এখন ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় নানা আয়োজনে নবান্ন উৎসব উদযাপন

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ- সোনার দানা ভরে যেই ক্লান্ত চাষীর মন, হয় তখনি নবান্নেরই নিবিড় আয়োজন’ এই শ্লোগানে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বগুড়ায় বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব উদযাপিত হয়েছে। বগুড়া কলেজ থিয়েটারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি বুধবার বেলা ১১টার দিকে সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই বর্ণাঢ্য র‍্যালী শহরের বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করে। র‍্যালীতে সবাই নাচে গানে নবান্ন উৎসবে মেতে উঠেন। এমনকি র‍্যালীর সামনে চলে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা। র‍্যালী শেষে কলেজ চত্বরে নতুন ধান মাড়াই করে নবান্ন উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বগুড়ার সভাপতি তৌফিক হাসান ময়না।

পরে কলেজ থিয়েটারের আহ্বায়ক রবিউল করিম হৃদয়ের সভাপতিত্বে নবান্ন কথন নামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জোহরা ওয়াহিদা রহমান।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বেল্লাল হোসেন, কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান দেবদুলাল দাস, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক গোলজার হোসেন, বগুড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক করতোয়ার বার্তা সম্পাদক এবং প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বগুড়ার সহ সভাপতি আতিকুর রহমান মিঠু সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ সিদ্দিকী, দৈনিক উত্তর দর্পণের সম্পাদক ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সহ- সভাপতি আব্দুস সালাম বাবু, কলেজের শিক্ষক আই আর এম সাজ্জাদ হোসেন এবং সৈয়দা রুবিনা সিদ্দিকা।

কলেজ থিয়েটারের আহ্বায়ক রবিউল করিম হৃদয় বলেন, প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে নবান্নকে কেন্দ্র করে একত্রে উৎসবে মেতে ওঠে। তাই অগ্রহায়ণের শুরুতেই গ্রাম বাংলায় চলে নানা উৎসব ও আয়োজন। নবান্ন উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির নানা দিক। সেই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই বগুড়ার সাংস্কৃতিক সংগঠন কলেজ থিয়েটার প্রতিবছর আয়োজন করে নবান্ন উৎসব।

আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে নবান্নের নৃত্য, কথা, গান , কবিতা আবৃত্তি এবং জুতা আবিষ্কার নাটক অনুষ্ঠিত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বগুড়ায় নানা আয়োজনে নবান্ন উৎসব উদযাপন

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ- সোনার দানা ভরে যেই ক্লান্ত চাষীর মন, হয় তখনি নবান্নেরই নিবিড় আয়োজন’ এই শ্লোগানে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বগুড়ায় বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব উদযাপিত হয়েছে। বগুড়া কলেজ থিয়েটারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি বুধবার বেলা ১১টার দিকে সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই বর্ণাঢ্য র‍্যালী শহরের বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করে। র‍্যালীতে সবাই নাচে গানে নবান্ন উৎসবে মেতে উঠেন। এমনকি র‍্যালীর সামনে চলে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা। র‍্যালী শেষে কলেজ চত্বরে নতুন ধান মাড়াই করে নবান্ন উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বগুড়ার সভাপতি তৌফিক হাসান ময়না।

পরে কলেজ থিয়েটারের আহ্বায়ক রবিউল করিম হৃদয়ের সভাপতিত্বে নবান্ন কথন নামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জোহরা ওয়াহিদা রহমান।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বেল্লাল হোসেন, কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান দেবদুলাল দাস, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক গোলজার হোসেন, বগুড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক করতোয়ার বার্তা সম্পাদক এবং প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বগুড়ার সহ সভাপতি আতিকুর রহমান মিঠু সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ সিদ্দিকী, দৈনিক উত্তর দর্পণের সম্পাদক ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সহ- সভাপতি আব্দুস সালাম বাবু, কলেজের শিক্ষক আই আর এম সাজ্জাদ হোসেন এবং সৈয়দা রুবিনা সিদ্দিকা।

কলেজ থিয়েটারের আহ্বায়ক রবিউল করিম হৃদয় বলেন, প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে নবান্নকে কেন্দ্র করে একত্রে উৎসবে মেতে ওঠে। তাই অগ্রহায়ণের শুরুতেই গ্রাম বাংলায় চলে নানা উৎসব ও আয়োজন। নবান্ন উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির নানা দিক। সেই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই বগুড়ার সাংস্কৃতিক সংগঠন কলেজ থিয়েটার প্রতিবছর আয়োজন করে নবান্ন উৎসব।

আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে নবান্নের নৃত্য, কথা, গান , কবিতা আবৃত্তি এবং জুতা আবিষ্কার নাটক অনুষ্ঠিত হয়।