এখন ০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাকসাম কনকশ্রীতে ছেলের হাতে মা খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক -ঃ- কুমিল্লার লালমাই উপজেলার কনকশ্রী দক্ষিণ পাড়ায় ছেলের শাবলের আঘাতে মা খুন হয়েছে। ঘাতক ছেলের নাম নুরে আলম সবুজ (৩০)। সে ৫ দিন আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসে। নিহত নুরজাহান বেগম চশমা (৫৫) ঐ গ্রামের কামাল হোসেন রাজা মিয়ার স্ত্রী। শনিবার (১০ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সাইদুল ইসলাম তিতু এ তথ্য নিশ্চিত।
এলাকাবাসী জানায়, মাত্র ৫ দিন আগে দেশে আসার পর থেকে সবুজ কারো সাথে কথাবার্তা না চুপচাপ থাকে। ২ বছর সৌদি থাকলেও দেশে টাকা-পয়সা পাঠাতে পারেনি। ঐদিন হঠাৎ পিতা কামাল হোসেন রাজা মিয়া, ভাই আরশাদসহ কয়েকজনকে মারধর করে। পরে পার্শ্ববর্তী নানার বাড়িতে গিয়ে মামা কামরুল ইসলামের স্ত্রী প্রীতি (২৭), মামাতো বোন মাইশাকে মারধর করে। এ সময় ঐ বাড়ির লোকজন তাদেরকে রক্ষায় এগিয়ে এলে এদেরকেও মারধর করে সবুজ। খবর পেয়ে একপর্যায়ে তার মা তাদেরকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে সবুজের হাতে থাকা শাবল দিয়ে আঘাত করলে মাথা ফেটে ঘটনাস্থলে মারা যান নুরজাহান বেগম চশমা।
এলাকাবাসী জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর বাড়িতে এসে বেডিংপত্র নিয়ে সবুজ ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। এ সময় লোকজন তাড়া করলে সে রাস্তা বদলে পালানোর চেষ্টা করে। পরে দরবেশপাড়া দিঘির পাড় থেকে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে লোকজন।
ঘটনাস্থলে আসা লালমাই থানার উপপরিদর্শক হারুনুর রশিদ জানান, ঘাতক সবুজকে আটক করা হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

লাকসাম কনকশ্রীতে ছেলের হাতে মা খুন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:২২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক -ঃ- কুমিল্লার লালমাই উপজেলার কনকশ্রী দক্ষিণ পাড়ায় ছেলের শাবলের আঘাতে মা খুন হয়েছে। ঘাতক ছেলের নাম নুরে আলম সবুজ (৩০)। সে ৫ দিন আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসে। নিহত নুরজাহান বেগম চশমা (৫৫) ঐ গ্রামের কামাল হোসেন রাজা মিয়ার স্ত্রী। শনিবার (১০ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সাইদুল ইসলাম তিতু এ তথ্য নিশ্চিত।
এলাকাবাসী জানায়, মাত্র ৫ দিন আগে দেশে আসার পর থেকে সবুজ কারো সাথে কথাবার্তা না চুপচাপ থাকে। ২ বছর সৌদি থাকলেও দেশে টাকা-পয়সা পাঠাতে পারেনি। ঐদিন হঠাৎ পিতা কামাল হোসেন রাজা মিয়া, ভাই আরশাদসহ কয়েকজনকে মারধর করে। পরে পার্শ্ববর্তী নানার বাড়িতে গিয়ে মামা কামরুল ইসলামের স্ত্রী প্রীতি (২৭), মামাতো বোন মাইশাকে মারধর করে। এ সময় ঐ বাড়ির লোকজন তাদেরকে রক্ষায় এগিয়ে এলে এদেরকেও মারধর করে সবুজ। খবর পেয়ে একপর্যায়ে তার মা তাদেরকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে সবুজের হাতে থাকা শাবল দিয়ে আঘাত করলে মাথা ফেটে ঘটনাস্থলে মারা যান নুরজাহান বেগম চশমা।
এলাকাবাসী জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর বাড়িতে এসে বেডিংপত্র নিয়ে সবুজ ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। এ সময় লোকজন তাড়া করলে সে রাস্তা বদলে পালানোর চেষ্টা করে। পরে দরবেশপাড়া দিঘির পাড় থেকে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে লোকজন।
ঘটনাস্থলে আসা লালমাই থানার উপপরিদর্শক হারুনুর রশিদ জানান, ঘাতক সবুজকে আটক করা হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।