এখন ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটচাঁদপুরে তাল মেরামত করা  কারিগরদের বেশ কদর ছিল,এখন কারিগররা দিশেহারা

মোঃ আবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃ- ধনসম্পদ বাড়ি গাড়ি অফিস আদালত নিরাপদ রাখার মাধ্যম হচ্ছে তালা। এ তালা যখন অকেজো কিংবা এর চাবি হারিয়ে যায় তখন মানুষকে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এ অবস্থায় প্রয়োজন পড়ে তালা মেরামত ও চাবি তৈরির কারিগরদের।

 কিন্ত প্রযুক্তির উন্নয়নে হারিয়ে যাচ্ছে চাবি তৈরি ও তালা মেরামতের কারিগররা।একসময় কোটচাঁদপুরে এ পেশার কারিগরদের বেশ কদর ছিল। নতুন চাবি তৈরি,অকেজো তালা ও টর্চলাইট মেরামত করে চলতো নিম্ন আয়ের বহু মানুষের জীবন-জীবিকা। 

বর্তমান রসদ খুঁজে না পাওয়ায় কমেছে এ পেশার মানুষের সংখ্যা।তালা মেরামত করতে আসা মো.বাবলু বলেন,একসময় এ উপজেলার  বিভিন্ন বাজারে স্থায়ী,অস্থায়ী,ফুটপাত রাস্তার মোড়ে অনেককে দেখা গেলেও বর্তমানে তাদের আর চোখে পড়ে না। হাতে কাজ না থাকায় অনেকে পেশা পরিবর্তন করেছেন।

উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত সালামত মন্ডলের ছেলে কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের সামনে তালা মেরামত চাবি তৈরি ও টর্চলাইট মেরামতকারী মো.সারুয়ার মন্ডল (৬৫) বলেন,আমি প্রায় ৩৫ বছর যাবত এ পেশার সাথে যুক্ত। একসময় অকেজো টর্চলাইট,কামারি তালা মেরামত ও বাসাবাড়িতে হারিয়ে যাওয়া চাবি তৈরির কাজ করতাম।

বর্তমানে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো।সড়কে বাতির আলোর ঝলকানি। এতে প্রায় টর্চলাইট উঠে গেছে। এখন টর্চ লাইটের স্থান মোবাইল ফোন দখল করে নিয়েছে।পাঁচ বছর আগে ভালোই কামাই রোজগার হতো।তা দিয়ে ভালোই চলত সংসার।বর্তমানে জিনিস পত্রের অনেক দাম।

 আগে হাতেগোনা কয়েকজন কারিগর ছিলাম।এখন অনেক কারিগর তৈরি হয়েছে।এখন আর আগের মতো হাতে কাজ নেই।কোনদিন ২০০ টাকা আবার কোন দিন ২৫০ টাকা ইনকাম হয়।যা দিয়ে সংসার চলে কোনো রকম। দেড়ি মজুদ করতে পারিনা। তারপরও পেশার মমত্ববোধে আজও এ পেশা ধরে আছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

কোটচাঁদপুরে তাল মেরামত করা  কারিগরদের বেশ কদর ছিল,এখন কারিগররা দিশেহারা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২

মোঃ আবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃ- ধনসম্পদ বাড়ি গাড়ি অফিস আদালত নিরাপদ রাখার মাধ্যম হচ্ছে তালা। এ তালা যখন অকেজো কিংবা এর চাবি হারিয়ে যায় তখন মানুষকে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এ অবস্থায় প্রয়োজন পড়ে তালা মেরামত ও চাবি তৈরির কারিগরদের।

 কিন্ত প্রযুক্তির উন্নয়নে হারিয়ে যাচ্ছে চাবি তৈরি ও তালা মেরামতের কারিগররা।একসময় কোটচাঁদপুরে এ পেশার কারিগরদের বেশ কদর ছিল। নতুন চাবি তৈরি,অকেজো তালা ও টর্চলাইট মেরামত করে চলতো নিম্ন আয়ের বহু মানুষের জীবন-জীবিকা। 

বর্তমান রসদ খুঁজে না পাওয়ায় কমেছে এ পেশার মানুষের সংখ্যা।তালা মেরামত করতে আসা মো.বাবলু বলেন,একসময় এ উপজেলার  বিভিন্ন বাজারে স্থায়ী,অস্থায়ী,ফুটপাত রাস্তার মোড়ে অনেককে দেখা গেলেও বর্তমানে তাদের আর চোখে পড়ে না। হাতে কাজ না থাকায় অনেকে পেশা পরিবর্তন করেছেন।

উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত সালামত মন্ডলের ছেলে কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের সামনে তালা মেরামত চাবি তৈরি ও টর্চলাইট মেরামতকারী মো.সারুয়ার মন্ডল (৬৫) বলেন,আমি প্রায় ৩৫ বছর যাবত এ পেশার সাথে যুক্ত। একসময় অকেজো টর্চলাইট,কামারি তালা মেরামত ও বাসাবাড়িতে হারিয়ে যাওয়া চাবি তৈরির কাজ করতাম।

বর্তমানে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো।সড়কে বাতির আলোর ঝলকানি। এতে প্রায় টর্চলাইট উঠে গেছে। এখন টর্চ লাইটের স্থান মোবাইল ফোন দখল করে নিয়েছে।পাঁচ বছর আগে ভালোই কামাই রোজগার হতো।তা দিয়ে ভালোই চলত সংসার।বর্তমানে জিনিস পত্রের অনেক দাম।

 আগে হাতেগোনা কয়েকজন কারিগর ছিলাম।এখন অনেক কারিগর তৈরি হয়েছে।এখন আর আগের মতো হাতে কাজ নেই।কোনদিন ২০০ টাকা আবার কোন দিন ২৫০ টাকা ইনকাম হয়।যা দিয়ে সংসার চলে কোনো রকম। দেড়ি মজুদ করতে পারিনা। তারপরও পেশার মমত্ববোধে আজও এ পেশা ধরে আছি।