিন্ডিকেট মিন্টুর দৌরাত্ম্য

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ- রাজশাহীর তানোরে সিন্ডিকেটের  কাছে জিম্মি উপকারভোগীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে জিআর প্রকল্পের চালের নায্যমুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপকারভোগীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্প্রতিবার উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে মিন্টু  জোরপুর্বক ডিওলেটার ছিনিয়ে নেয়। এনিয়ে উপকারভোগীদের  মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে মিন্টুকে ধাওয়া করলে মিন্টু ভৌঁ-দৌড়ে পরিষদ থেকে পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, সিন্ডিকেটের কারণে
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, চালের দাম প্রতি কেজি মাত্র ২৮ টাকা থেকে ৩০ টাকা। তবে সেই চাল সাধারণের জন্য নয়, মাত্র ২৮-৩০ টাকায় চালের কেজি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলেও সাধারণ মানুষ এসব চাল ক্রয় করতে পারেনি। উপজেলা খাদ্য বিভাগের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে জনৈক সুফি কামাল মিন্টুর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি কালোবাজারি চক্র  সিন্ডিকেট করে মাত্র ২৮-৩০ টাকা কেজি দরে প্রায় সাড়ে ১৫ মেট্রিকটন চাল হাতিয়ে নিয়েছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে  শুরু হয়েছে ব্যাপক তোলপাড় উঠেছে  সমালোচনার ঝড়। গত ২১ ডিসেম্বর বৃহস্প্রতিবার দিনভর উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রকশ্যে এসব  ডিও লেটার বেচা-কেনা করেন মিন্টু।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, তানোরে চলতি বছরে  খৃষ্টান ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উপলক্ষে (জিআর) প্রকল্প থেকে ১২২টি গীর্জায় ৫০০ কেজি করে মোট ৬১ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ করা হয়। এসব চালের সরকারি মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৪২ হাজার টাকা। কিন্ত্ত কলমা ও কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ৩১টি গীর্জার বিপরীতে বরাদ্দকৃত সাড়ে ১৫ মেট্রিক টন প্রতি কেজি ২৮-৩০ টাকা দরে হাতিয়ে নেয় সুফি কামাল
 মিন্টু। তানোরের কলমা ও কামারগাঁ ইউপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গীর্জা কমিটির সদস্যগণ জানান, খাদ্য অফিস থেকে ডিওলেটার নিয়ে বাহির হওয়া মাত্র মিন্টু তা ছিনিয়ে নিয়েছে। ফলে তারা মিন্টুর কাছে
পানির দামে চাল বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।এছাড়াও খাদ্য অফিসে ডিও প্রতি ২০০ টাকা করে দিতে হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) আজহারুল ইসলাম বলেন, টাকা নেয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি বলেন, ডিও হোল্ডারগণ কোথায় কি ভাবে বা কত দামে চাল বিক্রি করছেন সেটা দেখার দায়িত্ব তাদের নয়। তবে জোরপুর্বক ডিও ছিনিয়ে নেয়ার কোনো সুযোগ, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

তানোরে ডিও সিন্ডিকেট মিন্টুর দৌরাত্ম্য

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২২

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ- রাজশাহীর তানোরে সিন্ডিকেটের  কাছে জিম্মি উপকারভোগীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে জিআর প্রকল্পের চালের নায্যমুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপকারভোগীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্প্রতিবার উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে মিন্টু  জোরপুর্বক ডিওলেটার ছিনিয়ে নেয়। এনিয়ে উপকারভোগীদের  মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে মিন্টুকে ধাওয়া করলে মিন্টু ভৌঁ-দৌড়ে পরিষদ থেকে পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, সিন্ডিকেটের কারণে
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, চালের দাম প্রতি কেজি মাত্র ২৮ টাকা থেকে ৩০ টাকা। তবে সেই চাল সাধারণের জন্য নয়, মাত্র ২৮-৩০ টাকায় চালের কেজি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলেও সাধারণ মানুষ এসব চাল ক্রয় করতে পারেনি। উপজেলা খাদ্য বিভাগের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে জনৈক সুফি কামাল মিন্টুর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি কালোবাজারি চক্র  সিন্ডিকেট করে মাত্র ২৮-৩০ টাকা কেজি দরে প্রায় সাড়ে ১৫ মেট্রিকটন চাল হাতিয়ে নিয়েছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে  শুরু হয়েছে ব্যাপক তোলপাড় উঠেছে  সমালোচনার ঝড়। গত ২১ ডিসেম্বর বৃহস্প্রতিবার দিনভর উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রকশ্যে এসব  ডিও লেটার বেচা-কেনা করেন মিন্টু।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, তানোরে চলতি বছরে  খৃষ্টান ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উপলক্ষে (জিআর) প্রকল্প থেকে ১২২টি গীর্জায় ৫০০ কেজি করে মোট ৬১ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ করা হয়। এসব চালের সরকারি মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৪২ হাজার টাকা। কিন্ত্ত কলমা ও কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ৩১টি গীর্জার বিপরীতে বরাদ্দকৃত সাড়ে ১৫ মেট্রিক টন প্রতি কেজি ২৮-৩০ টাকা দরে হাতিয়ে নেয় সুফি কামাল
 মিন্টু। তানোরের কলমা ও কামারগাঁ ইউপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গীর্জা কমিটির সদস্যগণ জানান, খাদ্য অফিস থেকে ডিওলেটার নিয়ে বাহির হওয়া মাত্র মিন্টু তা ছিনিয়ে নিয়েছে। ফলে তারা মিন্টুর কাছে
পানির দামে চাল বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।এছাড়াও খাদ্য অফিসে ডিও প্রতি ২০০ টাকা করে দিতে হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) আজহারুল ইসলাম বলেন, টাকা নেয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি বলেন, ডিও হোল্ডারগণ কোথায় কি ভাবে বা কত দামে চাল বিক্রি করছেন সেটা দেখার দায়িত্ব তাদের নয়। তবে জোরপুর্বক ডিও ছিনিয়ে নেয়ার কোনো সুযোগ, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।