এখন ০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজে পিঠা উৎসব

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- কুয়াশা ভেদ করে সবে ঝলমলে রোদের উঁকিবুকি। প্রকৃতিতে মৃদু হিমেল হাওয়া। এ যেন হেমন্তের চিরচেনা রূপ। এমন দিনে পিঠা খেতে কার না ভালো লাগে। তাই তো ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের মাঠে পা ফেলার ফুসরত নেই। সবাই ব্যস্ত পিঠা খেতে। পাক্কন, পুলি, চিতই, পাটিসাপটা, ভাপা পিঠা কি নেই এখানে।


মেডিকেল কলেজটিতে রবিবার আয়োজন করা হয় পিঠা উৎসবের। সকাল আটটায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এর আগে থেকে কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা একে একে আসতে থাকেন। বেলা ১০টা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন কলেজের শিক্ষার্থীসহ আমন্ত্রিত শিল্পীরা। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ডা. মো. আবু সাঈদ অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পৌর মেয়র নায়ার কবির, সিভিল সার্জন মো. একরাম উল্লাহসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন।

উৎসবে আসা বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ এর সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মো. মনির হোসেন বলেন,’পিঠা উৎসব আমাদের ঐতিহ্য। এটাকে ধরে রাখার প্রয়াসকে আমি স্বাগত জানাই। এখানে এসে বেশ ভালো লাগলো।’

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজে পিঠা উৎসব

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- কুয়াশা ভেদ করে সবে ঝলমলে রোদের উঁকিবুকি। প্রকৃতিতে মৃদু হিমেল হাওয়া। এ যেন হেমন্তের চিরচেনা রূপ। এমন দিনে পিঠা খেতে কার না ভালো লাগে। তাই তো ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের মাঠে পা ফেলার ফুসরত নেই। সবাই ব্যস্ত পিঠা খেতে। পাক্কন, পুলি, চিতই, পাটিসাপটা, ভাপা পিঠা কি নেই এখানে।


মেডিকেল কলেজটিতে রবিবার আয়োজন করা হয় পিঠা উৎসবের। সকাল আটটায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এর আগে থেকে কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা একে একে আসতে থাকেন। বেলা ১০টা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন কলেজের শিক্ষার্থীসহ আমন্ত্রিত শিল্পীরা। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ডা. মো. আবু সাঈদ অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পৌর মেয়র নায়ার কবির, সিভিল সার্জন মো. একরাম উল্লাহসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন।

উৎসবে আসা বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ এর সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মো. মনির হোসেন বলেন,’পিঠা উৎসব আমাদের ঐতিহ্য। এটাকে ধরে রাখার প্রয়াসকে আমি স্বাগত জানাই। এখানে এসে বেশ ভালো লাগলো।’